স্বল্প খরচ পরিবেশ বান্ধব ও উপকারি ফসল হিসেবে পরিচিত কাউন চাষ আর নেই
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
রংপুরের বদরগঞ্জে এক সময় ব্যাপকভাবেই চাষাবাদ হত কাউন নামের দেশি সূ-স্বাদু ফসলের। “ছিটারিয়া ইটালিকা” নামের গ্রামিনি গোত্রের এ ফসলটি বর্তমানে হারিয়ে যেতে বসেছে। দেড় যুগ আগেও ফসলটি এ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে আবাদ হত। কিন্তু কালের গর্ভে ও উন্নত জাতের নানা ফসলের প্রতিযোগিতায় দেশি জাতের এ ফসলটি টিকতে না পেরে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।
কাউন চাষ সম্পর্কে বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের কৃষক ইসলাম উদ্দিন (৮৫) বলেন ; আমাদের এ অঞ্চলে আগে অনেক জমিতেই কাউন চাষ হত, এখন আর চোখে পড়ে না। ফসলটির চাষ পদ্ধতি সহজ,স্বল্প খরচ ও পরিবেশ বান্ধব। শুকনো জমিতে ঝুরঝুরে চাষের পর চৈত্র মাসে বীজ ছিটিয়ে বপন করতে হয়। আষাঢ় মাসে ফসল ঘরে উঠে। তিনি আরও বলেন ; কাউন চাষে একবার নিড়ানি দিলেই হয়,সেচের প্রয়োজন হয না। ফলন হয় বিঘা প্রতি ১০-১৫মন। বাজারে চাহিদা রয়েছে প্রচুর। তাছাড়া কাউনের শীষ ছিড়ে নিয়ে অবশিষ্ট গাছ মাটির সাথে মিশিয়ে জৈব সারের ঘাটতি মেটানো সম্ভব। আবার কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করে। কাউনের ভাত অত্যন্ত সূ-স্বাদু ও মুখরোচক, জন্ডিস রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। পিঠা-পায়েস তৈরিতে এর কোন জুড়ি নেই।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক ও বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি কামরুজামান মুক্তা জানান ; লাভজনক,সূ-স্বাদু পরিবেশ বান্ধব ও স্বল্প খরচে আবাদ যোগ্য কাউন নামের দেশি এই ফসলটি যাতে বিলুপ্ত হয়ে না যায় এ জন্য সকলের এগিয়ে আসা উচিত।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় বলেন ; কাউন ফসলটি আসলেই বিলুপ্তির পথে। উপজেলায় কোন চাষি কাউন আবাদ করে কিনা তা আমার জানা নেই।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১২ ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
রংপুরের বদরগঞ্জে এক সময় ব্যাপকভাবেই চাষাবাদ হত কাউন নামের দেশি সূ-স্বাদু ফসলের। “ছিটারিয়া ইটালিকা” নামের গ্রামিনি গোত্রের এ ফসলটি বর্তমানে হারিয়ে যেতে বসেছে। দেড় যুগ আগেও ফসলটি এ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে আবাদ হত। কিন্তু কালের গর্ভে ও উন্নত জাতের নানা ফসলের প্রতিযোগিতায় দেশি জাতের এ ফসলটি টিকতে না পেরে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।
কাউন চাষ সম্পর্কে বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের কৃষক ইসলাম উদ্দিন (৮৫) বলেন ; আমাদের এ অঞ্চলে আগে অনেক জমিতেই কাউন চাষ হত, এখন আর চোখে পড়ে না। ফসলটির চাষ পদ্ধতি সহজ,স্বল্প খরচ ও পরিবেশ বান্ধব। শুকনো জমিতে ঝুরঝুরে চাষের পর চৈত্র মাসে বীজ ছিটিয়ে বপন করতে হয়। আষাঢ় মাসে ফসল ঘরে উঠে। তিনি আরও বলেন ; কাউন চাষে একবার নিড়ানি দিলেই হয়,সেচের প্রয়োজন হয না। ফলন হয় বিঘা প্রতি ১০-১৫মন। বাজারে চাহিদা রয়েছে প্রচুর। তাছাড়া কাউনের শীষ ছিড়ে নিয়ে অবশিষ্ট গাছ মাটির সাথে মিশিয়ে জৈব সারের ঘাটতি মেটানো সম্ভব। আবার কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করে। কাউনের ভাত অত্যন্ত সূ-স্বাদু ও মুখরোচক, জন্ডিস রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। পিঠা-পায়েস তৈরিতে এর কোন জুড়ি নেই।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক ও বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি কামরুজামান মুক্তা জানান ; লাভজনক,সূ-স্বাদু পরিবেশ বান্ধব ও স্বল্প খরচে আবাদ যোগ্য কাউন নামের দেশি এই ফসলটি যাতে বিলুপ্ত হয়ে না যায় এ জন্য সকলের এগিয়ে আসা উচিত।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় বলেন ; কাউন ফসলটি আসলেই বিলুপ্তির পথে। উপজেলায় কোন চাষি কাউন আবাদ করে কিনা তা আমার জানা নেই।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১২ ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন