নিরাপদ সড়ক চাই
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
সুন্দর স্বপ্লীল এ পৃথিবীতে কে না বেঁচে থাকতে চায় ? পৃথিবীর এই সৌল্পিক সৌন্দর্য আর প্রেম ভালবাসার মোহে আটকা পড়ে গেছে মানব সন্তানরা। সুন্দর এ পৃথিবীটাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে দেখার সাধ মানুষের প্রবল। প্রকৃতির এই উদারতাকে এবং জীবিকার তাগিদে মানুষ এক স্থান হতে অন্য স্থানে পাগলের মত ছুঁটছে। গোটা ভু-খন্ডকে হাতের মুঠোয় পুরে রাখতে কতইনা তারা কৌশল অবলম্বন করছে।মানব সন্তানরা জানে, গোটা ভুখন্ডকে হাতের মুঠোয় রাখতে হলে চাই উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। আর এই যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম একটি অংশ হল সড়ক পথ।
মানুষের নিবিঘের্œ, নিশ্চিন্তে চলাফেরা, এক স্থান হতে অন্য স্থানে যাতায়াতের সুবিধা দানই ছিল সড়ক ব্যবস্থার মুল লক্ষ্য। কিন্তু বাস্তবে কতটা নিরাপদ এই দু-পা বিশিষ্ট প্রানিরা !
দেশিয় পৃক্ষাপটে সড়ক ব্যবস্থার মুল্যায়ন করা যাক।
জীবিকার তাগিদে মানুষ নিরন্তর ছুঁটতে তো ছুঁটছে। ছুঁটতে ছুঁটতে হোঁচট খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে,শরীরের কোন স্থান হতে লবন মিশ্রিত লাল পানি মুছে,ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে আবারো ছুঁটা। এ যেন দৌঁড় দৌঁড় খেলা।এমনি এক মুহুর্তে পিছন হতে ঘাতক ট্রাক এসে চাপা দিয়ে লেপটে দিল তার সারা শরীর। নিথর নিঃস্তেজ হল তার দেহটা। কি মুল্য আছে এ জীবনের ? এমন অনেক পরিবার আছে যাদের একজনের আয়ের উপর নির্ভর করে চলতে হয় গোটা পরিবারকে।
ভেবে দেখুন পাঠক, কি হবে এই পরিবারগুলোর ? আমরা কি কেউ খোঁজ নেই এই পরিবারগুলোর দূর্দশার কথা ? হয়তো কাঁদছে তার অবুঝ শিশুটি দুধের জন্য, কাঁদছে মা তার ছেলের জন্য, স্ত্রী কাঁদছে তার স্বামির জন্য, কাঁদছে অন্য সন্তানরা তার বাবার জন্য। তাদের এই কান্না ও কষ্টগুলো কি তাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলে,স্বামি,বাবার কানে পৌঁছে ? ততদিনে সে (মৃত ব্যক্তি) হয়ে গেছে ব্যাকটেরিয়া আর ছোট বড় কীটপতঙ্গের খাবার। পরিবারগুলোর এই গগনবিদারি হাহাকার বাতাসে স্ফুলিঙ্গের মত ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। কেউ কি এই অসহায় নিঃস্ব পরিবারগুলোর দিকে হাত প্রসারিত করি ? কেউই না কেউই না। দেই শুধু সস্তাবাসি কতকগুলো সান্তনা বানি। এই সান্তনা বানি দিয়ে আর যাই হোক পেট তো ভরে না।
আপনারা ভেবে দেখুন পাঠক, আপনার আমার ভাইবোন,মা,বাবা অর্থ্যাৎ আমরা যারা বাহিরে থাকি, বা বাহিরে বেড়াতে আসেন, আপনারা কি নিশ্চয়তা দিতে পারবেন সুস্থ্য শরীরে ফিরে যেতে পারবেন বাড়িতে।
ছেলে বাবার জন্য,বাবা মায়ের জন্য,মা তার সন্তানদের জন্য সারাদিন দূঃচিন্তায় ভোগেন। কখন তাদের আপনজনরা ঘরে ফেরেন। কখনো বাড়িতে ফেরেন সুস্থ্য শরীরে কখনোবা লাশ হয়ে, কেন এমন হয় !!
নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা প্রত্যেক মানুষের এক অন্তিম বাসনা। নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব সরকারের পাশাপাশি দেশের প্রত্যেক নাগরিকেরও উপর বর্তায় বটে।
সর্বোপরি চাই, এর জন্য আত্মসচেতনতা। আমাদেরকে মনে প্রানে অনুধাবন করতেই হবে যে, সময়ের চেয়ে জীবনের মুল্য অনেক অনেক অনেক বেশি।
বিঃদ্রঃ পৃথিবীর সকল প্রানপ্রিয় বন্ধুরা নিরাপদে থাকুক,সুস্থ্য থাকুক এই কামনাই করি।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৭জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
সুন্দর স্বপ্লীল এ পৃথিবীতে কে না বেঁচে থাকতে চায় ? পৃথিবীর এই সৌল্পিক সৌন্দর্য আর প্রেম ভালবাসার মোহে আটকা পড়ে গেছে মানব সন্তানরা। সুন্দর এ পৃথিবীটাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে দেখার সাধ মানুষের প্রবল। প্রকৃতির এই উদারতাকে এবং জীবিকার তাগিদে মানুষ এক স্থান হতে অন্য স্থানে পাগলের মত ছুঁটছে। গোটা ভু-খন্ডকে হাতের মুঠোয় পুরে রাখতে কতইনা তারা কৌশল অবলম্বন করছে।মানব সন্তানরা জানে, গোটা ভুখন্ডকে হাতের মুঠোয় রাখতে হলে চাই উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। আর এই যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম একটি অংশ হল সড়ক পথ।
মানুষের নিবিঘের্œ, নিশ্চিন্তে চলাফেরা, এক স্থান হতে অন্য স্থানে যাতায়াতের সুবিধা দানই ছিল সড়ক ব্যবস্থার মুল লক্ষ্য। কিন্তু বাস্তবে কতটা নিরাপদ এই দু-পা বিশিষ্ট প্রানিরা !
দেশিয় পৃক্ষাপটে সড়ক ব্যবস্থার মুল্যায়ন করা যাক।
জীবিকার তাগিদে মানুষ নিরন্তর ছুঁটতে তো ছুঁটছে। ছুঁটতে ছুঁটতে হোঁচট খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে,শরীরের কোন স্থান হতে লবন মিশ্রিত লাল পানি মুছে,ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে আবারো ছুঁটা। এ যেন দৌঁড় দৌঁড় খেলা।এমনি এক মুহুর্তে পিছন হতে ঘাতক ট্রাক এসে চাপা দিয়ে লেপটে দিল তার সারা শরীর। নিথর নিঃস্তেজ হল তার দেহটা। কি মুল্য আছে এ জীবনের ? এমন অনেক পরিবার আছে যাদের একজনের আয়ের উপর নির্ভর করে চলতে হয় গোটা পরিবারকে।
ভেবে দেখুন পাঠক, কি হবে এই পরিবারগুলোর ? আমরা কি কেউ খোঁজ নেই এই পরিবারগুলোর দূর্দশার কথা ? হয়তো কাঁদছে তার অবুঝ শিশুটি দুধের জন্য, কাঁদছে মা তার ছেলের জন্য, স্ত্রী কাঁদছে তার স্বামির জন্য, কাঁদছে অন্য সন্তানরা তার বাবার জন্য। তাদের এই কান্না ও কষ্টগুলো কি তাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলে,স্বামি,বাবার কানে পৌঁছে ? ততদিনে সে (মৃত ব্যক্তি) হয়ে গেছে ব্যাকটেরিয়া আর ছোট বড় কীটপতঙ্গের খাবার। পরিবারগুলোর এই গগনবিদারি হাহাকার বাতাসে স্ফুলিঙ্গের মত ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। কেউ কি এই অসহায় নিঃস্ব পরিবারগুলোর দিকে হাত প্রসারিত করি ? কেউই না কেউই না। দেই শুধু সস্তাবাসি কতকগুলো সান্তনা বানি। এই সান্তনা বানি দিয়ে আর যাই হোক পেট তো ভরে না।
আপনারা ভেবে দেখুন পাঠক, আপনার আমার ভাইবোন,মা,বাবা অর্থ্যাৎ আমরা যারা বাহিরে থাকি, বা বাহিরে বেড়াতে আসেন, আপনারা কি নিশ্চয়তা দিতে পারবেন সুস্থ্য শরীরে ফিরে যেতে পারবেন বাড়িতে।
ছেলে বাবার জন্য,বাবা মায়ের জন্য,মা তার সন্তানদের জন্য সারাদিন দূঃচিন্তায় ভোগেন। কখন তাদের আপনজনরা ঘরে ফেরেন। কখনো বাড়িতে ফেরেন সুস্থ্য শরীরে কখনোবা লাশ হয়ে, কেন এমন হয় !!
নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা প্রত্যেক মানুষের এক অন্তিম বাসনা। নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব সরকারের পাশাপাশি দেশের প্রত্যেক নাগরিকেরও উপর বর্তায় বটে।
সর্বোপরি চাই, এর জন্য আত্মসচেতনতা। আমাদেরকে মনে প্রানে অনুধাবন করতেই হবে যে, সময়ের চেয়ে জীবনের মুল্য অনেক অনেক অনেক বেশি।
বিঃদ্রঃ পৃথিবীর সকল প্রানপ্রিয় বন্ধুরা নিরাপদে থাকুক,সুস্থ্য থাকুক এই কামনাই করি।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৭জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন