বদরগঞ্জের ধনূকররা এখন লেপ তোষক তৈরিতে ব্যস্ত
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ব্যবসায়িরা তিল তিল করে দেশের সমৃদ্ধি সাধনে সহায়তা করছে। সামান্যতম পৃষ্ঠপোষকতা পেলেই দেশের এসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ব্যবসায়িরা আমাদের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের নানা ধরনের ব্যবসার মধ্যে লেপ-তোষক তৈরি তথা ধনুকরি ব্যবসা। এটি মূলতঃ একটি মৌসুমি ব্যবসা। উত্তরের জনপদ রংপুরের বদরগঞ্জে এরই মধ্যে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে ধনুকরদেরও ব্যস্ততা এরই মধ্যে বেড়ে গেছে। মৌসুমি এ পেশায় বেশি কাজের মাধ্যমে বেশি মুনাফার আশায় সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে অনেকেই রাত দিন সমান তালে শ্রম দিয়ে চলেছেন লেপ তোষক কম্বল তৈরির কাজে।
সরেজমিনে মৌসুমি এ পেশার সাথে জড়িত মালিক ও কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে; ষাটের দশকে বদরগঞ্জ উপজেলায় সর্বপ্রথম এ ব্যবসা শুরু করেন মরহুম মোবারক হোসেন। ধীরে ধীরে এই ব্যবসার প্রসার ঘটতে থাকে। বর্তমানে বদরগঞ্জ পৌরসভাতেই ৩৫ জন ব্যবসায়ি এই ব্যবসা করছেন।
গরুর হাল দিয়ে গ্রামে গ্রামে জমি চাষ করা গরিব ওমেদ আলি(৬০) এখন এই ব্যবসা করেই প্রতিষ্ঠিত। কথা হয় প্রতিষ্ঠিত ধনুকর ব্যবসায়ি রামনাথপুর ইউপির বানুয়াপাড়া গ্রামের ওমেদ আলির সাথে তিনি জানান; এক সময় গরুর হাল দিয়ে গ্রামে গ্রামে মানুষের জমিতে হাল চাষ করতাম। তারপর জীবিকার তাগিদে ছোট পানের দোকান করি। এক পর্যায়ে এই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ি। আল্লাহ্র রহমতে আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয় নাই। মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করি। অনেক পরিশ্রম করেছি। বর্তমানে তিন বিঘা ধানি জমি, পৌরসভাতে বাসা বাড়ি সহ কিছু নগদ অর্থ জমিয়েছি। তবে সরকার যদি একটু সহযোগিতা করতো তা হলে এই শিল্পটিও একটি সম্ভাবনাময় শিল্পে পরিনত হতে পারতো। আমার ভাল লাগে আমার এই কারখানায় অনেক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছি।
বদরগঞ্জ, রংপুর।
তারিখ- ১৯ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ব্যবসায়িরা তিল তিল করে দেশের সমৃদ্ধি সাধনে সহায়তা করছে। সামান্যতম পৃষ্ঠপোষকতা পেলেই দেশের এসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ব্যবসায়িরা আমাদের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের নানা ধরনের ব্যবসার মধ্যে লেপ-তোষক তৈরি তথা ধনুকরি ব্যবসা। এটি মূলতঃ একটি মৌসুমি ব্যবসা। উত্তরের জনপদ রংপুরের বদরগঞ্জে এরই মধ্যে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে ধনুকরদেরও ব্যস্ততা এরই মধ্যে বেড়ে গেছে। মৌসুমি এ পেশায় বেশি কাজের মাধ্যমে বেশি মুনাফার আশায় সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে অনেকেই রাত দিন সমান তালে শ্রম দিয়ে চলেছেন লেপ তোষক কম্বল তৈরির কাজে।
সরেজমিনে মৌসুমি এ পেশার সাথে জড়িত মালিক ও কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে; ষাটের দশকে বদরগঞ্জ উপজেলায় সর্বপ্রথম এ ব্যবসা শুরু করেন মরহুম মোবারক হোসেন। ধীরে ধীরে এই ব্যবসার প্রসার ঘটতে থাকে। বর্তমানে বদরগঞ্জ পৌরসভাতেই ৩৫ জন ব্যবসায়ি এই ব্যবসা করছেন।
গরুর হাল দিয়ে গ্রামে গ্রামে জমি চাষ করা গরিব ওমেদ আলি(৬০) এখন এই ব্যবসা করেই প্রতিষ্ঠিত। কথা হয় প্রতিষ্ঠিত ধনুকর ব্যবসায়ি রামনাথপুর ইউপির বানুয়াপাড়া গ্রামের ওমেদ আলির সাথে তিনি জানান; এক সময় গরুর হাল দিয়ে গ্রামে গ্রামে মানুষের জমিতে হাল চাষ করতাম। তারপর জীবিকার তাগিদে ছোট পানের দোকান করি। এক পর্যায়ে এই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ি। আল্লাহ্র রহমতে আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয় নাই। মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করি। অনেক পরিশ্রম করেছি। বর্তমানে তিন বিঘা ধানি জমি, পৌরসভাতে বাসা বাড়ি সহ কিছু নগদ অর্থ জমিয়েছি। তবে সরকার যদি একটু সহযোগিতা করতো তা হলে এই শিল্পটিও একটি সম্ভাবনাময় শিল্পে পরিনত হতে পারতো। আমার ভাল লাগে আমার এই কারখানায় অনেক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছি।
বদরগঞ্জ, রংপুর।
তারিখ- ১৯ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন