আমের বাগানে ঘাস চাষ,সচ্ছল হচ্ছেন কৃষকরা
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
মিশুক ও আড্ডাবাজ এক যুবকের নাম মফিজুল হক(৩৫)। এক সময় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়াই যার ছিল প্রধান কাজ। সেই মানুষটিই আজ উপজেলার একজন সফল চাষি। পিতার মৃত্যুই তার জীবনের গতি বদলে দিয়েছে। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল হকের ছোট সন্তান মফিজুল হক। পিতা মাতার দশ সন্তানের মধ্যে মফিজুল সর্বকনিষ্ঠ। পিতার মৃত্যুর পর গ্র্যাজুয়েশন করা মফিজুল কৃষি কাজে মনোনিবেশ করে তার শ্রম মেধা ও প্রজ্ঞায় সে প্রতিটি মৌসুমের প্রতিটি ফসলেই আশানুরুপ ফলন পায়। একে একে গরু পালন মাছ চাষ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ হতে শুরু করে সব কিছূই চাষাবাদ করতে থাকে বছর শেষে হিসেব কষে লক্ষ টাকা আয়ও করে সে। বছর দুইয়েক আগে তাদের বালু মিশ্রিত পরিত্যক্ত দুই বিঘা(৬০ শতাংশে বিঘা) জমিতে আমের বাগান করে এবং আমের বাগানের ফাঁকে সে নেপিয়ার জাতের ঘাস আবাদ করে।
সরেজমিনে তার আমের বাগান ঘুরতে গেলে দেখা যায় আমের ছোট ছোট গাছের ফাঁকে ফাঁকে তিনি নেপিয়ার ঘাস চাষ করেছেন এবং তা বিক্রিও করছেন। গতবছর তার আম বাগানে প্রচুর আমও ধরেছিলো,আম বিক্রি করেছিলেন অর্ধলক্ষ টাকার।
আম বাগান মালিক মফিজুল হক জানান; অযথা সময় নষ্ট না করে সকলের নিজ নিজ কাজে মনোনিবেশ করা উচিত,তাতে নিজে সচ্ছল হওয়ার পাশাপাশি দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। তিনি আরও জানান;এ পর্যন্ত নেপিয়ার ঘাস বিক্রি করেছি ৫০ হাজার টাকার মত।
বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন প্রামানিক জানান; মফিজুল আমার চাচাতো ভাইয়ের ছোট ছেলে। তাকে নিয়ে আমরা এক সময় চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম ও কি করে খাবে ? আমার ভাল লাগছে সে এখন উপজেলার সফল চাষি।
উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; মফিজুলের পিতা উপজেলার বড় গৃহস্থ। আশ্চর্যের ব্যাপার হল এত স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষিতে এত বেশি সফলতা পাবে ভাবতেই অবাক লাগে। আধুনিক যুগোপযোগি চেতনাই তাকে সফলতার দ্বার প্রান্তে নিয়ে গেছে।
বদরগঞ্জ, রংপুর।
তারিখ-২৪ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল- ০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
মিশুক ও আড্ডাবাজ এক যুবকের নাম মফিজুল হক(৩৫)। এক সময় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়াই যার ছিল প্রধান কাজ। সেই মানুষটিই আজ উপজেলার একজন সফল চাষি। পিতার মৃত্যুই তার জীবনের গতি বদলে দিয়েছে। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল হকের ছোট সন্তান মফিজুল হক। পিতা মাতার দশ সন্তানের মধ্যে মফিজুল সর্বকনিষ্ঠ। পিতার মৃত্যুর পর গ্র্যাজুয়েশন করা মফিজুল কৃষি কাজে মনোনিবেশ করে তার শ্রম মেধা ও প্রজ্ঞায় সে প্রতিটি মৌসুমের প্রতিটি ফসলেই আশানুরুপ ফলন পায়। একে একে গরু পালন মাছ চাষ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ হতে শুরু করে সব কিছূই চাষাবাদ করতে থাকে বছর শেষে হিসেব কষে লক্ষ টাকা আয়ও করে সে। বছর দুইয়েক আগে তাদের বালু মিশ্রিত পরিত্যক্ত দুই বিঘা(৬০ শতাংশে বিঘা) জমিতে আমের বাগান করে এবং আমের বাগানের ফাঁকে সে নেপিয়ার জাতের ঘাস আবাদ করে।
সরেজমিনে তার আমের বাগান ঘুরতে গেলে দেখা যায় আমের ছোট ছোট গাছের ফাঁকে ফাঁকে তিনি নেপিয়ার ঘাস চাষ করেছেন এবং তা বিক্রিও করছেন। গতবছর তার আম বাগানে প্রচুর আমও ধরেছিলো,আম বিক্রি করেছিলেন অর্ধলক্ষ টাকার।
আম বাগান মালিক মফিজুল হক জানান; অযথা সময় নষ্ট না করে সকলের নিজ নিজ কাজে মনোনিবেশ করা উচিত,তাতে নিজে সচ্ছল হওয়ার পাশাপাশি দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে। তিনি আরও জানান;এ পর্যন্ত নেপিয়ার ঘাস বিক্রি করেছি ৫০ হাজার টাকার মত।
বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন প্রামানিক জানান; মফিজুল আমার চাচাতো ভাইয়ের ছোট ছেলে। তাকে নিয়ে আমরা এক সময় চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম ও কি করে খাবে ? আমার ভাল লাগছে সে এখন উপজেলার সফল চাষি।
উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; মফিজুলের পিতা উপজেলার বড় গৃহস্থ। আশ্চর্যের ব্যাপার হল এত স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষিতে এত বেশি সফলতা পাবে ভাবতেই অবাক লাগে। আধুনিক যুগোপযোগি চেতনাই তাকে সফলতার দ্বার প্রান্তে নিয়ে গেছে।
বদরগঞ্জ, রংপুর।
তারিখ-২৪ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল- ০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন