কুমড়া ও শসা চাষ করে স্বাবলম্বি বদরগঞ্জের মনো মহন্ত
কামরুজ্জামান মুক্তা, বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
বছর পাঁচেক আগে কিছু ধানি জমি চাষ করে মনো মহন্ত যখন নিঃস্ব হওয়ার পথে তখনই এক আত্মীয়ের পরামর্শে তার বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত ২০ শতাংশ জমিতে শুরু করলেন কুমড়া ও শসার চাষ। এই ৫ বছরের ব্যবধানে মনো মহন্ত এখন স্বাবলম্বি। কাঁচাবাড়ি ভেঙ্গে তৈরি করেছেন পাকা দালানের বাড়ি,গরুর খামার আরও কিনেছেন কিছু ধানি জমি। বদরগঞ্জ পৌরসভার ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন যুগিপাড়া নামক গ্রামে মনো মহন্তের বাস।
কথা হয় মনো মহন্ত ও তার স্ত্রী জয়ন্তী মহন্তের সাথে; জয়ন্তী মহন্ত এই প্রতিবেদককে বলেন ৫ বছর আগে আমরা শুধু আমাদের কিছু ধানি জমিতে ধানই চাষ করতাম। ইউরিয়া,ডিজেল, কীটনাশকের মুল্য বৃদ্ধি ও অব্যাহত ভাবে ধানের দাম কমে যাওয়ায় কোন রকমে আমাদের সংসার চলতো। গত ৫ বছর ধরে ২০শতাংশ জমিতে লাউ শসা সহ অন্যান্য সব্জি জাতীয় ফসলের চাষাবাদের ফলে আমরা এখন অনেক ভাল আছি। গত বছর ৪ শতক জমিতে ২০ টাকার কুমড়া বীজ কিনে এনে ৪০ হাজার টাকার কুমড়া বিক্রি করেছি। এর সঙ্গে শসা বিক্রি করেছি ৫০ হাজার টাকার মত। এবারেও আমরা ভাল ফলনের আশা করছি।
তিনি আরও বলেন; আমাদের মত যে কেউ সব্জি জাতীয় চাষাবাদ করে লাভবান হতে পারেন।
প্রতিবেশি সবুজ মহন্ত জানান; কয়েক বছর আগেও ওনাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল ছিল না। শুধু মাত্র সবজির চাষ করেই আজ তারা স্বাবলম্বি।
বদরগঞ্জ উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; এ অঞ্চলের কৃষকরা বেশি বেশি ধান গম ভূট্টারই চাষ করে। সেই সাথে সামান্য জমিতে লাউ শসা চাষ করে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হতে পারেন।
বদরগঞ্জ রংপুর
তারিখ-১২ফেব্রুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা, বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
বছর পাঁচেক আগে কিছু ধানি জমি চাষ করে মনো মহন্ত যখন নিঃস্ব হওয়ার পথে তখনই এক আত্মীয়ের পরামর্শে তার বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত ২০ শতাংশ জমিতে শুরু করলেন কুমড়া ও শসার চাষ। এই ৫ বছরের ব্যবধানে মনো মহন্ত এখন স্বাবলম্বি। কাঁচাবাড়ি ভেঙ্গে তৈরি করেছেন পাকা দালানের বাড়ি,গরুর খামার আরও কিনেছেন কিছু ধানি জমি। বদরগঞ্জ পৌরসভার ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন যুগিপাড়া নামক গ্রামে মনো মহন্তের বাস।
কথা হয় মনো মহন্ত ও তার স্ত্রী জয়ন্তী মহন্তের সাথে; জয়ন্তী মহন্ত এই প্রতিবেদককে বলেন ৫ বছর আগে আমরা শুধু আমাদের কিছু ধানি জমিতে ধানই চাষ করতাম। ইউরিয়া,ডিজেল, কীটনাশকের মুল্য বৃদ্ধি ও অব্যাহত ভাবে ধানের দাম কমে যাওয়ায় কোন রকমে আমাদের সংসার চলতো। গত ৫ বছর ধরে ২০শতাংশ জমিতে লাউ শসা সহ অন্যান্য সব্জি জাতীয় ফসলের চাষাবাদের ফলে আমরা এখন অনেক ভাল আছি। গত বছর ৪ শতক জমিতে ২০ টাকার কুমড়া বীজ কিনে এনে ৪০ হাজার টাকার কুমড়া বিক্রি করেছি। এর সঙ্গে শসা বিক্রি করেছি ৫০ হাজার টাকার মত। এবারেও আমরা ভাল ফলনের আশা করছি।
তিনি আরও বলেন; আমাদের মত যে কেউ সব্জি জাতীয় চাষাবাদ করে লাভবান হতে পারেন।
প্রতিবেশি সবুজ মহন্ত জানান; কয়েক বছর আগেও ওনাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল ছিল না। শুধু মাত্র সবজির চাষ করেই আজ তারা স্বাবলম্বি।
বদরগঞ্জ উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; এ অঞ্চলের কৃষকরা বেশি বেশি ধান গম ভূট্টারই চাষ করে। সেই সাথে সামান্য জমিতে লাউ শসা চাষ করে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হতে পারেন।
বদরগঞ্জ রংপুর
তারিখ-১২ফেব্রুয়ারি/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন