কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপদাহে সাধারন মানুষ যখন ক্লান্ত। পথচারিরা যখন ক্লান্ত হয়ে গাছের নিচে আশ্রয় নেয়। তৃষ্ণার্ত কাক যখন প্রচন্ড তাপদাহে সামান্যতম পানির সন্ধানে ছুটাছুটি করে। এমন সময় দুরন্ত বালকরা বাড়ির কাউকে না জানিয়ে রাস্তায় ছুটাছুটি করে অবশেষে পুকুর কিংবা নদীতে লাফ দিয়ে প্রচন্ড তাপদাহ হতে রক্ষা পাবার চেষ্টা করে। এ যেন হার না মানা এক দুরন্ত শৈশব। ছুটির দিনে বদরগঞ্জ উপজেলা বেড়ানোর ফাঁকে ঘাটাবিল নামক এলাকায় চোখে পড়ে এসব দুরন্ত বালকদের। কাছে গিয়ে তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে কথা শোনার সময় না দিয়েই দলবেঁধে পুকুরে লাফ দিতেই ব্যস্ত বালকরা।
তাদের পানিতে লাফ দেয়া দেখে নিজের শৈশবের কথা মনে পড়ে যায়। এ যেন দুরন্ত শৈশব। আজ সবই স্মৃতি। একটা সময় ছিল গ্রীষ্মের এই তাপদাহের দিনে আমরাও(একদিন)দলবেঁধে পানিতে লাফ দিয়ে গোসলে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছি।
এ সময় পানিতে লাফ দিতে দিতে ক্লান্ত বালক রহিম মিয়া (১১) এই প্রতিবেদককে জানান; আজ ভীষন গরম। তাই আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে গোসল করতে এসেছি।
বালক আরিফুল ইসলাম(১২)জানান; আমার বাড়ির কেউ জানে না আমি এখানে গোসল করতে এসেছি। জানতে পারলে মা খুব রাগারাগি করবেন।
এ সময় কথা হয় স্বুল শিক্ষক তৈয়ব আলির সাথে,তিনি জানান; এ হল হার না মানা এক দুরন্ত শৈশব। কৈশোর বয়সে আমরাও বাড়ির কাউকে না জানিয়ে গরমের দিনে পানিতে লাফ দিয়ে গোসল করেছি। এ যেন এক সোনালী অতীত।
বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা জানান; এ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম এই দুরন্ত বালকদের দেখে এখানে দাঁড়িয়ে পড়লাম। আর ভাবছিলাম, আমার শৈশবের সেই দিনগুলির কথা। সেই দিনগুলির কথা ভাবলে আমি যেন হারিয়ে যাই।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৬মে/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪









