তালের শাঁস আর মৌসুমি ব্যবসা করেই স্বাবলম্বি বদরগঞ্জের বিপ্লব
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
বছর দশেক আগেও যাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরাতো,অভাব অভিযোগ ছিল যাদের নিত্য সঙ্গী, শুধুমাত্র দারিদ্রতার কারনেই যাকে বিদ্যালয় ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল। কিশোর বয়সেই যাকে বাধ্য হয়ে ধরতে হয়েছিল সংসারের হাল। এগারো বছরের ব্যবধানে কঠোর পরিশ্রম আর মৌসুমি ব্যবসা করেই এখন লাখপতি বদরগঞ্জ উপজেলার কালুপাড়া ইউনিয়নের বিপ্লব (২৭)নামের এক যুবক।
পৌর শহরের ষ্টেশন সংলগ্ন জীতেন দত্ত মঞ্চ এলাকায় মৌসুমি ব্যবসায়ি বিপ্লবের সাথে কথা হলে সে এই প্রতিবেদককে জানায়; ব্যবসার শুরুটা আমার তাল শাঁস বিক্রি দিয়ে। ২০০৫ সালে বন্ধুদের সাথে নাটোরের রাজবাড়িতে পিকনিক করতে যাই, ঐখানে রাস্তার ধারে এক বৃদ্ধ তালের শাঁস বিক্রি করছিল। বিপ্লব দা দিয়ে নিজে তালের শাঁস বের করতে ধরলে ঐ বৃদ্ধ দোকানদার তাকে ধমক দেয় এবং বলে যদি হাত কেটে যেত। জেদের বশেই ঐ দিনেই সে মাল (কচি তাল) কিনে বদরগঞ্জে নিয়ে আসে,এভাবেই গল্পটা শুরু। প্রতি বছর গরমের সময়ে তালের শাঁস বিক্রি করে মাসে ৪০ হাজার টাকা উপার্জন হত তার। পরবতীর্তে প্রতি শীতে সে চটপটি ফুচকা আর গরম কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে। রংপুরে এখন তার দুটি ফলের দোকান,বদরগঞ্জে একটি, গ্রামেও আছে বড় গালামালের দোকান।
বিল্পব জানায়;তারা ৩ ভাই। এক ভাইকে সে মৌসুমি ব্যবসার আয় দিয়েই কাতার পাঠিয়েছে,ছোট ভাই লেখাপড়া করছে। ছনের বাড়ির পরির্বতে বিপ্লবের এখন প্রাচীর ঘেরা বিশাল পাকা দালানের বাড়ি। জমি কিনেছেন ৫ বিঘা, বন্ধক নিয়েছেন আরো ৪ বিঘা।
মৌসুমি ব্যবসায়ি বিপ্লব আরও জানায়; অহেতুক সময় নষ্ট না করে পরিশ্রম সততার সাথে কাজ করলে নিজের পায়ে দাঁড়ানো সম্ভব।
বদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম বলেন ; আমার গ্রামের বাড়ি কালুপাড়াতে বিপ্লবদের বাড়ি। ওকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি। সে খুবই পরিশ্রমি ছেলে। শুধুমাত্র পরিশ্রম করেই সে আজ স্বাবলম্বি।
বদরগঞ্জ,রংপুৃর
তারিখ-৩১জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
বছর দশেক আগেও যাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরাতো,অভাব অভিযোগ ছিল যাদের নিত্য সঙ্গী, শুধুমাত্র দারিদ্রতার কারনেই যাকে বিদ্যালয় ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল। কিশোর বয়সেই যাকে বাধ্য হয়ে ধরতে হয়েছিল সংসারের হাল। এগারো বছরের ব্যবধানে কঠোর পরিশ্রম আর মৌসুমি ব্যবসা করেই এখন লাখপতি বদরগঞ্জ উপজেলার কালুপাড়া ইউনিয়নের বিপ্লব (২৭)নামের এক যুবক।
পৌর শহরের ষ্টেশন সংলগ্ন জীতেন দত্ত মঞ্চ এলাকায় মৌসুমি ব্যবসায়ি বিপ্লবের সাথে কথা হলে সে এই প্রতিবেদককে জানায়; ব্যবসার শুরুটা আমার তাল শাঁস বিক্রি দিয়ে। ২০০৫ সালে বন্ধুদের সাথে নাটোরের রাজবাড়িতে পিকনিক করতে যাই, ঐখানে রাস্তার ধারে এক বৃদ্ধ তালের শাঁস বিক্রি করছিল। বিপ্লব দা দিয়ে নিজে তালের শাঁস বের করতে ধরলে ঐ বৃদ্ধ দোকানদার তাকে ধমক দেয় এবং বলে যদি হাত কেটে যেত। জেদের বশেই ঐ দিনেই সে মাল (কচি তাল) কিনে বদরগঞ্জে নিয়ে আসে,এভাবেই গল্পটা শুরু। প্রতি বছর গরমের সময়ে তালের শাঁস বিক্রি করে মাসে ৪০ হাজার টাকা উপার্জন হত তার। পরবতীর্তে প্রতি শীতে সে চটপটি ফুচকা আর গরম কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে। রংপুরে এখন তার দুটি ফলের দোকান,বদরগঞ্জে একটি, গ্রামেও আছে বড় গালামালের দোকান।
বিল্পব জানায়;তারা ৩ ভাই। এক ভাইকে সে মৌসুমি ব্যবসার আয় দিয়েই কাতার পাঠিয়েছে,ছোট ভাই লেখাপড়া করছে। ছনের বাড়ির পরির্বতে বিপ্লবের এখন প্রাচীর ঘেরা বিশাল পাকা দালানের বাড়ি। জমি কিনেছেন ৫ বিঘা, বন্ধক নিয়েছেন আরো ৪ বিঘা।
মৌসুমি ব্যবসায়ি বিপ্লব আরও জানায়; অহেতুক সময় নষ্ট না করে পরিশ্রম সততার সাথে কাজ করলে নিজের পায়ে দাঁড়ানো সম্ভব।
বদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম বলেন ; আমার গ্রামের বাড়ি কালুপাড়াতে বিপ্লবদের বাড়ি। ওকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি। সে খুবই পরিশ্রমি ছেলে। শুধুমাত্র পরিশ্রম করেই সে আজ স্বাবলম্বি।
বদরগঞ্জ,রংপুৃর
তারিখ-৩১জানুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪









