বদরগঞ্জের জগাই কুন্ডু
জিরো থেকে হিরো
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
জগাই কুুন্ডু(৬৫)। পেশায় দই বিক্রেতা। শুধু মাত্র দুধ দিয়ে তৈরি ছানা আর দই বিক্রি করেই তিনি কোটিপতি। জগাই কুন্ডুর পিতা দরিদ্রু হারান কুন্ডু পাবনা জেলা হতে ৫ ছেলে ২ মেয়ে নিয়ে স্ব-পরিবারে রংপুর বদরগঞ্জের সি.ও রোডে আসেন। ছোট একটি কুড়েঁ ঘর তৈরি করে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন। ওই সময় পরিবারের ভরন-পোষন নিয়ে দরিদ্র নিঃস্ব হারান কুন্ডু পড়ে যান বিপাকে। কি ভাবে তার এত বড় সংসার চলবে,এ নিয়ে তার চিন্তার অন্ত ছিল না। সংসারের এ অবস্থা দেখে পিতাকে সহয়োগিতা করতে জগাই কুন্ডুর ৪ ভাই অন্যের মিষ্টির দোকানে কাজে লেগে যান। এ ভাবেই শুরু। ধীরে ধীরে জগাই কুন্ডুর অন্যান্য ভাইয়েরা বদরগঞ্জে ছোট ছোট মিষ্টির দোকান দেয়। হারান কুন্ডুর ছোট ছেলে জগাই কুন্ডু একটু ডানপিটে ও কাজে অমনোযোগি হওয়ার কারনে তাকে নিয়ে তার পিতা-মাতার টেনশনের অন্ত ছিল না। এ দিকে জুরান কুন্ডুর অন্যান্য ভাইরা মিষ্টির ব্যবসায় এগিয়ে যেতে থাকে। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে অনেকটা জোর করেই পিতা হারান কুন্ডু ছেলেকে দুধ দিয়ে তৈরি ছানা আর দই তৈরির কাজে লাগিয়ে দেন। জুরান কুন্ডু প্রথমে তার ভাইদের দোকানে তার তৈরি ছানা ও দই সরবরাহ করতো। ব্যবসায় লাভ হতে থাকলে পরে সে গোটা উপজেলায় সরবরাহ করতে থাকে। কুন্ডু বর্তমানে তার দই ও ছানা গোটা রংপুর জেলায় সরবরাহ করছে। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা হতে পাইকাররা এসে তার দই ও ছানা নিয়ে যায়। শুধু মাত্র দই ও ছানা বিক্রি করেই তিনি হয়েছেন কোটিপতি।
সরেজমিনে বদরগঞ্জ পৌর শহরের সিও রোড মহল্লার তার বাড়ি সংলগ্ন দই ও ছানা তৈরির কারখানায় গিয়ে কথা হয় জগাই কুন্ডুর সাথে,তার সফলতার কথা প্রথমে জানাতে না চাইলেও পরে তিনি জানান; জীবনে খুব কষ্ট করেছি। তাই আজ এ পর্যায়ে আসতে পেরেছি। আমার এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে ডিগ্রি পাশ করে আমার ব্যবসায় সহযোগিতা করে। মেয়ে রংপুরের কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অর্নাসে পড়ে। তিনি আরও জানান; দক্ষ কারিগর ছাড়া ভাল দই কেউ তৈরি করতে পারবে না। তবে এখন ভালো লাগে পরিশ্রম করে ব্যবসায় সফল হয়েছি। আরও ভালো লাগে আমার কারখানায় অনেক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। বর্তমান সময়ের ছেলেদের বলবো অহেতুক সময় নষ্ট না করে নিজ নিজ কাজে মনোযোগি হলে সফলতা একদিন আসবেই।
কারখানায় গিয়ে কথা হয় দিনাজপুর জেলা হতে দই নিতে আসা পাইকাড় অমল রায়ের সাথে,তিনি জানান;জুরান কাকার দই অত্যন্ত ভালো ও মানসন্মত। আমি একটু কম দামে দই কিনে দিনাজপুরে বিক্রি করি। তাতে আমারও ভালো রোজগার হয়।
পৌর শহরের সি.ও রোড মহল্লার বাসিন্দা ও বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার জানান; তার দই এতটাই মজাদার যে একবার খেলে বার বার খেতে ইচ্ছে করে। তার মত পরিশ্রমি মানুষ আমি কম দেখেছি। পরিশ্রম করেই তিনি এত দুর এগিয়েছেন।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১১জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
জিরো থেকে হিরো
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
জগাই কুুন্ডু(৬৫)। পেশায় দই বিক্রেতা। শুধু মাত্র দুধ দিয়ে তৈরি ছানা আর দই বিক্রি করেই তিনি কোটিপতি। জগাই কুন্ডুর পিতা দরিদ্রু হারান কুন্ডু পাবনা জেলা হতে ৫ ছেলে ২ মেয়ে নিয়ে স্ব-পরিবারে রংপুর বদরগঞ্জের সি.ও রোডে আসেন। ছোট একটি কুড়েঁ ঘর তৈরি করে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন। ওই সময় পরিবারের ভরন-পোষন নিয়ে দরিদ্র নিঃস্ব হারান কুন্ডু পড়ে যান বিপাকে। কি ভাবে তার এত বড় সংসার চলবে,এ নিয়ে তার চিন্তার অন্ত ছিল না। সংসারের এ অবস্থা দেখে পিতাকে সহয়োগিতা করতে জগাই কুন্ডুর ৪ ভাই অন্যের মিষ্টির দোকানে কাজে লেগে যান। এ ভাবেই শুরু। ধীরে ধীরে জগাই কুন্ডুর অন্যান্য ভাইয়েরা বদরগঞ্জে ছোট ছোট মিষ্টির দোকান দেয়। হারান কুন্ডুর ছোট ছেলে জগাই কুন্ডু একটু ডানপিটে ও কাজে অমনোযোগি হওয়ার কারনে তাকে নিয়ে তার পিতা-মাতার টেনশনের অন্ত ছিল না। এ দিকে জুরান কুন্ডুর অন্যান্য ভাইরা মিষ্টির ব্যবসায় এগিয়ে যেতে থাকে। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে অনেকটা জোর করেই পিতা হারান কুন্ডু ছেলেকে দুধ দিয়ে তৈরি ছানা আর দই তৈরির কাজে লাগিয়ে দেন। জুরান কুন্ডু প্রথমে তার ভাইদের দোকানে তার তৈরি ছানা ও দই সরবরাহ করতো। ব্যবসায় লাভ হতে থাকলে পরে সে গোটা উপজেলায় সরবরাহ করতে থাকে। কুন্ডু বর্তমানে তার দই ও ছানা গোটা রংপুর জেলায় সরবরাহ করছে। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা হতে পাইকাররা এসে তার দই ও ছানা নিয়ে যায়। শুধু মাত্র দই ও ছানা বিক্রি করেই তিনি হয়েছেন কোটিপতি।
সরেজমিনে বদরগঞ্জ পৌর শহরের সিও রোড মহল্লার তার বাড়ি সংলগ্ন দই ও ছানা তৈরির কারখানায় গিয়ে কথা হয় জগাই কুন্ডুর সাথে,তার সফলতার কথা প্রথমে জানাতে না চাইলেও পরে তিনি জানান; জীবনে খুব কষ্ট করেছি। তাই আজ এ পর্যায়ে আসতে পেরেছি। আমার এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে ডিগ্রি পাশ করে আমার ব্যবসায় সহযোগিতা করে। মেয়ে রংপুরের কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অর্নাসে পড়ে। তিনি আরও জানান; দক্ষ কারিগর ছাড়া ভাল দই কেউ তৈরি করতে পারবে না। তবে এখন ভালো লাগে পরিশ্রম করে ব্যবসায় সফল হয়েছি। আরও ভালো লাগে আমার কারখানায় অনেক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। বর্তমান সময়ের ছেলেদের বলবো অহেতুক সময় নষ্ট না করে নিজ নিজ কাজে মনোযোগি হলে সফলতা একদিন আসবেই।
কারখানায় গিয়ে কথা হয় দিনাজপুর জেলা হতে দই নিতে আসা পাইকাড় অমল রায়ের সাথে,তিনি জানান;জুরান কাকার দই অত্যন্ত ভালো ও মানসন্মত। আমি একটু কম দামে দই কিনে দিনাজপুরে বিক্রি করি। তাতে আমারও ভালো রোজগার হয়।
পৌর শহরের সি.ও রোড মহল্লার বাসিন্দা ও বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার জানান; তার দই এতটাই মজাদার যে একবার খেলে বার বার খেতে ইচ্ছে করে। তার মত পরিশ্রমি মানুষ আমি কম দেখেছি। পরিশ্রম করেই তিনি এত দুর এগিয়েছেন।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১১জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন