শারিরীক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি বদরগঞ্জের আহম্মদকে
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
শ্রম মেধা ইচ্ছাশক্তি যে কোন মানুষকে তার স্বপ্নের চুড়ায় নিয়ে যেতে পারে। অনেক সময় মানুষের বাধা হয় তার শারিরীক গঠন। এক্ষেত্রে কোন বাধাই দমাতে পারেনি বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের দলপাড়া গ্রামের আবু হাশেমের পুত্র আহম্মেদকে।
কৃষক হাশেম ও আছিয়া বেগমের একমাত্র পুত্র সে। জন্মের পর থেকেই প্রতিবন্ধি শিশু সন্তানকে নিয়ে পিতা-মাতা সবসময় দূঃচিন্তায় ভূগতেন। শিশুটি বড় হবার সাথে সাথে কৃষক পিতা লক্ষ্য করলেন আর দশটি শিশুর মত আহ¤্মেেদর লেখাপড়ায় প্রচন্ড ঝোঁক। পরবর্তীতে লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে কৃষক পিতাকে সাহায্য করে সে। শারিরীক সমস্যা নিয়েও আহম্মেদ এস.এস.সি পরীক্ষায় কাজির হাট উচ্চবিদ্যালয় হতে জিপিএ ৩.৩৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে ৫কিঃমিঃ দূর হতে হুইল চেয়ারে চড়ে বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হয়ে নিয়মিত ক্লাশ করে।
আহম্মেদ আলি জানায় ; আমরা এক ভাই এক বোন। ছোট বোন অষ্টম শ্রেনিতে পড়ে। বাবা কৃষক কোন রকমে সংসার চালায়। বাবার সাংসারিক কাজে যতদুর পারি সাহায্য করি । বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে আমি ব্যাংকার হতে চাই। কিন্তু অর্থের অভাবে আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে কিনা তা এক মাত্র আল্লাহ্ জানে। কারন আমার কৃষক বাবার পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করানোর মত সামর্থ্য নেই।
আহম্মদের পিতা আবু হাশেম জানান ; ছেলে আহাম্মেদ প্রতিবন্ধি হলেও আর দশজনের মত পড়ালেখা করছে। সে লেখাপড়া শিখে বড় অফিসার হতে চায়। কিন্তু আমার পক্ষে তার পড়ালেখার ব্যয়ভার বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজেদ আলি জানান ; সে অত্যন্ত ভালো ছেলে। সে শারিরীক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এগিয়ে চলেছে, যা বর্তমান সময়ে সচরাচর দেখা যায় না। এ কারনে সে কলেজে বিনা বেতনে লেখাপড়া করেছে। আমি তার উন্নতি কামনা করি।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৪ ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
শ্রম মেধা ইচ্ছাশক্তি যে কোন মানুষকে তার স্বপ্নের চুড়ায় নিয়ে যেতে পারে। অনেক সময় মানুষের বাধা হয় তার শারিরীক গঠন। এক্ষেত্রে কোন বাধাই দমাতে পারেনি বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের দলপাড়া গ্রামের আবু হাশেমের পুত্র আহম্মেদকে।
কৃষক হাশেম ও আছিয়া বেগমের একমাত্র পুত্র সে। জন্মের পর থেকেই প্রতিবন্ধি শিশু সন্তানকে নিয়ে পিতা-মাতা সবসময় দূঃচিন্তায় ভূগতেন। শিশুটি বড় হবার সাথে সাথে কৃষক পিতা লক্ষ্য করলেন আর দশটি শিশুর মত আহ¤্মেেদর লেখাপড়ায় প্রচন্ড ঝোঁক। পরবর্তীতে লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে কৃষক পিতাকে সাহায্য করে সে। শারিরীক সমস্যা নিয়েও আহম্মেদ এস.এস.সি পরীক্ষায় কাজির হাট উচ্চবিদ্যালয় হতে জিপিএ ৩.৩৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে ৫কিঃমিঃ দূর হতে হুইল চেয়ারে চড়ে বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হয়ে নিয়মিত ক্লাশ করে।
আহম্মেদ আলি জানায় ; আমরা এক ভাই এক বোন। ছোট বোন অষ্টম শ্রেনিতে পড়ে। বাবা কৃষক কোন রকমে সংসার চালায়। বাবার সাংসারিক কাজে যতদুর পারি সাহায্য করি । বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে আমি ব্যাংকার হতে চাই। কিন্তু অর্থের অভাবে আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে কিনা তা এক মাত্র আল্লাহ্ জানে। কারন আমার কৃষক বাবার পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করানোর মত সামর্থ্য নেই।
আহম্মদের পিতা আবু হাশেম জানান ; ছেলে আহাম্মেদ প্রতিবন্ধি হলেও আর দশজনের মত পড়ালেখা করছে। সে লেখাপড়া শিখে বড় অফিসার হতে চায়। কিন্তু আমার পক্ষে তার পড়ালেখার ব্যয়ভার বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজেদ আলি জানান ; সে অত্যন্ত ভালো ছেলে। সে শারিরীক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এগিয়ে চলেছে, যা বর্তমান সময়ে সচরাচর দেখা যায় না। এ কারনে সে কলেজে বিনা বেতনে লেখাপড়া করেছে। আমি তার উন্নতি কামনা করি।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৪ ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন