নানা প্রতিকুলতায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে ঠাটারি ব্যবসা
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
নানা প্রতিকুলতা আর প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এক সময়ের গৃহস্থলীর নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য মেরামতের দেশিয় এ শিল্পটি(ব্যবসা)। সময়ের সাথে সাথে আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে দেশিয় এই শিল্পটি। আধুনিক যুগে মানুষের রুচি পরিবর্তনের সাথে পাল্লা দিতে না পেরে অলস সময় ও বেকার হয়ে পড়েছেন এই শিল্পের সাথে জড়িত লোকজনরা। এক সময়ের জনপ্রিয় কামার শিল্পের(ব্যবসা) আদলে গড়া ঠাটারি শিল্পটিও আজ কালের গর্ভে বিলিন হতে চলেছে।
সরেজমিনে গোটা রংপুর অঞ্চল ঘুরে ঠাটারি ব্যবসার সাথে জড়িত লোকজনদের সাথে কথা বলে এই চিত্রই ফুটে উঠে।
বদরগঞ্জ পৌরশহর এলাকার ঠাটারি ব্যবসায়ি হ্যানিম্যান ঠাকুর(৪৬)জানান; দরিদ্র ঘরের সন্তান তিনি। পিতা মৃত জীতেন ঠাকুরের হাত ধরে তার এ ব্যবসায় আগমন। সংসারের একটুখানি সচ্ছলতা ফেরাতে আর পিতাকে সাহায্য করতেই তিনি এই পেশায় জড়িয়ে পড়েন। ওই সময় ঠাটরি ব্যবসায় এতটাই কাজের চাপ ছিল যে,এসএসসি পরীক্ষায় পর্যন্ত অংশগ্রহন করতে পারেননি তিনি। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। সেই সব দিন আজ স্মৃতি। এখন আর তেমন কাজ নেই অলস সময় কাটাতে হয়। অন্য কাজও জানি না বাধ্য হয়ে কোন রকমে এ পেশাটি ধরে রেখেছি। তিনি জানান; একটা সময় মানুষের গৃহস্থলীর নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিষপত্র
যেমন,হারিকেন,ল্যাম্প(কুপি),বালতি,ড্রাম সহ নানা ধরনের মেরামতের কাজ ছিল প্রচুর। তখন ব্যবসাও ভাল চলতো। সময়ের পথ পরিক্রমায় মানুষের রুচি বোধের পরিবর্তনের সাথে সাথে মুলতঃ প্লাষ্টিকের ব্যবহার এসেই এ ব্যবসায় ধস্ নেমেছে। আমাদের যদি পুঁজি থাকতো তাহলে আমরা হাতে তৈরি গৃহস্থলীর কাজে ব্যবহার্য অনেক প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র তৈরি করে বাজারজাত করতে পারতাম। এ শিল্পটিকে (ক্ষুদ্র ব্যবসা) এবং এর সাথে জড়িত মানুষদের বাঁচাতে সরকারের সদয় দৃষ্টি তিনি কামনা করেন।
তিনি আরও জানান;প্রতিদিন ২ শত টাকা পর্যন্ত আয় হয়। যা দিয়ে চালাতে হয় আমার সংসার। তিনি এই প্রতিবেদককে প্রশ্ন রেখে বলেন, ২ শত টাকা দিয়ে কি সংসার চলে বলেন ?
বালতি মেরামত করতে আসা বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সিনিয়র প্রভাষক ইউনুস আলি জানান; আর আগের মত এদের ব্যবসা নেই। সবাই এখন প্লাষ্টিক সামগ্রি ব্যবহারে অভ্যস্থ। এদের এই ব্যবসাটিকে বাঁচাতে হলে আধুনিকায়ন জরুরি। এতে পুঁজির দরকার। ব্যাংকগুলো যদি এদের সহজ শর্তে
সামান্য সুদে লোনের ব্যবস্থা করে দিত তাহলে এই ব্যবসার সাথে জড়িত লোকজনরা উপকৃত হতো।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৩ জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
নানা প্রতিকুলতা আর প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এক সময়ের গৃহস্থলীর নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য মেরামতের দেশিয় এ শিল্পটি(ব্যবসা)। সময়ের সাথে সাথে আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে দেশিয় এই শিল্পটি। আধুনিক যুগে মানুষের রুচি পরিবর্তনের সাথে পাল্লা দিতে না পেরে অলস সময় ও বেকার হয়ে পড়েছেন এই শিল্পের সাথে জড়িত লোকজনরা। এক সময়ের জনপ্রিয় কামার শিল্পের(ব্যবসা) আদলে গড়া ঠাটারি শিল্পটিও আজ কালের গর্ভে বিলিন হতে চলেছে।
সরেজমিনে গোটা রংপুর অঞ্চল ঘুরে ঠাটারি ব্যবসার সাথে জড়িত লোকজনদের সাথে কথা বলে এই চিত্রই ফুটে উঠে।
বদরগঞ্জ পৌরশহর এলাকার ঠাটারি ব্যবসায়ি হ্যানিম্যান ঠাকুর(৪৬)জানান; দরিদ্র ঘরের সন্তান তিনি। পিতা মৃত জীতেন ঠাকুরের হাত ধরে তার এ ব্যবসায় আগমন। সংসারের একটুখানি সচ্ছলতা ফেরাতে আর পিতাকে সাহায্য করতেই তিনি এই পেশায় জড়িয়ে পড়েন। ওই সময় ঠাটরি ব্যবসায় এতটাই কাজের চাপ ছিল যে,এসএসসি পরীক্ষায় পর্যন্ত অংশগ্রহন করতে পারেননি তিনি। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। সেই সব দিন আজ স্মৃতি। এখন আর তেমন কাজ নেই অলস সময় কাটাতে হয়। অন্য কাজও জানি না বাধ্য হয়ে কোন রকমে এ পেশাটি ধরে রেখেছি। তিনি জানান; একটা সময় মানুষের গৃহস্থলীর নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিষপত্র
যেমন,হারিকেন,ল্যাম্প(কুপি),বালতি,ড্রাম সহ নানা ধরনের মেরামতের কাজ ছিল প্রচুর। তখন ব্যবসাও ভাল চলতো। সময়ের পথ পরিক্রমায় মানুষের রুচি বোধের পরিবর্তনের সাথে সাথে মুলতঃ প্লাষ্টিকের ব্যবহার এসেই এ ব্যবসায় ধস্ নেমেছে। আমাদের যদি পুঁজি থাকতো তাহলে আমরা হাতে তৈরি গৃহস্থলীর কাজে ব্যবহার্য অনেক প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র তৈরি করে বাজারজাত করতে পারতাম। এ শিল্পটিকে (ক্ষুদ্র ব্যবসা) এবং এর সাথে জড়িত মানুষদের বাঁচাতে সরকারের সদয় দৃষ্টি তিনি কামনা করেন।
তিনি আরও জানান;প্রতিদিন ২ শত টাকা পর্যন্ত আয় হয়। যা দিয়ে চালাতে হয় আমার সংসার। তিনি এই প্রতিবেদককে প্রশ্ন রেখে বলেন, ২ শত টাকা দিয়ে কি সংসার চলে বলেন ?
বালতি মেরামত করতে আসা বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সিনিয়র প্রভাষক ইউনুস আলি জানান; আর আগের মত এদের ব্যবসা নেই। সবাই এখন প্লাষ্টিক সামগ্রি ব্যবহারে অভ্যস্থ। এদের এই ব্যবসাটিকে বাঁচাতে হলে আধুনিকায়ন জরুরি। এতে পুঁজির দরকার। ব্যাংকগুলো যদি এদের সহজ শর্তে
সামান্য সুদে লোনের ব্যবস্থা করে দিত তাহলে এই ব্যবসার সাথে জড়িত লোকজনরা উপকৃত হতো।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৩ জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন