একটি নদীর কান্না
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
নদীর নাম যমুনেশ্বরি। কেউ কেউ বলে গড়ডাঙ্গি নদী । যুগ যুগ ধরে নদীটি ভিন্ন ভিন্ন নামে পরম মমতায় আবদ্ধ করে রেখেছে বদরগঞ্জ উপজেলার মানুষকে। ধরিত্রির পেট চিঁড়ে বয়ে চলা প্রমত্ত যমুনেশ্বরির সেই যৌবন আর নেই । পাল তোলা নৌকা আর জেলেদের জারি-সারি গান এ যেন সূদূর অতীত।
বর্তমানে বার্ধ্যক্ষের ভারে ন্যুইয়ে পড়েছে যৌবন হারানো সেই যমুনেম্বরি নদী। নদী দখল,ড্রেজিং ব্যবস্থা না থাকা বা অব্যবস্থাপনা,ময়লা আর্বজনাসহ বর্জ্যরে স্তুপে পুর্ণ যমুনেশ্বরির যেন ত্রাহি-ত্রাহি অবস্থা।
সরেজমিনে সকালে যমুনেশ্বরি নদী পরিদর্শনে গিয়ে এমনই চিত্র চোখে পড়ে। পৌর শহরের কেন্দ্রস্থলে শাহাপুর ব্রীজ। ব্রীজের নীচেই ময়লা-আর্বজনার ভাগাড়। পৌরসভার ময়লা-আর্বজনার গাড়ি এসে অবলীলায় ফেলছে এর ভিতর দিয়ে চলা যমুনেশ্বরি নদীতে। বর্ষা মৌসুমে ময়লা আর্বজনার এই ভাগাড় নদী ভরাট সহ শাহাপুর ব্রীজ হুমকির মুখে পড়বে তা নি:সন্দেহে বলা যায়। দূর্গন্ধযুক্ত ময়লা আর্বজনায় শিক্ষার্থী,মসজিদের মুসুল্লি সহ এলাকার সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।
কথা হয় ; ব্রীজ দিয়ে চলাচল করা স্কুল শিক্ষার্থী মাহি (১০) ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্খী আয়েশা সিদ্দিকা(১৬) সাথে,তারা জানান; দূর্গন্ধে রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা যায় না। ময়লা ফেলতে ফেলতে নদী বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর্বজনার গন্ধে চলাফেরা করা দায়।
পৌরশহরের শাহাপুর এলাকার বাসিন্দা ও বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা জানান; একদিকে ময়লা আর্বজনার দূগর্ন্ধে এলাকার পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে নদীতে ময়লা আর্বজনা ফেলে নদী ভরাট সহ জীববৈচিত্রের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান;নদীর ময়লা আর্বজনা পরিস্কার,নদী সংস্কার করে নদীর হারোনো যৌবন যদি ফেরানো যায় তাহলে নদী যেমন তার প্রকৃত রুপ ফিরে পাবে অন্যদিকে রক্ষা পাবে জীববৈচিত্র। এর পাশাপাশি নদীর দু-পাড়ে দেশিয় বনজ ও ফলজ বৃক্ষ রোপন করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা সহ নদীর দু-পাড়ে মানুষের বসার ব্যবস্থা করা যায় তাহলে পৌরসভার ভ্রমন পিপাসু মানুষ সহ সকলের উপকার হবে। যমুনেশ্বরি নদীও বেঁচে থাকবে।
বদরগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর নীলকান্ত পাইকাড় জানান ; পৌরসভার উচিত নদীতে ময়লা আর্বজনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
বদরগঞ্জ পৌর মেয়র উত্তম কুমার সাহা জানান ; আমি নির্দেশ দিয়েছি নদীতে ময়লা- আর্বজনা না ফেলার জন্য। আগে যদি নদীতে কিছু আর্বজনা পড়েও থাকে আর নতুন করে কোন আর্বজনা নদীতে পড়বে না।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৫ জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
নদীর নাম যমুনেশ্বরি। কেউ কেউ বলে গড়ডাঙ্গি নদী । যুগ যুগ ধরে নদীটি ভিন্ন ভিন্ন নামে পরম মমতায় আবদ্ধ করে রেখেছে বদরগঞ্জ উপজেলার মানুষকে। ধরিত্রির পেট চিঁড়ে বয়ে চলা প্রমত্ত যমুনেশ্বরির সেই যৌবন আর নেই । পাল তোলা নৌকা আর জেলেদের জারি-সারি গান এ যেন সূদূর অতীত।
বর্তমানে বার্ধ্যক্ষের ভারে ন্যুইয়ে পড়েছে যৌবন হারানো সেই যমুনেম্বরি নদী। নদী দখল,ড্রেজিং ব্যবস্থা না থাকা বা অব্যবস্থাপনা,ময়লা আর্বজনাসহ বর্জ্যরে স্তুপে পুর্ণ যমুনেশ্বরির যেন ত্রাহি-ত্রাহি অবস্থা।
সরেজমিনে সকালে যমুনেশ্বরি নদী পরিদর্শনে গিয়ে এমনই চিত্র চোখে পড়ে। পৌর শহরের কেন্দ্রস্থলে শাহাপুর ব্রীজ। ব্রীজের নীচেই ময়লা-আর্বজনার ভাগাড়। পৌরসভার ময়লা-আর্বজনার গাড়ি এসে অবলীলায় ফেলছে এর ভিতর দিয়ে চলা যমুনেশ্বরি নদীতে। বর্ষা মৌসুমে ময়লা আর্বজনার এই ভাগাড় নদী ভরাট সহ শাহাপুর ব্রীজ হুমকির মুখে পড়বে তা নি:সন্দেহে বলা যায়। দূর্গন্ধযুক্ত ময়লা আর্বজনায় শিক্ষার্থী,মসজিদের মুসুল্লি সহ এলাকার সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।
কথা হয় ; ব্রীজ দিয়ে চলাচল করা স্কুল শিক্ষার্থী মাহি (১০) ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্খী আয়েশা সিদ্দিকা(১৬) সাথে,তারা জানান; দূর্গন্ধে রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা যায় না। ময়লা ফেলতে ফেলতে নদী বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর্বজনার গন্ধে চলাফেরা করা দায়।
পৌরশহরের শাহাপুর এলাকার বাসিন্দা ও বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা জানান; একদিকে ময়লা আর্বজনার দূগর্ন্ধে এলাকার পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে নদীতে ময়লা আর্বজনা ফেলে নদী ভরাট সহ জীববৈচিত্রের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান;নদীর ময়লা আর্বজনা পরিস্কার,নদী সংস্কার করে নদীর হারোনো যৌবন যদি ফেরানো যায় তাহলে নদী যেমন তার প্রকৃত রুপ ফিরে পাবে অন্যদিকে রক্ষা পাবে জীববৈচিত্র। এর পাশাপাশি নদীর দু-পাড়ে দেশিয় বনজ ও ফলজ বৃক্ষ রোপন করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা সহ নদীর দু-পাড়ে মানুষের বসার ব্যবস্থা করা যায় তাহলে পৌরসভার ভ্রমন পিপাসু মানুষ সহ সকলের উপকার হবে। যমুনেশ্বরি নদীও বেঁচে থাকবে।
বদরগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর নীলকান্ত পাইকাড় জানান ; পৌরসভার উচিত নদীতে ময়লা আর্বজনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
বদরগঞ্জ পৌর মেয়র উত্তম কুমার সাহা জানান ; আমি নির্দেশ দিয়েছি নদীতে ময়লা- আর্বজনা না ফেলার জন্য। আগে যদি নদীতে কিছু আর্বজনা পড়েও থাকে আর নতুন করে কোন আর্বজনা নদীতে পড়বে না।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৫ জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন