কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
আগামির স্বপ্নে বিভোর ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। এক একটি শিশুর চোখ যেন বাংলার মানচিত্র,লাল সবুজের পতাকা আর স্বাধিন ভূ-খন্ড। একদিন এই কোমলমতি মায়াবি শিশুরাই গড়বে সোনার বাংলা তথা উন্নত বাংলাদেশ। শিশুদের মনে আগামির স্বপ্নের বীজ বপন করা তথা স্বপ্ন পুরনের দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের। শিশুদের প্রতি যেমন সদয় হয়ে শিক্ষা দান করতে হবে,তেমনি তাদের অন্তরে গেঁথে দিতে হবে মানবিক মুল্যবোধের বিষয়টি। এ ক্ষেত্রে মানবিক গুন সম্পন্ন শিক্ষাই হল প্রথম ও শেষ কথা । শিশুদের শুদ্ধভাবে মাতৃভাষা চর্চার বিষয়টিও খুবই গুরুত্বপুর্ন। একটি কথা শিশুদের অন্তরে গেঁথে দিতে হবে,জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে একদিন হয়তঃ শিশুদের অনেক ভাষাই শিখতে বা আয়ত্ব করতে হবে কিন্তু মাতৃভাষা তথা বাংলা ভাষাকে বাদ দিয়ে নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে,এই শিশুরাই একদিন বড় হয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে যাবে উন্নত বিশ্বের দরবারে। এই শিশুরাই একদিন উন্নত বাংলাদেশ গড়বে। এরাই হল বঙ্গঁবন্ধুর সোনার বাংলার কারিগর।
আজ আমার খুব ভাল লেগেছে এ জন্য যে,আজ(২১ফেব্রুয়ারি)সকালে বদরগঞ্জ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল কর্তৃপক্ষ এই সকল ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পরম মমতায় আগলে শহীদ মিনারে নিয়ে এসেছে ভাষা সৈনিকদের শ্রদ্ধা জানাতে। শিশুদের পতাকা,মানচিত্র,মায়ের ভাষা,দেশ সম্পর্কে জানাতে হবে। আরও জানাতে হবে বাংলাদেশের সত্যিকারের ইতিহাস।
ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে নিয়ে আসার জন্য বদরগঞ্জ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের পরিচালক মাহাবুবার রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। আর ধন্যবাদ জানাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফসার আলি চাচাকে। সেই সাথে ধন্যবাদ জানাই স্কুলের সকল শিক্ষকগনকে। আমরা সবাই জানি,শিশুদের মধ্যে স্বপ্নের বীজ বপন করা,তাদের স্বপ্ন পুরনে কাজ করা একটি কঠিন কাজ। তার চাইতে কঠিন কাজ হল তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়া। কাজগুলি করা কঠিন হলেও কিন্তু অসম্ভব নয়। এই কাজটি যে প্রতিষ্ঠান করতে পারে সেই প্রতিষ্ঠানই তো শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। আমি আশা করি,স্কুলটি একদিন দেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে। সেই সাথে প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যয়নরত শিশুদের প্রতি শিক্ষক সহ কর্তৃপক্ষ আরও বেশি সদয় হবেন। আরও অনুরোধ করছি মানবিক মুল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষা দেবার জন্য।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২১ফেব্রুয়ারি/২০
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪





