ক্যানসার প্রতিরোধি ভেষজ ওষুধি গুনসম্পন্ন উদ্ভিদ করোসল
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ

প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম আর অনাদর অবহেলায় বেড়ে উঠে কিছু গাছ। যে গাছগুলো প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা সহ মানবজাতীর নানা উপকারে আসে।ক্যানসার প্রতিরোধি ভেষজ ওষুধি গুনসম্পন্ন এমন এক ধরনের গাছের নাম করোসল। গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম অ্যানোনা মিউরিকাটা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়;গাছটির উচ্চতা প্রায় ২০ফিট। গাছটির পাতা দেশি ফল বনকাঁঠাল পাতা সদৃশ, ফল অনেকটা নগ্নবীজি উদ্ভিদ সাইকাসের মত। ভেষজ গাছটির গুনাগুন এতটাই যে,পাতা ছাল ও ফল ক্যানসার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। গাছটি বাংলাদেশে নিয়ে আসেন নীলফামারির ডিমলা উপজেলার টুনিরহাট পূর্বখড়িবাড়ি গ্রামের আর্মি অফিসার কর্নেল আলমাস রাইসুল গনি। তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভোরি কোষ্টে গেলে সেখান হতে দশটি করোসল গাছের বীজ দেশে নিয়ে আসেন। পরে দেশে এসে তার গ্রামের বাড়ি ডিমলা টুনিরহাটে তার ভেষজ বাগানে সম্পূর্ন দেশিয় পদ্ধতিতে রোপন করেন। বীজ হতে চারা ধীরে ধীরে বড় হয়ে বৃক্ষে পরিনত হয়। গাছ রোপনের ৫বছর পর গাছ হতে ফল ধরা শুরু হয়। গতবছর হতে ৯টি গাছের মধ্যে ২টি গাছে ফল ধরেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ফল ধরা শুরু হয়,চার মাস পর অর্থ্যাৎ জুন মাসে ফল পাকা শুরু হয়। ফল পাকার প্রাক্কালে ফলের মৌ মৌ গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। গাছটির জীবনী শক্তি এতটাই বেশি যে, সহজে মরে না ও স্থানান্তর যোগ্য। ভেষজ বাগানের তত্বাবধায়ক তফিজুল ইসলাম ও জুয়েল হোসেন জেলে জানান; এই ভেষজ বাগানে কর্নেল স্যার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ হতে বিভিন্ন প্রজাতির ভেষজ গাছ এনে রোপন করেছেন। এই বাগানে এমন কিছু গাছ আছে যার নাম আমরাও জানি না।
কর্নেল আলমাস রাইসুল গনির সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান; করোসল ফলটি তিনি পশ্চিম আফ্রিকার আইভোরি কোষ্ট হতে নিয়ে এসেছেন। তিনি জানান; ক্যানসার প্রতিরোধি এ ফলটি কেমোথেরাপির বিকল্প হিসেবে রোগিকে কাঁচা ফল খাওয়ানো হয়। তিনি আরও জানান; দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে লোকজন এসে এই কেরোসল গাছের পাতা,ছাল,ফল নিয়ে যান এবং উপকৃত হচ্ছেন।
ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন; আমি কর্নেল সাহেবের ভেষজ বাগান আগে পরিদর্শন করেছি, দু-একদিনের মধ্যে পরিপক্ক করোসল ফল দেখার জন্য ভেষজ বাগানে যাব।
নীলফামারি জেলা কৃষি প্রশিক্ষন কর্মকর্তা আফতাব হোসেন জানান;কর্নেল সাহেবের ভেষজ বাগান সম্পর্কে জেনেছি,এটি একটি উত্তরাঞ্চলের মডেল ভেষজ বাগান। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে এ ধরনের বাগান ছড়িয়ে দিতে হবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৭ ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়;গাছটির উচ্চতা প্রায় ২০ফিট। গাছটির পাতা দেশি ফল বনকাঁঠাল পাতা সদৃশ, ফল অনেকটা নগ্নবীজি উদ্ভিদ সাইকাসের মত। ভেষজ গাছটির গুনাগুন এতটাই যে,পাতা ছাল ও ফল ক্যানসার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। গাছটি বাংলাদেশে নিয়ে আসেন নীলফামারির ডিমলা উপজেলার টুনিরহাট পূর্বখড়িবাড়ি গ্রামের আর্মি অফিসার কর্নেল আলমাস রাইসুল গনি। তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভোরি কোষ্টে গেলে সেখান হতে দশটি করোসল গাছের বীজ দেশে নিয়ে আসেন। পরে দেশে এসে তার গ্রামের বাড়ি ডিমলা টুনিরহাটে তার ভেষজ বাগানে সম্পূর্ন দেশিয় পদ্ধতিতে রোপন করেন। বীজ হতে চারা ধীরে ধীরে বড় হয়ে বৃক্ষে পরিনত হয়। গাছ রোপনের ৫বছর পর গাছ হতে ফল ধরা শুরু হয়। গতবছর হতে ৯টি গাছের মধ্যে ২টি গাছে ফল ধরেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ফল ধরা শুরু হয়,চার মাস পর অর্থ্যাৎ জুন মাসে ফল পাকা শুরু হয়। ফল পাকার প্রাক্কালে ফলের মৌ মৌ গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। গাছটির জীবনী শক্তি এতটাই বেশি যে, সহজে মরে না ও স্থানান্তর যোগ্য। ভেষজ বাগানের তত্বাবধায়ক তফিজুল ইসলাম ও জুয়েল হোসেন জেলে জানান; এই ভেষজ বাগানে কর্নেল স্যার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ হতে বিভিন্ন প্রজাতির ভেষজ গাছ এনে রোপন করেছেন। এই বাগানে এমন কিছু গাছ আছে যার নাম আমরাও জানি না।
কর্নেল আলমাস রাইসুল গনির সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান; করোসল ফলটি তিনি পশ্চিম আফ্রিকার আইভোরি কোষ্ট হতে নিয়ে এসেছেন। তিনি জানান; ক্যানসার প্রতিরোধি এ ফলটি কেমোথেরাপির বিকল্প হিসেবে রোগিকে কাঁচা ফল খাওয়ানো হয়। তিনি আরও জানান; দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে লোকজন এসে এই কেরোসল গাছের পাতা,ছাল,ফল নিয়ে যান এবং উপকৃত হচ্ছেন।
ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন; আমি কর্নেল সাহেবের ভেষজ বাগান আগে পরিদর্শন করেছি, দু-একদিনের মধ্যে পরিপক্ক করোসল ফল দেখার জন্য ভেষজ বাগানে যাব।
নীলফামারি জেলা কৃষি প্রশিক্ষন কর্মকর্তা আফতাব হোসেন জানান;কর্নেল সাহেবের ভেষজ বাগান সম্পর্কে জেনেছি,এটি একটি উত্তরাঞ্চলের মডেল ভেষজ বাগান। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে এ ধরনের বাগান ছড়িয়ে দিতে হবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৭ ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন