প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে
বদরগঞ্জে চলছে ইরি-বোরো আবাদের মহোৎসব
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
রংপুরের বদরগঞ্জে প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে বিস্তৃীর্ন অঞ্চল জুড়ে চলছে ইরি-বোরো আবাদের মহোৎসব। বর্তমানে উৎসব মূখর পরিবেশে বদরগঞ্জের কৃষকরা ইরি-বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গ্রাম বাংলার চিরাচরিত এ দৃশ্য বিস্তৃীর্ন মাঠ জুড়ে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কিছুদিন পরেই কাদা মাটির বিস্তৃীর্ন ভূমি ভরে যাবে সবুজের সমারোহে। তৈরি হবে এক অভূতপূর্ব চিত্র।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়; চলতি বছর বদরগঞ্জ উপজেলায় ১৭হাজার ৩শত ৫০হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নেয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় সেচ সুবিধা রয়েছে সেসব এলাকায় বোরো চারা রোপণের কাজ কৃষকরা শুরু করেছেন।
কৃষি অফিস সূত্রে আরও জানা যায়; সাধারণতঃ বছরের জানুয়ারি থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারি হল ইরি-বোরো রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে যেসব জমিতে সরিষা বা আলু রয়েছে সেসব জমিতে পুরো ফেব্রুয়ারি জুড়েই বোরো চারা রোপণ করা যাবে। এবারে আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকুলে থাকায় ও কৃষক সচেতনতার কারণে ইরি-বোরো বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ইরি-বোরো চাষ হবে বলে কৃষি অফিস আশা করছে।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; কৃষকরা উচ্চ ফলনশীল জাতের মধ্যে বিআর-১৬, ব্রি-ধান-২৮, ব্রি-ধান-২৯, ব্রি-ধান-৫০(বাংলামতি সূগন্ধি), ব্রি-ধান-৩৬ ৫৮,৬২ এবং বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ধানের মধ্যে তেজ,তেজগোল্ড,সম্পদ,শক্তি-২,নাফকো-১০৮,আফতাব এলপি-১০৮,সুপার হাইব্রিড এসএল-৮,হিরা-২,হিরা-৫ জাতের ধান চাষ করে থাকেন।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে;কৃষকরা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ জমিতে চাষ দিচ্ছেন,কেউবা জমিতে জৈব সার প্রয়োগ করছেন। আবার যেসব জমিতে সেচনালা নষ্ট হয়েছে সে সব জমির সেচ নালা কৃষকরা ঠিক করছেন।
কথা হয় উপজেলার রামনাথপুর ইউপির কিসমত ঘাটাবিল এলাকার কৃষক মামুন মিয়া ও এমারুল হকের সাথে,তারা জানান; জমির সেচনালা নষ্ট হওয়ায় ঠিক করছি, সেচনালা ঠিক হওয়ার সাথে সাথেই জমিতে চারা রোপণ করা হবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমান জানান; ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যে পরিমাণ সার প্রয়োজন তা পুরোপুরি মজুদ রয়েছে। তাছাড়া কেউ যাতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য নিয়ে সার বিক্রি করতে না পারে সেজন্য সব সময় বাজার মনিটরিং চলছে। তিনি আরও জানান;যে পরিমাণ চারা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি চারা কৃষকরা উৎপাদন করেছেন।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৯জানুয়ারি/১৭
মোবাইল- ০১৭১৭৮৫০৯৬৪
বদরগঞ্জে চলছে ইরি-বোরো আবাদের মহোৎসব
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
রংপুরের বদরগঞ্জে প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে বিস্তৃীর্ন অঞ্চল জুড়ে চলছে ইরি-বোরো আবাদের মহোৎসব। বর্তমানে উৎসব মূখর পরিবেশে বদরগঞ্জের কৃষকরা ইরি-বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গ্রাম বাংলার চিরাচরিত এ দৃশ্য বিস্তৃীর্ন মাঠ জুড়ে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কিছুদিন পরেই কাদা মাটির বিস্তৃীর্ন ভূমি ভরে যাবে সবুজের সমারোহে। তৈরি হবে এক অভূতপূর্ব চিত্র।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়; চলতি বছর বদরগঞ্জ উপজেলায় ১৭হাজার ৩শত ৫০হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নেয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় সেচ সুবিধা রয়েছে সেসব এলাকায় বোরো চারা রোপণের কাজ কৃষকরা শুরু করেছেন।
কৃষি অফিস সূত্রে আরও জানা যায়; সাধারণতঃ বছরের জানুয়ারি থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারি হল ইরি-বোরো রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে যেসব জমিতে সরিষা বা আলু রয়েছে সেসব জমিতে পুরো ফেব্রুয়ারি জুড়েই বোরো চারা রোপণ করা যাবে। এবারে আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকুলে থাকায় ও কৃষক সচেতনতার কারণে ইরি-বোরো বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ইরি-বোরো চাষ হবে বলে কৃষি অফিস আশা করছে।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; কৃষকরা উচ্চ ফলনশীল জাতের মধ্যে বিআর-১৬, ব্রি-ধান-২৮, ব্রি-ধান-২৯, ব্রি-ধান-৫০(বাংলামতি সূগন্ধি), ব্রি-ধান-৩৬ ৫৮,৬২ এবং বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ধানের মধ্যে তেজ,তেজগোল্ড,সম্পদ,শক্তি-২,নাফকো-১০৮,আফতাব এলপি-১০৮,সুপার হাইব্রিড এসএল-৮,হিরা-২,হিরা-৫ জাতের ধান চাষ করে থাকেন।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে;কৃষকরা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ জমিতে চাষ দিচ্ছেন,কেউবা জমিতে জৈব সার প্রয়োগ করছেন। আবার যেসব জমিতে সেচনালা নষ্ট হয়েছে সে সব জমির সেচ নালা কৃষকরা ঠিক করছেন।
কথা হয় উপজেলার রামনাথপুর ইউপির কিসমত ঘাটাবিল এলাকার কৃষক মামুন মিয়া ও এমারুল হকের সাথে,তারা জানান; জমির সেচনালা নষ্ট হওয়ায় ঠিক করছি, সেচনালা ঠিক হওয়ার সাথে সাথেই জমিতে চারা রোপণ করা হবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমান জানান; ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যে পরিমাণ সার প্রয়োজন তা পুরোপুরি মজুদ রয়েছে। তাছাড়া কেউ যাতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য নিয়ে সার বিক্রি করতে না পারে সেজন্য সব সময় বাজার মনিটরিং চলছে। তিনি আরও জানান;যে পরিমাণ চারা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি চারা কৃষকরা উৎপাদন করেছেন।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৯জানুয়ারি/১৭
মোবাইল- ০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন