প্রকৃতি হতে হারিয়ে যাচ্ছে “হাড়জোড়” নামক ওধুধিগুন সম্পন্ন উদ্ভিদটি
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
অবহেলা অনাদর আর আপনা-আপনি বেড়ে উঠা ওধুধি গুন সম্পন্ন উদ্ভিদের মধ্যে “হাড়জোড়” অন্যতম। ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা আগাছা হিসেবে এদের আমরা কেটে ফেলি। অথচ অযন্তে পড়ে থাকা উদ্ভিদটি এতটাই উপকারি যে আমরা অনেক মানুষই তা জানি না।
স্থানভেদে “হাড়জোড়”উদ্ভিদটি অস্তিসংহার,হাড়ভাঙ্গা,অস্তিশৃঙ্খলা,গ্রন্থিমান নামে পরিচিত। এক সময় বাংলাদেশের বন-জঙ্গল সহ সর্বত্রই কমবেশি দেখা গেলেও বর্তমানে তা আর সচারাচর দেখা যায় না। গাছটির একটি পর্ব মাটিতে রাখলেই তা হতে দ্রুত জন্মাতে পারে।
হাড়জোড়ের বৈজ্ঞানিক নাম ভিটিস কুয়াডাংগুলারিস। গোত্র-ভিটাসি। গাছটি শৃঙ্খলাকৃতি মাংসল লতা। গাছটির পর্বগুলো দেখতে অনেকটা কামরাঙ্গা ফলের মতো। দুই পর্বের মধ্যস্থ গ্রন্থির স্থানে আকর্ষ ও ছোট পাতা বের হয় এবং এর লতাগুলি অনেক দুর পর্যন্ত বির্¯Íৃত হয়। গাছটির পর্ব সমুহ একটির সাথে আরেকটি এমনভাবে যুক্ত থাকে,দেখতে মনে হয় একটি হাড় সন্ধির সাথে অপর হাড়টি যুক্ত রয়েছে। এর পাতা সরল ও একান্তর। ছোট বোটায় সুক্ষ্ম রোমশ ফলগুলি গুচ্ছাকারে থাকে। ফল গোলাকার লাল বর্ন ও রসালো।
সরেজমিনে গোটা উপজেলা ঘুরে “হাড়জোড়” নামক গাছটির দেখা মেলে পৌরশহরের শাহাপুর মেডিকেল পাড়া মহল্লার হাড়-ভাঙ্গার কবিরাজ আবুল কালাম আজাদের বাড়িতে।
কবিরাজ আবুল কালাম আজাদ এই প্রতিবেদককে জানান;এখন আর হাড়জোড় নামক মহামুল্যবান গাছটি পাওয়া যায় না। আমি আমার প্রয়োজনে রাজশাহি জেলা হতে সংগ্রহ করেছি। এই গাছটির কচি কান্ড ও পাতা বেটে যদি আঘাত প্রাপ্ত অংশে লাগিয়ে দেয়া যায় তাতেই আঘাত প্রাপ্ত ব্যক্তি সুস্থ্য হয়ে যায়। ২০ বছর ধরে হাড়ভাঙ্গার কবিরাজি করছি। এই গাছ ভীষন উপকারি। ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগাতে এই গাছটির বিকল্প নেই।
তিনি আরও জানান;দেশের নানা প্রান্ত হতে হাড় ভাঙ্গার রোগিরা আমার কাছে আসে। এই মুল্যবান গাছটি দিয়েই ওষুধ তৈরি করি এবং তাতে রোগিরা ভাল হয়। এ ছাড়াও মেয়েদের অনিয়মিত মাসিকের ক্ষেত্রে কচি হাড়জোড় গাছের চুর্ন,কুচিকুচি করে কেটে,তা রোদে শুকিয়ে অল্প পরিমান চুর্ন পানি দিয়ে দু-বেলা কয়েক দিন খেলে মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক সমস্যার সমাধান হয়।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীবজ্ঞিান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; আপনা-আপনি বেড়ে ওঠা মহামুল্যবান গাছটি আর সচরাচর দেখা যায় না। হাড়জোড় নামক মুলবান গাছটিকে সংরক্ষন জরুরি হয়ে পড়েছে। তা না হলে গাছটি একদিন প্রকৃতি হতে হারিয়ে যাবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (উদ্ভিদ সংরক্ষন)কনক চন্দ্র রায় জানান; হাড়জোড় গাছটি আর চোখে পড়ে না। মুল্যবান এ গাছটির সংরক্ষন জরুরি।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৫ জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
অবহেলা অনাদর আর আপনা-আপনি বেড়ে উঠা ওধুধি গুন সম্পন্ন উদ্ভিদের মধ্যে “হাড়জোড়” অন্যতম। ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা আগাছা হিসেবে এদের আমরা কেটে ফেলি। অথচ অযন্তে পড়ে থাকা উদ্ভিদটি এতটাই উপকারি যে আমরা অনেক মানুষই তা জানি না।
স্থানভেদে “হাড়জোড়”উদ্ভিদটি অস্তিসংহার,হাড়ভাঙ্গা,অস্তিশৃঙ্খলা,গ্রন্থিমান নামে পরিচিত। এক সময় বাংলাদেশের বন-জঙ্গল সহ সর্বত্রই কমবেশি দেখা গেলেও বর্তমানে তা আর সচারাচর দেখা যায় না। গাছটির একটি পর্ব মাটিতে রাখলেই তা হতে দ্রুত জন্মাতে পারে।
হাড়জোড়ের বৈজ্ঞানিক নাম ভিটিস কুয়াডাংগুলারিস। গোত্র-ভিটাসি। গাছটি শৃঙ্খলাকৃতি মাংসল লতা। গাছটির পর্বগুলো দেখতে অনেকটা কামরাঙ্গা ফলের মতো। দুই পর্বের মধ্যস্থ গ্রন্থির স্থানে আকর্ষ ও ছোট পাতা বের হয় এবং এর লতাগুলি অনেক দুর পর্যন্ত বির্¯Íৃত হয়। গাছটির পর্ব সমুহ একটির সাথে আরেকটি এমনভাবে যুক্ত থাকে,দেখতে মনে হয় একটি হাড় সন্ধির সাথে অপর হাড়টি যুক্ত রয়েছে। এর পাতা সরল ও একান্তর। ছোট বোটায় সুক্ষ্ম রোমশ ফলগুলি গুচ্ছাকারে থাকে। ফল গোলাকার লাল বর্ন ও রসালো।
সরেজমিনে গোটা উপজেলা ঘুরে “হাড়জোড়” নামক গাছটির দেখা মেলে পৌরশহরের শাহাপুর মেডিকেল পাড়া মহল্লার হাড়-ভাঙ্গার কবিরাজ আবুল কালাম আজাদের বাড়িতে।
কবিরাজ আবুল কালাম আজাদ এই প্রতিবেদককে জানান;এখন আর হাড়জোড় নামক মহামুল্যবান গাছটি পাওয়া যায় না। আমি আমার প্রয়োজনে রাজশাহি জেলা হতে সংগ্রহ করেছি। এই গাছটির কচি কান্ড ও পাতা বেটে যদি আঘাত প্রাপ্ত অংশে লাগিয়ে দেয়া যায় তাতেই আঘাত প্রাপ্ত ব্যক্তি সুস্থ্য হয়ে যায়। ২০ বছর ধরে হাড়ভাঙ্গার কবিরাজি করছি। এই গাছ ভীষন উপকারি। ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগাতে এই গাছটির বিকল্প নেই।
তিনি আরও জানান;দেশের নানা প্রান্ত হতে হাড় ভাঙ্গার রোগিরা আমার কাছে আসে। এই মুল্যবান গাছটি দিয়েই ওষুধ তৈরি করি এবং তাতে রোগিরা ভাল হয়। এ ছাড়াও মেয়েদের অনিয়মিত মাসিকের ক্ষেত্রে কচি হাড়জোড় গাছের চুর্ন,কুচিকুচি করে কেটে,তা রোদে শুকিয়ে অল্প পরিমান চুর্ন পানি দিয়ে দু-বেলা কয়েক দিন খেলে মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক সমস্যার সমাধান হয়।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীবজ্ঞিান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; আপনা-আপনি বেড়ে ওঠা মহামুল্যবান গাছটি আর সচরাচর দেখা যায় না। হাড়জোড় নামক মুলবান গাছটিকে সংরক্ষন জরুরি হয়ে পড়েছে। তা না হলে গাছটি একদিন প্রকৃতি হতে হারিয়ে যাবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (উদ্ভিদ সংরক্ষন)কনক চন্দ্র রায় জানান; হাড়জোড় গাছটি আর চোখে পড়ে না। মুল্যবান এ গাছটির সংরক্ষন জরুরি।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৫ জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন