বয়লার মুরগীর মাংস বিক্রি করে স্বাবলম্বি বদরগঞ্জের নুরু মিয়া
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
নুরু মিয়া(৫৫)। একজন খেটে খাওয়া মানুষের নাম। হতদরিদ্র এই মানুষটি জীবনের প্রয়োজনে একটা সময় কাজের সন্ধানে পথে পথে ঘুরেছেন। সেই সময় কাজ না পেয়ে তার পরিবারকে অভুক্ত থাকতে হয়েছে প্রতিনিয়ত। অবশেষে তিনি কাজ পান হোটেল বয়ের। দীর্ঘ সময় ধরে নুরু মিয়া হোটেল বয়ের কাজ করে অতি কষ্টে পরিবার পরিচালনা করেছেন। হোটেল বয়ের উপার্জিত অর্থ দিয়ে যখন সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ আর সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছিলেন তখন তিনি বাধ্য হয়ে দেশি মুরগী কেনা-বেচার ব্যবসা শুরু করেন। কিছু দিন যেতে না যেতে এই ব্যবসায় লোকসান হয় তার। পুঁজি হারিয়ে তিনি যখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এমন সময় এক প্রতিবেশির পরামর্শে রয়লার মুরগীর মাংস বিক্রি শুরু করেন। কয়েক বছরের ব্যবধানে এই ব্যবসা করেই নুরু মিয়া এখন স্বাবলম্বি।
কথা হয় বদরগঞ্জ পৌরশহরের ধানহাটি মহল্লার নুরু মিয়ার সাথে,তিনি জানান;দীর্ঘ সময় ধরে হোটেল বয়ের কাজ করেছি। বেকার থেকেছি। অনেক সময় পরিবার নিয়ে অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটিয়েছি। ৪বছর ধরে বয়লার মুরগীর মাংস বিক্রি করে আজ আমি স্বাবলম্বি। তিনি আরও জানান;গরু,খাসি ও দেশি মুরগীর দাম বেশি হওয়ার কারনে নি¤œ আয়ের মানুষরা মাংস কিনতে পারেন না। বয়লার মুরগীর মাংসের দাম কম হওয়ার কারনে এর ক্রেতা বেশি এবং লাভও বেশি। আমার সন্তানরা সবাই লেখাপড়া করছে। এই ব্যবসা দিয়েই নিজস্ব পাকাবাড়ি তৈরি করেছি। কিছু ধানি জমি কিনেছি।
কথা হয় অপর বয়লার মুরগীর মাংস ব্যবসায়ি পৌর শহরের মন্ডলপাড়া মহল্লার মহিদুল হকের(৪৫)সাথে,তিনি জানান;আমরা গরীব মানুষ। জীবনের প্রয়োজনে অনেক কাজ করেছি কিন্তু তেমন কিছু করতে পারি নাই। শুধুমাত্র এই ব্যবসা করেই আজ এতদুর এগিয়েছি। টাকা,জমি-জমা,বাড়ি-ঘর সবই হয়েছে।
সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে এগিয়ে আসেন বয়লার মুরগীর মাংস বিক্রেতা উপজেলার রাধানগর ইউপির শাস্ত্রিপাড়া গ্রামের আঃ মজিদ(৪০)। তিনি জানান; দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলাম। বড় ধরনের ব্যবসা করার মত কোন পুঁজি ছিল না। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম তখন। আমার এক প্রতিবেশির এই মাংস বিক্রির ব্যবসা করা দেখে আমারও এই ব্যবসায় আসা। তিনি আরও জানান;এই মাংসের দাম কম হওয়ার কারনে এর ক্রেতা অনেক বেশি। ক্রেতা চাইলেই পরিমান মত মাংস ক্রয় করতে পারেন। সত্যি কথা বলতে কি,ক্রেতাও বেশি লাভও বেশি।
বয়লার মুরগীর মাংস কিনতে আসা বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ইউনুস আলি জানান; বর্তমানে জনপ্রিয় মাংসের মধ্যে বয়লার মুরগীর মাংস অন্যতম। দাম কম হওয়ার কারনে সব শ্রেনির মানুষ এই মাংসের ক্রেতা। ভাল লাগছে এই ভেবে যে,সারা দেশে শুধুমাত্র এই বয়লার মুরগীর মাংস বিক্রি করে হাজারো বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২২ফেব্রুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
নুরু মিয়া(৫৫)। একজন খেটে খাওয়া মানুষের নাম। হতদরিদ্র এই মানুষটি জীবনের প্রয়োজনে একটা সময় কাজের সন্ধানে পথে পথে ঘুরেছেন। সেই সময় কাজ না পেয়ে তার পরিবারকে অভুক্ত থাকতে হয়েছে প্রতিনিয়ত। অবশেষে তিনি কাজ পান হোটেল বয়ের। দীর্ঘ সময় ধরে নুরু মিয়া হোটেল বয়ের কাজ করে অতি কষ্টে পরিবার পরিচালনা করেছেন। হোটেল বয়ের উপার্জিত অর্থ দিয়ে যখন সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ আর সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছিলেন তখন তিনি বাধ্য হয়ে দেশি মুরগী কেনা-বেচার ব্যবসা শুরু করেন। কিছু দিন যেতে না যেতে এই ব্যবসায় লোকসান হয় তার। পুঁজি হারিয়ে তিনি যখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এমন সময় এক প্রতিবেশির পরামর্শে রয়লার মুরগীর মাংস বিক্রি শুরু করেন। কয়েক বছরের ব্যবধানে এই ব্যবসা করেই নুরু মিয়া এখন স্বাবলম্বি।
কথা হয় বদরগঞ্জ পৌরশহরের ধানহাটি মহল্লার নুরু মিয়ার সাথে,তিনি জানান;দীর্ঘ সময় ধরে হোটেল বয়ের কাজ করেছি। বেকার থেকেছি। অনেক সময় পরিবার নিয়ে অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটিয়েছি। ৪বছর ধরে বয়লার মুরগীর মাংস বিক্রি করে আজ আমি স্বাবলম্বি। তিনি আরও জানান;গরু,খাসি ও দেশি মুরগীর দাম বেশি হওয়ার কারনে নি¤œ আয়ের মানুষরা মাংস কিনতে পারেন না। বয়লার মুরগীর মাংসের দাম কম হওয়ার কারনে এর ক্রেতা বেশি এবং লাভও বেশি। আমার সন্তানরা সবাই লেখাপড়া করছে। এই ব্যবসা দিয়েই নিজস্ব পাকাবাড়ি তৈরি করেছি। কিছু ধানি জমি কিনেছি।
কথা হয় অপর বয়লার মুরগীর মাংস ব্যবসায়ি পৌর শহরের মন্ডলপাড়া মহল্লার মহিদুল হকের(৪৫)সাথে,তিনি জানান;আমরা গরীব মানুষ। জীবনের প্রয়োজনে অনেক কাজ করেছি কিন্তু তেমন কিছু করতে পারি নাই। শুধুমাত্র এই ব্যবসা করেই আজ এতদুর এগিয়েছি। টাকা,জমি-জমা,বাড়ি-ঘর সবই হয়েছে।
সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে এগিয়ে আসেন বয়লার মুরগীর মাংস বিক্রেতা উপজেলার রাধানগর ইউপির শাস্ত্রিপাড়া গ্রামের আঃ মজিদ(৪০)। তিনি জানান; দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলাম। বড় ধরনের ব্যবসা করার মত কোন পুঁজি ছিল না। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম তখন। আমার এক প্রতিবেশির এই মাংস বিক্রির ব্যবসা করা দেখে আমারও এই ব্যবসায় আসা। তিনি আরও জানান;এই মাংসের দাম কম হওয়ার কারনে এর ক্রেতা অনেক বেশি। ক্রেতা চাইলেই পরিমান মত মাংস ক্রয় করতে পারেন। সত্যি কথা বলতে কি,ক্রেতাও বেশি লাভও বেশি।
বয়লার মুরগীর মাংস কিনতে আসা বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ইউনুস আলি জানান; বর্তমানে জনপ্রিয় মাংসের মধ্যে বয়লার মুরগীর মাংস অন্যতম। দাম কম হওয়ার কারনে সব শ্রেনির মানুষ এই মাংসের ক্রেতা। ভাল লাগছে এই ভেবে যে,সারা দেশে শুধুমাত্র এই বয়লার মুরগীর মাংস বিক্রি করে হাজারো বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২২ফেব্রুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন