প্রকৃতি হতে হারিয়ে যাচ্ছে সুমিষ্ট ফল আতা
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
বাংলাদেশে জন্মানো অসংখ্য ফলের মধ্যে আতা ফল একটি। গোলাকার ধরনের এ ফলটি পাকলে তাতে লাল আভা ছড়ায়। এর সুগন্ধ এতটাই যে,পথচারিরাও বুঝতে পারে আশে পাশে আতা ফলের গাছ আছে। সুমিষ্ট-সুস্বাদু এ ফলটি প্রত্যেক বাংলা ভাষাভাষির কাছেই প্রিয়। এক সময় এ ফলের গাছটি বাংলাদেশের সব অঞ্চলে দেখা গেলেও এখন আর তেমন দেখা যায় না। ফলটি যেন কালের গর্ভে যেন বিলীন হতে চলেছে। অবহেলা অনাদর আর জ্বালানী সংকটের কারনে ইতোমধ্যেই বিলীন হয়ে গেছে দেশিয় মুল্যবান কিছু উদ্ভিদরাজি। বর্তমানে হারিয়ে যাওয়া উদ্ভিদ/ফলের মধ্যে আতা ফল অন্যতম। বাংলাদেশে একে সবাই আতা ফল নামেই চেনে। আতা ফল মিশে রয়েছে বাংলা সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সংস্পর্শে। ২৫-৩৫ফিট উচ্চতার গাছটির পাতা লম্বা ও চ্যাপ্টা ধরনের। আতা ফলের বৈজ্ঞানিক নাম-অ্যানোনা সেকুয়ামোসা, গোত্রের নাম-অ্যানোনেসি।
বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন প্রামানিক(৭৪)জানান;এক সময় আমাদের এ অঞ্চলে অসংখ্য আতা ফল গাছ ছিল। ছোট বেলায় আমরা আতা গাছ হতে অর্ধপাকা ফল ছিঁড়ে ধানের তুষের বস্তায় রেখে দিতাম। দু-দিন পর ফলটি পাকলে মজা করে খেতাম। ফলটি এতটাই সু-স্বাদু ও সুমিষ্ট যে বলে শেষ করতে পারবো না। আতা ফল গাছগুলো মানুষ কেটে ফেললেও নতুন করে কোন চারা রোপন না করায় আর চোখে পড়ছে না প্রকৃতি বান্ধব এ আতা ফল গাছ। দেশিয় প্রজাতির এই আতা ফল গাছকে আমাদের প্রয়োজনে রক্ষা করতে হবে। তিনি আরও জানান;দেশিয় প্রজাতির এ সমস্ত গাছে অনেক পাখিরা বাসা বাঁধে,অথচ বিদেশি প্রজাতির গাছে পাখিরা বাসা বাঁধে না। এ কারনে বুঝা যায় দেশিয় এ গাছটি পরিবেশ বান্ধব।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; দেশিয় প্রজাতির সু-স্বাদু ফলের মধ্যে আতা ফল একটি। বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে যাওয়া প্রকৃতি বান্ধব এ গাছটিকে আমাদের স্বার্থেই রক্ষা করতে হবে। আতা ফল গাছটির সাথে নতুন প্রজন্মের মানুষদের পরিচয় করিয়ে দিতে হবে এবং এর সম্পর্কে জানাতে হবে।
তিনি আরও জানান; প্রকৃতি হতে হারিয়ে যাওয়া এই আতা ফল গাছটির চারা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। তা না হলে আতা ফল নামক পরিবেশ বান্ধব দেশিয় প্রজাতির এ গাছটি এক দিন চিরতরে হারিয়ে যাবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; আতা ফল একটি সু-স্বাদু,সুমিষ্ট ফল। এই গাছটি আর তেমন চোখে পড়ে না। পরিবেশ বান্ধব দেশিয় প্রজাতির আতা ফল গাছটিকে আমাদের প্রয়োজনেই রক্ষা করতে হবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৪মার্চ/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
বাংলাদেশে জন্মানো অসংখ্য ফলের মধ্যে আতা ফল একটি। গোলাকার ধরনের এ ফলটি পাকলে তাতে লাল আভা ছড়ায়। এর সুগন্ধ এতটাই যে,পথচারিরাও বুঝতে পারে আশে পাশে আতা ফলের গাছ আছে। সুমিষ্ট-সুস্বাদু এ ফলটি প্রত্যেক বাংলা ভাষাভাষির কাছেই প্রিয়। এক সময় এ ফলের গাছটি বাংলাদেশের সব অঞ্চলে দেখা গেলেও এখন আর তেমন দেখা যায় না। ফলটি যেন কালের গর্ভে যেন বিলীন হতে চলেছে। অবহেলা অনাদর আর জ্বালানী সংকটের কারনে ইতোমধ্যেই বিলীন হয়ে গেছে দেশিয় মুল্যবান কিছু উদ্ভিদরাজি। বর্তমানে হারিয়ে যাওয়া উদ্ভিদ/ফলের মধ্যে আতা ফল অন্যতম। বাংলাদেশে একে সবাই আতা ফল নামেই চেনে। আতা ফল মিশে রয়েছে বাংলা সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সংস্পর্শে। ২৫-৩৫ফিট উচ্চতার গাছটির পাতা লম্বা ও চ্যাপ্টা ধরনের। আতা ফলের বৈজ্ঞানিক নাম-অ্যানোনা সেকুয়ামোসা, গোত্রের নাম-অ্যানোনেসি।
বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আফজাল হোসেন প্রামানিক(৭৪)জানান;এক সময় আমাদের এ অঞ্চলে অসংখ্য আতা ফল গাছ ছিল। ছোট বেলায় আমরা আতা গাছ হতে অর্ধপাকা ফল ছিঁড়ে ধানের তুষের বস্তায় রেখে দিতাম। দু-দিন পর ফলটি পাকলে মজা করে খেতাম। ফলটি এতটাই সু-স্বাদু ও সুমিষ্ট যে বলে শেষ করতে পারবো না। আতা ফল গাছগুলো মানুষ কেটে ফেললেও নতুন করে কোন চারা রোপন না করায় আর চোখে পড়ছে না প্রকৃতি বান্ধব এ আতা ফল গাছ। দেশিয় প্রজাতির এই আতা ফল গাছকে আমাদের প্রয়োজনে রক্ষা করতে হবে। তিনি আরও জানান;দেশিয় প্রজাতির এ সমস্ত গাছে অনেক পাখিরা বাসা বাঁধে,অথচ বিদেশি প্রজাতির গাছে পাখিরা বাসা বাঁধে না। এ কারনে বুঝা যায় দেশিয় এ গাছটি পরিবেশ বান্ধব।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; দেশিয় প্রজাতির সু-স্বাদু ফলের মধ্যে আতা ফল একটি। বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে যাওয়া প্রকৃতি বান্ধব এ গাছটিকে আমাদের স্বার্থেই রক্ষা করতে হবে। আতা ফল গাছটির সাথে নতুন প্রজন্মের মানুষদের পরিচয় করিয়ে দিতে হবে এবং এর সম্পর্কে জানাতে হবে।
তিনি আরও জানান; প্রকৃতি হতে হারিয়ে যাওয়া এই আতা ফল গাছটির চারা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। তা না হলে আতা ফল নামক পরিবেশ বান্ধব দেশিয় প্রজাতির এ গাছটি এক দিন চিরতরে হারিয়ে যাবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; আতা ফল একটি সু-স্বাদু,সুমিষ্ট ফল। এই গাছটি আর তেমন চোখে পড়ে না। পরিবেশ বান্ধব দেশিয় প্রজাতির আতা ফল গাছটিকে আমাদের প্রয়োজনেই রক্ষা করতে হবে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৪মার্চ/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন