হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামিন ঐতিহ্যের প্রতীক গরু ও মহিষের গাড়ি
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
আবহমান কাল ধরে চলা গ্রাম বাংলার এক সময়ের ঐতিহ্য গরু ও মহিষের গাড়ি আর নেই। সময়ের পথ পরিক্রমায় এ যেন সুদুর অতীত। এক সময় মালামাল পরিবহন সহ দুরদুরান্তে যাতায়াতের একমাত্র বাহন ছিল পরিবেশ বান্ধব এই গরু-মহিষের গাড়ি। তখন গ্রামে-গঞ্জে ব্যাপক ভাবে গরু মহিষের গাড়ির দেখা মিলতো। আধুনিক যুগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু মহিষের গাড়ি আর চোখে পড়ে না।
কথা হয় বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের প্রবীন ব্যক্তি(গৃহিনী) আলতাপোন নেছা(৯৮)সাথে,তিনি জানান; সেই ছোট বেলায় আমার বিয়ে হয়েছে। ছাউনি দেয়া গরু-মহিষের গাড়িকে বাহারি সাজে সাজিয়ে আমার বিয়েতে দুইশত গাড়ি গিয়েছিলো। তখন এই গরু মহিষের গাড়ি ছাড়া পরিবহনের জন্য আর কোন ব্যবস্থাই ছিল না। সে দিনগুলো আজ স্মৃতি। দিনগুলোর কথা ভীষন মনে পড়ে।
তিনি আরও জানান; এক সময় আমাদের গ্রাম সহ আশে পাশের গ্রামের মানুষ বিয়ে বাড়ি সহ নানা কাজে এই পরিবারের গরু-মহিষের গাড়িগুলো ব্যবহার করতো।
কথা হয় গোপিনাথপুর ইউপির প্রবীন ব্যক্তি ফজলার রহমানের(৯০)সাথে তিনি জানান;
আমার বাড়িতে এক সময় ১০জোড়া গরু মহিষের গাড়ি ছিল। তখন গ্রামের মানুষরা তাদের বিয়েতে আমার গরু মহিষের গাড়ি নিয়ে যেত। জমি চাষ করতে গরু-মহিষের হালের জুড়ি মেলা ভার। বর্তমানে পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল চাষ করা হলেও জমিকে ঠিক মত চাষ করা যায় না। জমিতে মই দেয়া সহ মাটি সঠিকভাবে ঝুরঝুরে করতে গরু-মহিষের হালের তুলনা নেই।
বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন প্রামানিক জানান; বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েদের কাছে গরু-মহিষের গাড়িতে মানুষ চলাফেরা করতো এটি আশ্চর্যের বিষয়। তারা আমাদের গ্রাম বাংলার অতীত ঐতিহ্য গরু-মহিষের গাড়ি সম্পর্কে জানে না। পরিবেশ বান্ধব এই গরু গাড়িগুলো এখন আর তেমন দেখতে পাওয়া যায় না। আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে সন্তানদের গ্রাম বাংলার অতীত ঐতিহ্য সম্পর্কে জানাতে হবে। তা না হলে বাংলা এবং বাঙ্গালীর ঐতিহ্যগুলি এক দিন হারিয়ে যাবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১০ফেব্রুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
আবহমান কাল ধরে চলা গ্রাম বাংলার এক সময়ের ঐতিহ্য গরু ও মহিষের গাড়ি আর নেই। সময়ের পথ পরিক্রমায় এ যেন সুদুর অতীত। এক সময় মালামাল পরিবহন সহ দুরদুরান্তে যাতায়াতের একমাত্র বাহন ছিল পরিবেশ বান্ধব এই গরু-মহিষের গাড়ি। তখন গ্রামে-গঞ্জে ব্যাপক ভাবে গরু মহিষের গাড়ির দেখা মিলতো। আধুনিক যুগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু মহিষের গাড়ি আর চোখে পড়ে না।
কথা হয় বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের প্রবীন ব্যক্তি(গৃহিনী) আলতাপোন নেছা(৯৮)সাথে,তিনি জানান; সেই ছোট বেলায় আমার বিয়ে হয়েছে। ছাউনি দেয়া গরু-মহিষের গাড়িকে বাহারি সাজে সাজিয়ে আমার বিয়েতে দুইশত গাড়ি গিয়েছিলো। তখন এই গরু মহিষের গাড়ি ছাড়া পরিবহনের জন্য আর কোন ব্যবস্থাই ছিল না। সে দিনগুলো আজ স্মৃতি। দিনগুলোর কথা ভীষন মনে পড়ে।
তিনি আরও জানান; এক সময় আমাদের গ্রাম সহ আশে পাশের গ্রামের মানুষ বিয়ে বাড়ি সহ নানা কাজে এই পরিবারের গরু-মহিষের গাড়িগুলো ব্যবহার করতো।
কথা হয় গোপিনাথপুর ইউপির প্রবীন ব্যক্তি ফজলার রহমানের(৯০)সাথে তিনি জানান;
আমার বাড়িতে এক সময় ১০জোড়া গরু মহিষের গাড়ি ছিল। তখন গ্রামের মানুষরা তাদের বিয়েতে আমার গরু মহিষের গাড়ি নিয়ে যেত। জমি চাষ করতে গরু-মহিষের হালের জুড়ি মেলা ভার। বর্তমানে পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল চাষ করা হলেও জমিকে ঠিক মত চাষ করা যায় না। জমিতে মই দেয়া সহ মাটি সঠিকভাবে ঝুরঝুরে করতে গরু-মহিষের হালের তুলনা নেই।
বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন প্রামানিক জানান; বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েদের কাছে গরু-মহিষের গাড়িতে মানুষ চলাফেরা করতো এটি আশ্চর্যের বিষয়। তারা আমাদের গ্রাম বাংলার অতীত ঐতিহ্য গরু-মহিষের গাড়ি সম্পর্কে জানে না। পরিবেশ বান্ধব এই গরু গাড়িগুলো এখন আর তেমন দেখতে পাওয়া যায় না। আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে সন্তানদের গ্রাম বাংলার অতীত ঐতিহ্য সম্পর্কে জানাতে হবে। তা না হলে বাংলা এবং বাঙ্গালীর ঐতিহ্যগুলি এক দিন হারিয়ে যাবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১০ফেব্রুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন