গরু পালন করে স্বাবলম্বি যে গ্রাম
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
গ্রামের নাম খিয়ারপাড়া। বদরগঞ্জ উপজেলা সদর হতে ৩ কিঃমিঃ দূরে এর অবস্থান। যে গ্রামের সকলেই গরু পালন করে বর্তমানে স্বাবলম্বি।
সরেজমিনে রামনাথপুর ইউপির খিয়ারপাড়া গ্রামে গিয়ে এর বাস্তব চিত্র চোখে পড়ে।
কথা হয় খিয়ারপাড়া গ্রামের গরু খামারি ঈসমাইল হোসেনের সাথে,তিনি জানান;এ গ্রামে ১০০টি পরিবারের বসতি। প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে গরুর খামার । প্রতিটি বাড়িতে সর্বনিম্ন ৪টি হতে ৩৫ টি পর্যন্ত গরু রয়েছে। প্রতিটি বাড়ির সদস্যরা হাট হতে কমদামে ছোট গরু কিনে এনে মোটাতাজা করনের মাধ্যমে কোরবানির ঈদের পূর্বেই হাটে বিক্রি করে। আর এই কাজে খামারিদের সহায়তা করে আসছেন বদরগঞ্জ উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন । তার নিবিড় তত্বাবধানেই চলছে এই কাজ। এতে গরু খামারিরা শুধু লাভবানই হচ্ছেন না স্বাবলম্বিও হচ্ছেন।
কথা হয় একই গ্রামের গরু খামারি রাজ্জাক,মিতলুব,সিদ্দিক,মোতাহারের সাথে তারা জানান; আমাদের গ্রামের গরুগুলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরন করা হচ্ছে। এখানে ক্ষতিকর ষ্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট বা ইনজেকসনের ব্যবহার নেই। এ গরুগুলোর জন্য খড় মেশিনে কেটে ইউটিএস (ইউরিয়া,খড় ও পানি) মিশ্রিত করে প্লাষ্টিকের ব্যাগে ১০দিন বায়ুরুদ্ধ করে রাখার পর গরুকে পরিমান মত খাওয়ানো হয়। এ ছাড়াও রেডি ফিড খুদির ভাত, গুড়া, ভূসি,ভূট্টা, নেপিয়ার ঘাস, ক্রিমির বড়ি, ভিটামিন ইনজেকশন দেয়া হয়।
বদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন; খিয়ারপাড়া গ্রামটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরন প্রক্রিয়ায় খামারিরা স্বাবলম্বি হচ্ছেন এটা গোটা উপজেলায় একটি মডেল গ্রাম। এ গ্রামের খামারিদের গরুর মাংস খেলে মানব শরীরে কোন ক্ষতি হবে না। খিয়ারপাড়া গ্রামের খামারিরা যখনই গরু নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তখন আমি দ্রুত গিয়ে পরামর্শ সহ চিকিৎসা দিয়েছি।
বদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডাঃ রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ জানান;এটি একটি অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত। ওই গ্রামের দিকে তাকালেই বুঝা যায় শুধু গরু পালন করেই তারা স্বাবলম্বি হচ্ছেন। এতে করে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। খিয়ারপাড়া গ্রামের মত গোটা উপজেলায় বেকার যুবকরা যদি এই কাজটি করে তবে তারা লাভবান ও স্বাবলম্বি দুটোই হবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৪ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
গ্রামের নাম খিয়ারপাড়া। বদরগঞ্জ উপজেলা সদর হতে ৩ কিঃমিঃ দূরে এর অবস্থান। যে গ্রামের সকলেই গরু পালন করে বর্তমানে স্বাবলম্বি।
সরেজমিনে রামনাথপুর ইউপির খিয়ারপাড়া গ্রামে গিয়ে এর বাস্তব চিত্র চোখে পড়ে।
কথা হয় খিয়ারপাড়া গ্রামের গরু খামারি ঈসমাইল হোসেনের সাথে,তিনি জানান;এ গ্রামে ১০০টি পরিবারের বসতি। প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে গরুর খামার । প্রতিটি বাড়িতে সর্বনিম্ন ৪টি হতে ৩৫ টি পর্যন্ত গরু রয়েছে। প্রতিটি বাড়ির সদস্যরা হাট হতে কমদামে ছোট গরু কিনে এনে মোটাতাজা করনের মাধ্যমে কোরবানির ঈদের পূর্বেই হাটে বিক্রি করে। আর এই কাজে খামারিদের সহায়তা করে আসছেন বদরগঞ্জ উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন । তার নিবিড় তত্বাবধানেই চলছে এই কাজ। এতে গরু খামারিরা শুধু লাভবানই হচ্ছেন না স্বাবলম্বিও হচ্ছেন।
কথা হয় একই গ্রামের গরু খামারি রাজ্জাক,মিতলুব,সিদ্দিক,মোতাহারের সাথে তারা জানান; আমাদের গ্রামের গরুগুলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরন করা হচ্ছে। এখানে ক্ষতিকর ষ্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট বা ইনজেকসনের ব্যবহার নেই। এ গরুগুলোর জন্য খড় মেশিনে কেটে ইউটিএস (ইউরিয়া,খড় ও পানি) মিশ্রিত করে প্লাষ্টিকের ব্যাগে ১০দিন বায়ুরুদ্ধ করে রাখার পর গরুকে পরিমান মত খাওয়ানো হয়। এ ছাড়াও রেডি ফিড খুদির ভাত, গুড়া, ভূসি,ভূট্টা, নেপিয়ার ঘাস, ক্রিমির বড়ি, ভিটামিন ইনজেকশন দেয়া হয়।
বদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন; খিয়ারপাড়া গ্রামটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরন প্রক্রিয়ায় খামারিরা স্বাবলম্বি হচ্ছেন এটা গোটা উপজেলায় একটি মডেল গ্রাম। এ গ্রামের খামারিদের গরুর মাংস খেলে মানব শরীরে কোন ক্ষতি হবে না। খিয়ারপাড়া গ্রামের খামারিরা যখনই গরু নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তখন আমি দ্রুত গিয়ে পরামর্শ সহ চিকিৎসা দিয়েছি।
বদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডাঃ রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ জানান;এটি একটি অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত। ওই গ্রামের দিকে তাকালেই বুঝা যায় শুধু গরু পালন করেই তারা স্বাবলম্বি হচ্ছেন। এতে করে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। খিয়ারপাড়া গ্রামের মত গোটা উপজেলায় বেকার যুবকরা যদি এই কাজটি করে তবে তারা লাভবান ও স্বাবলম্বি দুটোই হবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৪ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন