বদরগঞ্জের খাল বিল নদী-নালা এখন পানি শূন্য
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ (রংপুর)
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলাসহ আশে পাশের উপজেলার নদী-নালা খাল বিল এখন পানি শূন্য। খাল বিল নদী-নালা শুকিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। নদী ও বিল এলাকার যে সব স্থানে মাঝিরা তাদের নৌকা ডুবিয়ে রাখতেন সেই স্থানও শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। শুকিয়ে যাওয়া নদী ও বিলে চাষিরা ফসল আবাদ করছেন। যমুনাশ্বরী নদীর বুকে বিশাল চর জেগে উঠেছে। এখন সেটি ধুধু বালুচর। এককালে এ নদী অনেক প্রসস্ত ও খরস্রোতা ছিল, কিন্তু কালের আবর্তে তা বিলীন হতে চলেছে। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই পাড়ের অসংখ্য মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে জেলে পরিবারের দূঃখ দূর্দশা চরমে পৌঁছেছে। যমুনাশ্বরী নদীর পানি প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য ড্রেজিং না করার কারনে নদী যেমন তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে অন্যদিকে নদী তার নাব্যতা হারিয়েছে। এক সময়ে যমুনাশ্বরী নদীতে বড় বড় নৌকা আর ইঞ্জিন চালিত বড় নৌকা পারা পারের প্রচলন ছিল এখন তা সূদুর অতীত। পানি না থাকায় হেঁটেই পার হচ্ছে লোকজন। যেখানে অল্প পানি আছে সেখানে বাঁশের শাখো নির্মান করে চলছে পারাপারের কাজ। যমুনাশ্বরী তীরবর্তী এলাকা গুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র খাবার পানি সংকট। নদী তীরবর্তী এলাকা গুলোতে টিউবয়েলের পানি উঠা বন্ধ হয়েছে কয়েক মাস আগে। নদী তীরবর্তী এলাকার নাওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মেনহাজুল ইসলাম(৩৩)জানান; নদীতে পানি না থাকায় খাবার পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া মাঠ ঘাট ফেটে যাওয়ায় কোন ফসল ঠিকমত ফলানো যাচ্ছেনা।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; যমুনাশ্বরী নদীর পানি শুকিয়ে যাবার কারনে পরিবেশ ও জীববৈচিত্রে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। গত কয়েক বছরে এলাকার উৎপাদন অনেক কমে গেছে। আগামীতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রুপ ধারন করবে বলে তিনি মনে করেন।
এক সমীক্ষায় দেখা যায় শুস্ক মৌসুমে যমুনাশ্বরী নদীর উৎস মুখে পলি পড়তে শুরু করে। কিন্তু খনন কাজ না করা সহ অব্যবস্থাপনার কারনে দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে নদী। এছাড়া অবৈধ দখলদারতো রয়েছেই।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ সাথে কথা হলে তিনি জানান; নদী খনন না করার কারনে নদীতে পলি জমে নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা ভূ-গর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত ব্যবহারে পানির স্তর ক্রমশঃ নিম্নমূখী হচ্ছে। এমতবস্থায় নদীর তীরবর্তী ইরি-বোরো আবাদ হুমকির সন্মূখীন হচ্ছে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৬নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; যমুনাশ্বরী নদীর পানি শুকিয়ে যাবার কারনে পরিবেশ ও জীববৈচিত্রে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। গত কয়েক বছরে এলাকার উৎপাদন অনেক কমে গেছে। আগামীতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রুপ ধারন করবে বলে তিনি মনে করেন।
এক সমীক্ষায় দেখা যায় শুস্ক মৌসুমে যমুনাশ্বরী নদীর উৎস মুখে পলি পড়তে শুরু করে। কিন্তু খনন কাজ না করা সহ অব্যবস্থাপনার কারনে দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে নদী। এছাড়া অবৈধ দখলদারতো রয়েছেই।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ সাথে কথা হলে তিনি জানান; নদী খনন না করার কারনে নদীতে পলি জমে নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা ভূ-গর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত ব্যবহারে পানির স্তর ক্রমশঃ নিম্নমূখী হচ্ছে। এমতবস্থায় নদীর তীরবর্তী ইরি-বোরো আবাদ হুমকির সন্মূখীন হচ্ছে।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৬নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন