বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৬

সম্ভাবনা সত্ত্বেও নানা প্রতিকূলতায় এগিয়ে চলছে রংপুরের হস্তজাত শিল্প


 সম্ভাবনা সত্ত্বেও নানা প্রতিকূলতায় এগিয়ে চলছে রংপুরের হস্তজাত শিল্প
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
হস্তজাত পণ্য রুচিশীল মানুষের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুন। বর্তমান সময়ে হস্তজাত পণ্যের কদর বেশ লক্ষনীয়। আর সে পণ্যগুলি যদি হয় মনের মাধুরি মেশানো শৈল্পিক সৌন্দর্যমন্ডিত আধুনিকতায় ভরা তাহলে তো কথাই নেই। সময়ের সাথে সাথে মানুষের রুচিবোধের আমুল পরিবর্তন এসেছে। ব্যবহার্য প্রতিটি পন্যেও এখন ভোক্তারা চায় নান্দনিকতার ছোঁয়া। দৃষ্টিনন্দন নান্দনিকতার ছোঁয়া নিয়ে রংপুর বিভাগে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে তার মধ্যে রংপুর সদরের নিশবেতগঞ্জ (ঘাঘট ব্রিজ সংলগ্ন) শতরঞ্জি পল্লী অন্যতম।
কবে হতে এ শতরঞ্জি পল্লীর কার্যক্রম শুরু হয়েছে তা জানা না গেলেও ৫০বছর আগেও এ অঞ্চলে শতরঞ্জি তৈরি হত। আধুনিক নান্দনিকতার ছোঁয়ায় ও সুতার কারুকার্য করা শতরঞ্জি ,পাপস,ওয়ালমেট,ফ্লোরমেট,টেবিলমেট,ব্যাগ তৈরি হয়। এখানে পাট দিয়ে তৈরি হয় স্যান্ডেল,ঝুড়ি,সিকিয়া,বাসকেট,ঝুড়িব্যাগ। এ পল্লীতে হস্তশিল্পজাত পণ্যের চারটি শো-রুম রয়েছে। এ শো-রুম হতেই শতরঞ্জি পল্লীর উৎপাদিত পন্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়।এই শতরঞ্জি পল্লীতে অধিকাংশ নারী শ্রমিক দিয়েই তৈরি হয় দৃষ্টি নন্দন হস্তজাত পণ্য। সংসারের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নারী শ্রমিকরা বাড়তি আয়ের জন্য এখানে খন্ডকালিন কাজ করেন। প্রতিদিন একজন নারী শ্রমিক অতিরিক্ত কাজের মজুরি হিসেবে ২শত হতে ৩শত টাকা আয় করেন। সদরের নিশবেতগঞ্জ,ডারকাপাড়া,শেখপাড়া,শতরঞ্জিপাড়া,দামোদরপুর,রাধাকৃষ্ণপুর,বিন্নাটাড়ি,
গিলাবাড়ি গ্রামের প্রায় ৪হাজার নারী পুরুষ এই হস্তশিল্পের কাজের সাথে জড়িত।
এই কারুকার্যময় হস্তজাতশিল্প  পন্যের রাজধানি ঢাকা সিলেট চট্রগ্রাম রাজশাহি বগুড়াতে আকাশচুম্বি চাহিদা রয়েছে । দেশের গন্ডি পেরিয়ে এ হস্তজাতশিল্প আমেরিকা জাপান ও ফ্রান্সে রফতানি হচ্ছে। কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, ব্যাংক লোন না পাওয়া, প্রচারের অভাবে
সম্ভাবনাময় এ শিল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে কথা হয়; এ শিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিক হাসিনা বেগম(৪০) এর সাথে, তিনি এখানে খন্ডকালিন কাজ করেন, তার স্বামি রিক্সা চালায়। তার নিজের আয় এবং স্বামির আয় দিয়ে কোন রকমে সংসার চলে। অপর নারী শ্রমিক সুলতানা বেগম(২৫)জানান; এ হস্তজাত শিল্পের সাথে বেশিরভাগ নারী শ্রমিক জড়িত।
কথা হয় চারুশি দোকানের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে, তিনি জানান; সম্ভাবনা এই শিল্পটি শুধুমাত্র আর্থিক সংকটের কারনে সামনের দিকে এগুতে পারছে না।
চারুশি দোকানের মালিক মাসুদুল হক মানিক জানান; নিজের মূলধন দিয়ে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব । আমাদের পন্য অনেক বেশি মানসম্পন্ন। দেশের বাহিরে এর অনেক চাহিদা রয়েছে।

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১ডিসেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬

মোবাইল চার্জই যার জীবিকা

মোবাইল চার্জই যার জীবিকা
জীবন যেখানে যেমন!

কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
জীবন চলে তার নিজস্ব গতিতে আপন ভঙ্গিমায়। সে যেন চলে ঘড়ির কাঁটার মত টিকটিক করে। জীবনের প্রয়োজনে মানুষ কতই না পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকে। সংসারের বড় সন্তান সঞ্জয় কুন্ডু (৩৫)। বাড়ি পৌরশহরের ডাঙ্গাপাড়া নামক মহল্লায়। বাবা সেই ছোট বেলায় গত হয়েছে। সঞ্জয়রা ২ভাই ১বোন।  উপার্জনক্ষম লোক বলতে কেউ নেই। কোন রকমে মামাদের সংসারে থেকে কষ্ট করে এসএসসি পাশের পর এক সময় বদরগঞ্জ উপজেলার নামকরা মিষ্টির দোকানে ম্যানেজারের দায়িত্ব নেয়। কিছুদিন পর সে সেখান হতে বের হয়ে পৌরশহরের ডিগ্রি কলেজ রেলগেট এলাকায় ৩০ হাজার টাকা জামানত দিয়ে গালামালের দোকান নেয়। কিন্তু বিধি বাম ! বাকি পড়ে তার সে ব্যবসাও লাটে উঠার উপক্রম। সংসার কিভাবে চলবে এ চিন্তায় তার ঘুম আসে না ? তার দোকানে অসংখ্য গ্রামের লোকজন বাজারের ব্যাগ রেখে যেত। মাঝে মাঝে কিছু লোকজন মোবাইল চার্জ দেয়ার জন্য অনুরোধ করতো।
এভাবেই তার মাথায় বুদ্ধি এল এখন হতে সে তার দোকানে মোবাইলেই চার্জ দিবে। এভাবে তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হল না। প্রতিদিন গড়ে আড়াই শত হতে তিন শত মোবাইল চার্জ দেয় এবং চার্জ প্রতি মোবাইল ৫টাকা করে নেয়। বর্তমানে তার ওই দোকান হতে প্রতি মাসে রোজগার হয় ৩৫-৪০হাজার টাকা। এখন পৌরশহরের মোবাইল চার্জের দোকান বলতে সবাই মিশুক বিনয়ি মানুষ সঞ্জয় বাবুর দোকানকেই বুঝে। সে ওই দোকান দিয়ে ঘরবাড়ি পাকাকরন সহ সংসার সন্তানের লেখাপড়া সবই করেছে।
মোবাইল চার্জকারি সঞ্জয় কুন্ডু জানান; গালামালের দোকান দিয়ে আমি যখন লোকসানের পথে ওই সময় যদি এই মোবাইল চার্জের ব্যবসা শুরু না করি তাহলে আমাকে আজ পথে বসতে হত। আমি ভগবানের কৃপায় ভালই আছি ।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৩০নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪




প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্য বাংলার পক্ষীকূল


প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্য বাংলার পক্ষীকূল


কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃপ্রকৃতির অমোঘ নিয়মে আপনাআপনি বেড়ে ওঠে বাংলার পক্ষীকূল। ধরিত্রির সবুজ শ্যামল ভুখন্ডের মাঝে পাখিদের বিচরন ও তাদের মধুর কলকানি প্রকৃতি যেন সাজে তার আপন মহিমায়। এ এক অপরুপ দৃশ্য! প্রকৃতিপ্রেমি যে কারোরই এতে মুগ্ধ করে। গ্রামাঞ্চলে অসংখ্য পক্ষীকুলের  মধ্যে দেশিয় প্রজাতির ঘুঘু পানকৌড়ি ও বক অন্যতম। ছুটির দিনে বেড়ানোর এক ফাঁকে সরেজমিনে গোটা উপজেলা ঘুরে দেখার প্রাক্কালে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। দেশিয় প্রজাতির পাখি সম্পর্কে কথা হয় রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের এমারুল হকের(৫৯) সাথে,তিনি জানান; ছোট বেলায় আমাদের গ্রামের পথে প্রান্তরে ফলজ-বনজ গাছে অসংখ্য পক্ষীকূলের উপস্থিতি দেখা যেত। মাঝখানে এসব দেশিয় প্রজাতির পাখিদের চোখেই পড়তো না। বন্যপ্রাণি সংরক্ষন আইন মাঠপর্যায়ে কার্যকর হওয়াতে পাখি শিকারি মূলতঃ পাখি নিধন না হওয়াতে আজ অনেক দিন পর জমিতে গাছে ঘুঘু পানকৌড়ি ও বক দেখে খুব ভাল লাগলো।
একই ইউপির কিসমত ঘাটাবিল এলাকার কলেজ শিক্ষক গোপিনাথ মন্ডলের সাথে কথা হলে তিনি জানান; আমাদের বাড়ির ওঠানে ২ শত বছরের একটা পুরোনো বট আছে,এক সময় এই বট গাছে দেশি প্রজাতির অসংখ্য পাখিদের আবাস্থল ছিল। মাঝখানে কেন জানি না পাখিগুলো হারিয়ে গিয়েছিল। অত্যন্ত আশার কথা
ইতোমধ্যে সেই দেশিয় প্রজাতির পাখিগুলোর পথচারনা বেড়ে গেছে।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; দেশিয় প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষ বেশি বেশি করে রোপন করতে হবে। তাহলে এদের ফল খেয়ে জীবনধারন সহ পাখিদের আবাসস্থল তৈরি হবে। এ ব্যাপারে আমাদেরকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে এ জন্যই যে,বিদেশি জাতের গাছে আমাদের দেশিয় কোন ধরনের পাখি বাসা বাঁধে না। আমরা যদি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারি দেশিয় পাখিগুলিকে রক্ষা করতে চাই তাহলে বিদেশি জাতের বৃক্ষ রোপন না করে দেশিয় জাতের গাছ রোপন করতে হবে।
বদরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরেনারি সার্জন ডাঃ শাখাওয়াৎ হোসেন জানান; প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারি দেশিয় প্রজাতির পাখিগুলিকে যদি আমরা রক্ষা করতে চাই তাহলে অবশ্যই বিদেশি জাতের বৃক্ষ রোপন না করে দেশিয় জাতের গাছ রোপন করতে হবে। তাহলে এদের বংশবৃদ্ধি হবে। 

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৩০ নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪












অস্তিত্ব সংকটে রংপুরের পাল সম্প্রদায়

বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে জমি চাষ করেও অস্তিত্ব সংকটে
রংপুরের পাল সম্প্রদায়


কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃধরনি কান্ত পাল(৮০) রংপুর সদরের পালপাড়া গ্রামের প্রবীন ব্যক্তি। ছোট বেলা হতে তার সম্প্রদায়কে দেখেছেন রাত দিন বাহারি রকমের মাটির তৈজষপত্র বানাতে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করতে। চাহিদার কারনে বাবা-ঠাকুরদাদের দম ফেলানোর সময় ছিল না। তখন আর্থিক অনটন কি বুঝতেই পারিনি। এসব যেন সবই স্মৃতি।
গতকাল সোমবার (২৮নভেম্বর) সকালে পালপাড়া ঢুকে তার সাথে দেখা হলে তিনি এসব কথা জানান। তিনি দূঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন ; যাদের বর্তমান নেই তাদের আবার ভবিষ্যত। যেটুকু জমি ছিল দাদনের(সুদের) টাকা শোধ করতেই শেষ। এজন্য আমাদের ছেলেরা এ পেশা ছেড়ে দিয়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকুরি করছে। মাসে কিছু টাকা পাঠায় যা দিয়ে কোন রকমে বেঁচে আছি।  এই গ্রামের ২৫০ পরিবার তাদের পূর্বপুরুষের পেশা ধরে রাখতে না পেরে জীবন জীবিকার তাগিদে অন্য পেশায় মনোনিবেশ করছেন । বর্তমানে প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ গামের্ন্টস, রিক্সা কিংবা নিজের নয়তো বর্গা নেয়া জমিতে চাষাবাদ করে অতি কষ্টে জীবিকা নির্বাহ করছে। ফলশ্র“তিতে গ্রাম বাংলার আবহমান এতিহ্য মৃৎশিল্প আজ বিলীন হওয়ার পথে। এখনও যে কয়েকটি পাল পরিবার তাদের পূর্ব পুরুষের পেশা ধরে রেখেছেন তারাও পেশা বদলের কথা ভাবছেন।
সরেজমিনে গিয়ে কথা হলে যোগেন চন্দ্র পাল (৫০) চন্ডি চরন পাল (৫৫) জানান ; পূর্ব পুরুষের পেশা ছাড়তে কার ভালো লাগে। বেলে-এঁটেল মাটি স্বল্পতা, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, মাটির তৈরী আসবাবপত্রের চাহিদা কমে যাওয়া,সরকারি-বেসরকারি কোন ধরনের সহযোগিতা না পাওয়া এবং দাদনের জালে জড়িয়ে পুঁজি হারিয়ে ৫-৬ বছর আগে এ পেশা ছেড়ে দিয়ে কৃষি কাজ করছি। বাবা-ঠাকুরদারা যে টুকু জমি রেখে গেছে এর সাথে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ধান আবাদ করি। ধানের দাম কম হওয়াতে এখানেও সুবিধা করতে পারছি না। শুধু কি ধান আবাদ করে পেট চলে ?  রবি শষ্যের চাষাবাদ করতে ভয় হয় কারন পালপাড়ার মধ্য দিয়ে তিস্তার ক্যানেল বের হয়ে গেছে। পূর্বে আমাদের এই জমিতে তিন ফসলি আবাদ হত কিন্তু এই ক্যানেল এসে ধান ছাড়া অন্য কোন ফসলের কথা চিন্তাও করা যায় না । কখন পানি ছেড়ে দেয় তখন সব শষ্যই পানিতে তলিয়ে যাবে। এই ভয়ে আমরা রবি শষ্যের চাষাবাদ করি না।
মমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জমির উদ্দিন প্রামানিকের সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি জানান ; পালদের জন্য মন্দির, শ্মশানের জায়গা এবং তাদের তৈরি পন্য যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে পারে এজন্য রাস্তা প্রশস্ত করে দিয়েছিলাম। বর্তমানে এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমার ছেলের বউ সেও পালদের জন্য আমার অসমাপ্ত কাজগুলি করছে। 
মৃৎশিল্পের বিকাশ ও মান উন্নয়নে সরকারি বেসরকারি ও দাতা সংস্থার আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন মমিনপুরের সূধীজনরা।

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৯নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪  




সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৬

Badarganj Fish News



বদরগঞ্জে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে


কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)


মাছে ভাতে বাঙ্গালীএকটি বিখ্যাত প্রবাদ। বর্তমানে এটি শুধুই স্মৃতি। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের মত রংপুর বদরগঞ্জের গ্রামাঞ্চলে নানা প্রজাতির দেশিয় মাছ আজ বিলুপ্তির পথে।

অঞ্চলের খাল বিল নদী-নালা মুক্ত জলাশয় গুলো মাছ শুন্য হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে অঞ্চল হতে প্রায় বিলুপ্তির পথে শিং, মাগুর, কৈ, মহাশৈল, গজার, বোয়াল, বাইন, টেংরা সহ নানা প্রজাতির মাছ। গ্রামাঞ্চলের হাটবাজার গুলোতেও আর এসব প্রজাতির মাছ   সহজে চোখে পড়েনা। দেশি প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধির হার আশংকাজনক ভাবে হ্রাস পেয়েছে।

অবস্থা চলতে থাকলে আগামি দশ বছরের মধ্যে নদ-নদী খাল বিল সহ মুক্ত জলাশয় গুলো মাছ শুন্য হয়ে পড়বে

গতকাল সোমবার(২৮নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে যমুনেশ্বরি নদী পরিদর্শনকালে মাছ ধরতে আসা রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার আলির(৫৬) সাথে কথা হলে তিনি জানান ; সেই ভোর বেলা থাকি মাছ মারচো, এখন দোপর গড়ছে, মাছ পানু আধসেরের মতন এখন নদীতো মাছ নাই বাহে !

ৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে; প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংস হওয়া এবং ছোট মাছ সংরক্ষনে আইন না থাকায় নদ-নদী খালবিলের ছোট প্রজাতির মাছ আজ ঝুঁকির মধ্যে।

বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম বলেন ; নদ-নদীর নাব্যতা হ্রাস, নদী সংশ্লিষ্ট খালবিলের গভীরতা কমে যাওয়া, নদী ভরাট করা, মা মাছের আবাসস্থল নষ্ট করা, ডোবা নালা সেচ দিয়ে মাছ ধরা, জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, জলাশয় দুষন, রাক্ষুসে মাছের চাষ সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেশিয় মাছ বিলুপ্তির অন্যতম কারন



বদরগঞ্জ রংপুর

তারিখ-২৮নভেম্বর/১৬

মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৬

অদম্য ইচ্ছা শক্তির উপর ভর করে এগিয়ে চলছে বদরগঞ্জের প্রতিবন্ধি স্বাধীন

কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃবুক ভরা আশা আর অদম্য ইচ্ছা শক্তির উপর ভর করে যে শিশুটি এগিয়ে চলছে সামনের দিকে তার নাম স্বাধীন (৯)। বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কালুপাড়া ইউপির শংকরপুর পাঠান পাড়া গ্রামে। দিনমজুর পিতা আলতাফ হোসেন তার শারিরীক প্রতিবন্ধি শিশু সন্তান স্বাধীনকে নিয়ে এক সময় চিন্তার অন্ত ছিল না। কারন আর দশটা শিশুর  মত সে কোন স্বাভাবিক শিশু নয়। এ কারনেই পিতা হিসেবে তার বাড়তি টেনশন। পিতা-মাতার সকল টেনশন উপেক্ষা করে আর দশটি শিশুর ন্যায় প্রতিবন্ধি স্বাধীন লেখাপড়া করে এগিয়ে চলছে সামনের দিকে।
স্বাধীনের অদম্য ইচ্ছা শক্তির কাছে হার মেনে  দিনমজুর পিতা এক সময় বাধ্য হন স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিতে। শিশুটি তার কচি কোমল দু-হাত মুষ্টিবদ্ধ করে তাতে কলম নিয়ে পিএসসির সকল পরীক্ষা সম্পন্ন করে। পরীক্ষাও সে ভাল দেয়। শিশু স্বাধীন উপজেলার শংকরপুর পাঠানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।
দিনমজুর স্বাধীনের পিতা আলতাফ হোসেন জানান; আমার ধারনাও ছিল না আমার স্বাধীন লেখাপড়া করতে পারবে। তার অদম্য ইচ্ছাশক্তিই আমাকে বাধ্য করেছে তাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিতে। আমি গরীব মানুষ। দিন আনি দিন খাই । আমার এই প্রতিবন্ধি শিশুটিকে যে আমি কতদূর লেখাপড়া করাতে পারবো জানি না।
শিশু স্বাধীন জানান; আমি শারিরীক প্রতিবন্ধি হলেও সকল প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে লেখাপড়া শিখে আর দশজন স্বাভাবিক মানুষের মত দেশের জন্য কাজ করতে চাই। আমার জন্য দোয়া করবেন।
প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক জানান; স্বাধীন অত্যন্ত বিনয়ি ও মেধাবি। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে সে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে আমি মনে করি।


বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৭ নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪


শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৬

বদরগঞ্জের খাল বিল নদী-নালা এখন পানি শূন্য

কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ (রংপুর)
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলাসহ আশে পাশের উপজেলার নদী-নালা খাল বিল এখন পানি শূন্য।  খাল বিল নদী-নালা শুকিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। নদী ও বিল এলাকার যে সব স্থানে মাঝিরা তাদের নৌকা ডুবিয়ে রাখতেন সেই স্থানও শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। শুকিয়ে যাওয়া নদী ও বিলে চাষিরা ফসল আবাদ করছেন। যমুনাশ্বরী নদীর বুকে বিশাল চর জেগে উঠেছে। এখন সেটি ধুধু বালুচর। এককালে এ নদী অনেক প্রসস্ত ও খরস্রোতা ছিল, কিন্তু কালের আবর্তে তা বিলীন হতে চলেছে। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই পাড়ের অসংখ্য মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে জেলে পরিবারের দূঃখ দূর্দশা চরমে পৌঁছেছে। যমুনাশ্বরী নদীর পানি প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য ড্রেজিং না করার কারনে নদী যেমন তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে অন্যদিকে নদী তার নাব্যতা হারিয়েছে। এক সময়ে যমুনাশ্বরী নদীতে বড় বড় নৌকা আর ইঞ্জিন চালিত বড় নৌকা পারা পারের প্রচলন ছিল এখন তা সূদুর অতীত। পানি না থাকায় হেঁটেই পার হচ্ছে লোকজন। যেখানে অল্প পানি আছে সেখানে বাঁশের শাখো নির্মান করে চলছে পারাপারের কাজ। যমুনাশ্বরী তীরবর্তী  এলাকা গুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র খাবার পানি সংকট। নদী তীরবর্তী এলাকা গুলোতে টিউবয়েলের পানি উঠা বন্ধ হয়েছে কয়েক মাস আগে। নদী তীরবর্তী এলাকার নাওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মেনহাজুল ইসলাম(৩৩)জানান; নদীতে পানি না থাকায় খাবার পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া মাঠ ঘাট ফেটে যাওয়ায় কোন ফসল ঠিকমত ফলানো যাচ্ছেনা।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; যমুনাশ্বরী নদীর পানি শুকিয়ে যাবার কারনে পরিবেশ ও জীববৈচিত্রে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। গত কয়েক বছরে এলাকার উৎপাদন অনেক কমে গেছে। আগামীতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রুপ ধারন করবে বলে তিনি মনে করেন।
এক সমীক্ষায় দেখা যায় শুস্ক মৌসুমে যমুনাশ্বরী নদীর উৎস মুখে পলি পড়তে শুরু করে। কিন্তু খনন কাজ না করা সহ অব্যবস্থাপনার কারনে দিন দিন  শুকিয়ে যাচ্ছে নদী। এছাড়া অবৈধ দখলদারতো রয়েছেই।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ সাথে কথা হলে তিনি জানান; নদী খনন না করার কারনে নদীতে পলি জমে নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা ভূ-গর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত ব্যবহারে পানির স্তর ক্রমশঃ নিম্নমূখী হচ্ছে। এমতবস্থায় নদীর তীরবর্তী ইরি-বোরো আবাদ হুমকির সন্মূখীন হচ্ছে।
   
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৬নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
     



                                     পাতার ভাঁজে ভাঁজে দারিদ্র জয়ের স্বপ্ন


কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)|

রংপুরের বদরগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে কাঁঠাল পাতার জমজমাট ব্যবসা চলছে। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এখন অনেকে জীবন-জীবিকার পথ খুঁজে পেয়েছেন। বর্তমানে ঘাসের বিকল্প হিসেবে কাঁঠাল পাতা ছাগলের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। গতকাল বদরগঞ্জ রেল স্টেশন ,সি.ও অফিস, শাহাপুর(আঞ্জুমান সংঘ),মিতা সিনেমা হল এলাকার কাঁঠাল পাতার বাজার ঘুরে দেখা গেছে ব্যবসায়ীরা গ্রাম-গঞ্জ ঘুরে ঘুরে কাঁঠাল পাতা সংগ্রহ করেন। প্রতি গাছ কাঁঠাল পাতার দাম ১০০-২০০টাকা। ছোটছোট ডালসহ ওই পাতা কাটা হয়। গ্রামে গ্রামে ঘুরে পাতা কেটে পাতার ব্যবসায়িরা বিকেলে বদরগঞ্জ রেল স্টেশন সহ নির্দিষ্ট এলাকায় চার কেজি ওজনের পাতা বিক্রি করেন ১০টাকায়। ছাগল পালনকারি খামারি বা যারা বাড়িতে ছাগল পালন করেন তারাই কাঁঠাল পাতা কিনছেন। বিশেষ করে ছাগল পালনের জন্য কাঁঠাল পাতা আবশ্যিক খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। কাঁঠাল পাতার ব্যবসায়ী ছামছুল হক (৫২), মনির উদ্দিন (৫৫) জানান; সপ্তাহে তিন দিন তারা বিভিন্ন গ্রাম থেকে গাছ চুক্তি নিয়ে কাঁঠাল পাতা সংগ্রহ করেন। এক ভ্যান কাঁঠাল পাতা সংগ্রহ করতে তাদের খরচ হয় ৪০০-৫০০ টাকা। এই পাতা বিক্রি করতে ৭দিন সময় লাগে তাহলে দ্বিগুন লাভ পাওয়া যায়।
পাতার ব্যবসায়ি দুলাল চন্দ্র (৫০) জানান; বদরগঞ্জের কাঁঠাল পাতা আশে পাশের অনেক জেলা শহরে যায়। ব্যবসায়িরা এখানে এসে পাইকারি দামে কাঁঠাল পাতা কিনে নিয়ে যায়। আমি আমার ফলের দোকানে বসে কাঁঠাল পাতা পাইকারি দামে কিনে মজুদ করি। পরে আঁটি বেঁধে বাজারে বিক্রি করি। এতে আমার সপ্তাহে বাড়তি আয় হয়  হাজার টাকা। এখন আমি আগের চেয়ে অনেক স্বচ্ছল।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; ফলের মৌসুম শেষ হলে  কাঁঠাল গাছের অবাঞ্ছিত পাতা ছোটছোট ডালসহ ছাঁটাই করলে পরবর্তিতে ফল ভালো হয়। অন্য সময় গাছের পাতা ছাঁটাই করলে গাছের ক্ষতি হয়।

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৬নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪





শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৬

নামেই যুগীপাড়া কিন্তু যুগী নাই


পেশার সাথে ধর্ম পরিবর্তন  
নামেই যুগীপাড়া কিন্তু যুগী নাই


কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)

রংপুরের বদরগঞ্জ পৌরসভার পশ্চিম প্রান্তে ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন গ্রামটির নাম যুগীপাড়া। এখানে দেড় শতাধিক পরিবারের বাস। পেশা ঝিনুক দিয়ে তৈরি চুন ৎপাদন। বাপ-দাদা পূর্বপুরুষের এই পেশার সাথে এক সময় তারা ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। বর্তমানে একটি পরিবার ছাড়া কেউই আর পেশার সাথে জড়িত নয়। অনেকেই পেশা পরিবর্তন করে ছানা বিক্রি(দুধের তৈরি),রিক্সা-ভ্যান, গালামালের ব্যবসা, ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করছেন। গ্রামের মানুষরা জীবন-জীবিকার তাগিদে শুধু পূর্বপুরুষের পেশাই বদল করেননি, বদল করেছেন ধর্মও। অর্থ্যা অনেক হিন্দু পরিবার ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহন করেছেন। অবশ্য তাদের প্রজন্মের ছেলেরাও আর যুগীচুন ব্যবসার সাথে জড়াতে চান না
উপমহাদেশের মানুষ কখন হতে পান-সুপারি খাওয়া শুরু করেছেন তার সঠিক দিনক্ষন জানা না গেলেও এখন পর্যন্ত চলছে পান এবং পান-সুপারির অতি গুরুত্বপূর্ন উপাদান চুনের ব্যবহার   পানের এই প্রয়োজনীয় উপাদান চুন তথা যুগীচুনের দাপট কদর এতটাই ছিল যে,যুগীচুন ব্যবসায়ীরা দম ফেলার মত সময় পেত না। দিন পাল্টেছে। আধুনিক কৃত্রিমতার যুগে প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি করা যুগীদের যুগীচুন যেন বিলীন হতে চলেছে আর যতটুকুই অবশিষ্ট আছে তাও যেন চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
গতকাল শুক্রবার (২৫নভেম্বর)সকালে কথা হয় যুগীপাড়ার প্রবীন যুগীচুন শিল্পের সাথে একমাত্র জড়িত ব্যক্তি  বিপিন দেবনাথের (৮৫) সাথে,তিনি জানান; যুগীচুন আমাদের বাপ-দাদা সহ তারও আগের ব্যবস্।া এক সময় খুব ভাল ব্যবসা হত,তখন নদীতে প্রচুর ঝিনুক পাওয়া যেত, জ্বালানীর সংকট ছিলনা, পাথুরে চুন বাজারে ছিলনা। বর্তমানে নদীতে পানি নেই ফলে ঝিনুক পাওয়া যায় না, পাওয়া গেলেও বড় বড় নদী থেকে লোক মারফত ঝিনুক কিনে আনতে হয় এতে খরচও বেড়ে যায়, এর পর জ্বালানী সংকটতো আছেই। বাজারে পাথুরে চুনের দাপটে আমাদের এই যুগীচুন ব্যবসা আর নেই। তিনি আরও বলেন এই যুগীপাড়ার সবারই বাপ-দাদা যুগীচুন ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। এখন ব্যবসা না চলার কারনে বিভিন্ন ধরনের পেশার সাথে তারা জড়িয়ে পড়েছেন আমার দুই ছেলে এক জন গালামালের ব্যবসা অন্যজন কৃষিকাজ করে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন; শরীরের জন্য উপকারি যুগীচুন শিল্পটিকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেনি, তাই শিল্পটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।এই পাড়ার অনেক পরিবার অর্থনৈতিক দৈন্যদশার কারনে খ্রীষ্টান ধর্ম গ্রহন করে এখানকার চার্চে কাজ করছে। অবশ্য বর্তমানে আমাদের ছেলে মেয়েরা আমাদের যুগী বলুক এটাও তারা চায় না। তবে আমি যত দিন বেঁচে আছি ততদিন বাপ দাদার পেশা কষ্ট করে হলেও চালিয়ে যাব।
যুগীচুন সম্পর্কে কথা হয় বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের রসায়ন বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক ইউনুস আলির সাথে,তিনি জানান; চুন মূলতঃ ক্যালসিয়াম কার্বনেট। ক্যালসিয়াম কার্বনেট তাপের (হিট) মাধ্যমে ক্যালসিয়াম অক্সাইড কার্বনডাই অক্সাইড ৎপন্ন করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সাইড পানি বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড বা কলি চুন ৎপন্ন করে। কলি চুন (ক্যালসিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড) পাকস্থলির হাইড্রোজেন ক্লোরাইডের (প্রতিনিয়ত একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর আমাদের পাকস্থলিতে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড তৈরি হয়)  সাথে প্রশমন বিক্রিয়ার মাধ্যমে লবন পানি ৎপন্ন করে ফলে আমাদের গ্যাষ্টিকের উপসম হয়। এছাড়াও যুগীচুনে প্রাকৃতিক অন্যান্য উপাদান থাকে যেমন ফসফরাস, অল্প পরিমানে সালফার, সিলিকন যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারি। আর বাজারের পাথুরে চুনে প্রাকৃতিক কোন উপাদান তো থাকেই না বরং শরীরের জন্য ক্ষতিকর কার্বনডাই অক্সাইড তৈরি করে।
বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনোয়ারা বেগম মোবাইল ফোনে জানান; পাথুরে চুন পানের সাথে খেলে পেটে পাথর,গ্যাষ্টিক সহ নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৫নভেম্বর/১৬
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪


মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৬

Dream Savings poor survival in mice

Dream Savings poor survival in mice

But a blessing for the community of farmers and the country rats. Adonijah seems like the wake of shocking but true. It is for the reader to draw up such a glittering Badarganj district headquarters in the village 6 km Ramnathpur UP khorddabagabara misanapara. Rautha the name of a community. The community of 70 350 people live in the Mission neighborhood. The main livelihood of the rice rat hole to dig out of the hole and the various species of snakes captured alive. Rice hole to dig out of the ground into the livelihood of their lives. Every day, people in the community like the early rautha different groups of at least 10 km and 5 km on foot across the path to reach the destination. After a mouse hole started to look different fields. The mice began to look rice stored food. The soil underneath is brought out to the rice rat. The Paddy is their only source of income. Sometimes the hole is found to be on the sidelines for several species of snakes.
The serpents from us, and they came to the house of the Gypsy communities living near the 3 of them to be sold at 50. That's their extra income. Ramnathpur brother laying on the mission are talking amongst khorddabagabara rautha (65), with said; Every day we have to be at least 5 km up to 10 km on foot in different areas of the mouse hole in the ground underneath collect rice. 4 to 7 seer seer often addressed rice pie. Sometimes pie hole underneath the snake, the snake was the day to day, for at least a day of rice is worth the pain. He added; At this age, they do not like the way to go. But what we have to save the helpless?
He said the opposite question, no rice to do with the family? Niru talking rautha (50) nun Suruj rautha (55), they told this reporter: 70 families live here. Each one of us ardhahara starvation and constant companion. VGF cards do not allow our elderly widow allowance. If the government, for whom this facility. They said; 4 people here have just 10 rupees per kg rice card. After the rest of the poor has another card. Only the history of the vanrious types of time commitments "ti. Throughout the day on foot from far and wide rice rat hole underneath what is said, what do we live with it? When the worker came forward with interest to the waist curved million raji rautha (7), he said; If we do not get poor elderly people in the age of the elderly, who will? I wrote that my father  was bayaskabhatata.
And I can not get out beyond the body are very distressed father. Ramnathpur chairman Abdullah Al Mamun; The inhuman. Shortly before I take responsibility for it. I see the problem seriously. Badarganj Upazila Executive Officer Kazi abeda Gulshan try to communicate with the mobile phone when the phone did not receive his remarks could not be found. MP Duke Chowdhury told reporters in Dhaka ; When I am at badaraganj the necessary measures will be taken to visit the area.

Kamruzzama Mukta
Badarganj, Rangpur date -19 November / 16
Mobile: +8801717850964

The farmers are not aware of the slightest use of underground water Badargonj

 

 

The water of life. Hard to imagine life without water organisms. Although the water is a big part of the 3 percent of the water is salt water, fresh water or potable water, and a small part. Amazing but true, that the world is dependent on the food chain, this fresh water or potable water. Now we need to know what the source of the fresh water? In fact, pool water canals and underground water canals. You must have clear ideas of our own, but the total volume of 326074400 cubic miles of water. 972 percent of the amount of salt water and fresh water share amounts 2792. Only 0,635 shares in the amount of underground water. Ninety seven and a half per cent and the rest is salt water, freshwater is two and a half percent. The slightest reason to think about the use of underground water. We all know that we are a downstream country. Meanwhile, our main source of fresh water into the neighboring country of India's major rivers have been killed by the unilateral construction of the dam. Today the river is almost dead. Due to the increasing use of underground water. The reporter on the spot said that around 10 companies with marginal farmers. The question put to them about the use of underground water. But they do not know nothing. They cleared the land and water harvesting, we'll lift the water. Madhupur village, farmers are talking amongst naopara Huq said mokachedula; When the head moves bhabamo jamita water if you do not already use underground water. Uchali matara stopped when the bhumi. Bhumyota nagabe to give it more water. Jharapara talked Shankarpur village farmer Mahbub Kalupara of Tarash UP government with the island, he said, about the proper use of underground water in Bangladesh farmers is, we just do not know why Badargonj farmers. In fact the water we need water for crop production. I do not know anything more. Women's Degree College lecturer in the Department of Botany at Badarganj Hoque Mukta, keep in mind that underground water is not inexhaustible. If you can not use it properly or a lack of water shortage would hamper crop production. Farakka due to the proximity of the north and the south TIPAIMUKH badhemra disaster that occurred purbancale it will be difficult to compensate for the rise. If the underground water resources of our subconscious Inflation does not worry we do not think about what will happen to waste? As far as the extent of land required to lift water from alternative sources, or to be collected, but the wastage. In this case, the people in the community to be aware of as well as farmers. All of us will think of wealth and land. In this regard, the Department of Agriculture Department of Agriculture as well as very sincerely work together shoulder to shoulder with the farmers and the resources that will be ard is endless. He added; The farmers would also mean that, as a result of pumping more ground water level goes down, as well as increases the risk of arsenic. Cadmium has been found to exist in some districts of the country damaging crops. It's basically more of underground water extraction kuphala. Before running out of time now, as well as the awareness of the farmers is necessary. Badarganj sub-assistant agriculture officer said Kanak Roy; Some farmers have learned how to use underground water, the rest do not know. We always suggest the farmers that they do not overuse of underground water. The reason we Erie farmers to cultivate other crops, including wheat, corn, they cut is more manoyogi. As a result, the use of underground water can be reduced, while other crops phaliye they labhabanao. Badarganj Upazila Agriculture Officer Mahboob Rahman, told reporters on the phone, I have instructed all sub-assistant agriculture officer tells those farmers that underground water is not inexhaustible. The waste can not be. There was a serious lack of sincerity in this regard, farmers wishing to x-underground water wastage. (Run)

Kamruzzaman Mukta
Badarganj, Rangpur date -19 November / 16 Mobile -01717850964

শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৬

Environment news




ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে সামান্যতম সচেতন নয় বদরগঞ্জের কৃষকরা
                                                                         
কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)|

পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া জীবের অস্তিত্ব কল্পনা করা কঠিন। পৃথিবীতে৩ভাগ জল হলেও পানির বড় অংশটি হল লবনাক্ত পানি আর সামান্য অংশ হল স্বাদু পানি বা পেয় পানি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে,সারা বিশ্বের জীবকূল এই স্বাদু পানি বা পেয় পানির উপর নির্ভরশীল। এখন জানতে হবে এই স্বাদু পানির উৎস কি? মূলতঃ নদী নালা খাল-বিল ডোবা জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ পানি।

আমাদের নিজেদের জন্য হলেও পরিস্কার ধারনা থাকতে হবে পৃথিবীর মোট পানির আয়তন ৩২৬,০৭৪,৪০০ঘন মাইল। এর মধ্যে লবনাক্ত পানির পরিমান ৯৭.২ভাগ, আর স্বাদু পানির পরিমান ২.৭৯২ভাগ। এর মধ্যে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমান মাত্র ০.৬৩৫ভাগ। অর্থাৎ সাড়ে সাতানব্বই ভাগ পানি লবনাক্ত আর বাকি আড়াই ভাগ হল স্বাদু পানি। আর এ কারনে সামান্যতম এই ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের ভাবতে হবে। সবাই জানি আমরা ভাটির দেশ। ইতোমধ্যে আমাদের স্বাদু পানির মূল উৎস বড় বড় নদীতে প্রতিবেশি দেশ ভারত একতরফা বাঁধ নির্মান করে নদীগুলিকে মেরে ফেলেছে। নদীগুলো আজ মৃত প্রায় । এ কারনে বেড়েই চলেছে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার।

সরেজমিন এই প্রতিবেদক উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ঘুরে কথা বলেছেন প্রান্তিক কৃষকদের সাথে। তাদের কাছে প্রশ্ন রেখেছিলেন ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার সম্পর্কে । কিন্তু এ বিষয়ে তারা তেমন কিছুই জানেন না। তাদের সাফ কথা ফসল ফলানোর জন্য আমরা পানি উঠাই আর জমিতে পানি দেই।

কথা হয় মধুপুর ইউপির নাওপাড়া গ্রামের কৃষক মোকছেদুল হকের সাথে তিনি জানান; জমিত পানি না থাকলে এমনিতেই মাথা ঘোরে কখন ভাবমো ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার সম্পর্কে। যখন ভূঁই উছলি যায় তখন মটার বন্ধ করি। ভূঁয়োত তো বেশি বেশি পানি দিবার নাগবে।

কথা হয় কালুপাড়া ইউপির শংকরপুর ঝাড়পাড়া গ্রামের কৃষক মাহবুব সরকার দ্বীপের সাথে তিনি জানান;ভূ-গর্ভস্থ পানির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে শুধু আমরা বদরগঞ্জের কৃষকরা কেন বাংলাদেশের কোন কৃষকই তেমন ভাবে জানে না। সত্যি কথা বলতে কি ফসল উৎপাদনের জন্য পানির দরকার পানি দেই। এর বেশি কিছু আমি জানি না।

বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক কামরুজ্জামান মুক্তা জানান;আমাদের মনে রাখতে ভূ-গর্ভস্থ পানি অফুরন্ত নয়। এর ব্যবহার সঠিকভাবে করতে না পারলে এক সময় পানির অভাব কিংবা ঘাটতিতে ফসল উৎপাদন  ব্যাহত হবে। এমনিতেই ফারাক্কার কারনে গোটা উত্তরাঞ্চল এবং টিপাইমুখ বাধেঁর কারনে গোটা দক্ষিন পুর্বাঞ্চলে যে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এটি পুষিয়ে উঠা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে। এর মধ্যে যদি আমারা আমাদের ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদকে অবচেতন মনে অযথাই অপচয় করি ভেবে দেখুন কি হবে ? জমিতে যতটুকু পানির প্রয়োজন হবে ততটুকুই উত্তোলন করে কিংবা বিকল্প উৎস হতে সংগ্রহ  করে হলেও এর অপচয় রোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দেশের মানুষ তথা কৃষক সমাজকে অত্যন্ত সচেতন হতে হবে। ভাবতে হবে এ সম্পদ আমাদের সকলের এবং দেশের। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগ তথা কৃষি অধিদপ্তরকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কৃষকদের সাথে কাধেঁ কাঁধ মিলিয়ে মিলে মিশে কাজ করতে হবে এবং বুঝাতেই হবে যে এ সম্পদ অফুরন্ত নয়।

তিনি আরও জানান; কৃষকদের এও বুঝাতে হবে যে,বেশি বেশি ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর যেমন নিচে চলে যায় তেমনি তাতে আর্সেনিকের ঝুঁকিও বাড়ে। ইতোমধ্যে দেশের কিছু জেলায় ফসলে ক্ষতিকর ক্যাডমিয়ামের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এটা মূলতঃ বেশি বেশি ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কূফল।

সময় ফুরিয়ে ফুরিয়ে যাবার আগেই এখনই সবাইকে তথা কৃষকদের সচেতনতা জরুরি।

বদরগঞ্জ উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক রায় জানান; ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষিত কিছু কৃষক জানে বাকিরা জানে না। আমরা কৃষকদের সব সময় পরামর্শ দেই ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার তারা যেন না করেন। এ কারনে আমরা কৃষকদের ইরি চাষ কমিয়ে দিয়ে তারা যেন ভুট্টা গম সহ অন্যান্য ফসলে বেশি মনোযোগি হয়। এতে একদিকে যেমন ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমবে অন্যদিকে অন্যান্য ফসল ফলিয়ে তারা লাভবানও হতে পারেন।

বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবর রহমান মোবাইল ফোনে এ প্রতিবেদকে জানান;আমার সকল উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি তারা যেন কৃষকদের বুঝান যে ভূ-গর্ভস্থ পানি অফুরন্ত নয়। এর অপচয় করা যাবে না। এ বিষয়ে আমাদের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই যদি কৃষকরা আন্তরিক হন তবেই ভ-গর্ভস্থ পানির অপচয় রোধ সম্ভব। (চলবে)


বদরগঞ্জ,রংপুর

তারিখ-১৯ নভেম্বর/১৬

মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪










Rat & Human news 19.11.16



Bu`y‡ii mÂq nZ`wi‡`ªi evuPvi ¯^cœ

Kvgi“¾vgvb gy³v,e`iMÄ(iscyi)t
Bu`yi K…l‡Ki Z_v †`‡ki ¶wZ Ki‡jI GKwU m¤cÖ`v‡qi Rb¨ Avwk©ev`| welhwU Pg‡K DVvi gZ g‡b n‡jI mwZ¨| Ggb PgKcÖ` welqwU‡K cvV‡Ki Rb¨ Zz‡j Avb‡Z †h‡Z nq iscy‡ii e`iMÄ Dc‡Rjv m`i n‡Z 6wKwg `~‡i
ivgbv_cyi BDwci †LvÏ©evMevo wgkbcvov MÖv‡g| ivD_ GKwU m¤cÖ`v‡qi bvg| GB m¤cÖ`v‡qi 70wU cwiev‡ii 350Rb †jvK wgkb cvovq evm K‡i | hv‡`i cÖavb RxweKv nj Bu`y‡ii MZ© Lyu‡o avb †ei Kiv Ges M‡Z© _vKv wewfbœ cÖRvwZi mvc RxweZ aiv| gvwU Luy‡o MZ© n‡Z ‡ei Kiv avb w`‡q P‡j Zv‡`i Rxeb RxweKv| cÖwZ w`‡bi b¨vq †fvi †ejvq ivD_ m¤cÖ`v‡qi †jv‡Kiv wewfbœ `‡j wef³ n‡q Kg c‡¶ 10wKwg n‡Z 25wKwg ch©š— c_ cv‡q †nu‡U cvwo w`‡q Mš—e¨¯’‡j †cŠuQvq| Zvi ci wewfbœ Rwg‡Z ïi“ nq B`y‡ii M‡Z©i mÜvb| Gi ci ïi“ nq B`y‡ii mwÂZ Lv`¨ av‡bi mÜvb| gvwU Ly‡o †ei K‡i Avbv nq B`y‡ii wb‡q hvIqv avb| GB avbB Zv‡`i GKgvÎ Av‡qi Drm| Gi dvu‡K KLbI KLbI MZ© n‡Z cvIqv hvq wewfbœ cÖRvwZi mvc| GB mvc¸‡jv‡K Zviv RxweZ a‡i evwo‡Z wb‡q Av‡m Ges †e‡` m¤cÖ`v‡qi Kv‡Q G¸‡jv wewµ K‡i 250n‡Z 3 kZ UvKvq| GUvB Zv‡`i evowZ Avq|
K_v nq Dc‡Rjvi ivgbv_cyi BDwci ‡LvÏ©evMevo wgkb cvovi mn`i ivD_ (65) mv‡_,wZwb Rvbvb; cÖwZ w`b Avgiv Kgc‡¶ 10wKwg n‡Z 25wKwg ch©š— cv‡q †n‡U wewfbœ RvqMvi Rwg‡Z wM‡q B`y‡ii MZ© Ly‡o avb msMÖn Kwi | avb cvB KL‡bv 4†mi KLbIev 7 †mi| gv‡S g‡a¨ MZ© Ly‡o cvB mvc,†hw`b av‡bi mv‡_ mvc cvB †mw`b Aš—Zt mvivw`‡bi KóUv mv_©K g‡b nq| wZwb AviI Rvbvb; GB eq‡m `~i c_ cvwo w`‡Z Avi fvj jv‡M bv| wKš‘ Avgiv Amnvq G Qvov Avgv‡`i Avi wK Kivi Av‡Q ? wZwb D‡ëv cÖkœ †i‡L e‡jb, GZUzKz avb w`‡q wK msmvi P‡j ?
K_v nq wbi“ ivD_(50) bvb myi“R ivD_(55) mv‡_,Zviv GB cÖwZ‡e`K‡K Rvbvb; Avgv‡`i GLv†b 70 cwiev‡ii evm| Abvnvi Avi Aa©vnvi Avgv‡`i cÖ‡Z¨‡Ki wbZ¨ m½x| eq¯‹fvZv weaev fvZv wfwRGd KvW© Avgv‡`i †`q bv | Zvn‡j miKv‡ii GB myweav  ¸†jv Kv‡`i Rb¨| Zviv AviI Rvbvb; Avgv‡`i GLv‡b 4 Rb‡K ïay 10 UvKv †KwR `‡i Pv†ji KvW© w`‡q‡Q| evwKiv nZ`wi`ª nIqvi ciI Avi KvD‡K KvW© †`qwb| ïay †fv‡Ui mgq †`q bvbv ai‡bi cÖwZkÖ“wZ| mvivw`b cv‡q †n‡U `~i`~ivš— n‡Z B`y‡ii MZ© Ly‡o KZUzKz avb cvIqv hvq e‡jb,G w`‡q wK evuPv hvq ?
msev` Kwg© †`‡L AvMÖn wb‡q GwM‡q Av‡mb ‡Kvgi †e‡K hvIqv jvL iwR ivD_(72) wZwb e‡jb; Avgiv Mixe gvbyl GB eq‡mI hw` eq¯‹fvZv bv cvB
Zvn‡j eq¯‹fvZv Kv‡K w`‡e e‡jb ? GKUz wj‡L †`b evev hv‡Z Avgvi eq¯‹fvZvUv nq| GB kixi wb‡q Avi evwn‡iI †ei n‡Z cvwi bv Lye K‡ó AvwQ evev|
ivgbv_cyi BDwc †Pqvig¨vb Avãyj­vn& Avj gvgyb Rvbvb; welqwU AgvbweK| Avwg Aí wKQzw`b Av‡M `vwqZ¡ MÖnb K‡iwQ| Zv‡`i mgm¨v ¸‡jv Avwg ¸i“‡Z¡i mv‡_ †`L‡ev|
e`iMÄ Dc‡Rjv wbev©wn Awdmvi KvwR Av‡e`v ¸jkv‡bi mv‡_ †gvevBj †dv‡b †hvMv‡hv‡Mi †Póv Kiv n‡j †dvb wiwmf bv Kivq Zvi gš—e¨ cvIqv hvqwb|
iscyi-2 Avm‡bi msm` m`m¨ wWDK †PŠaywi Rvbvb; Avwg XvKvq i‡qwQ e`iM‡Ä wM‡q GjvKv cwi`k©b K‡i cÖ‡qvRbxq e¨e¯’v †bqv n‡e|

e`iMÄ,iscyi
ZvwiL-19b‡f¤^i/16
‡gvevBj- +8801717850964







বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৬

Mabia Goat firm News



QvM‡ji mdj Lvgvwi e`iM‡Äi gvweqv  

Kvgi“¾vgvb gy³v,e`iMÄ(iscyi)t


ÒfvM¨weavZv me©`vB Kg©V Avi mvnwm‡`i c‡¶B _v‡KbÓ`vk©wbK‡`i Agi GB evwb‡K mZ¨ cÖgvb K‡i mdjZvi ZvwjKvq wb‡Ri bvg wjwL‡q wb‡jb GK mgqKvi nZ`wi`ª M„wnwb gvweqv LvZzb |
iscy‡ii e`iMÄ †cŠimfvi gywÝcvov gnj­vq Zvi evm| ¯^vwg `wi`ª †Mvjvg wKewiqv| †ckvq ¶z‡` e¨emvwq| ‡g‡q‡`i †jLvcovi LiP fib-†cvlY mn msmv‡ii e¨q wbe©vn ¶z‡` e¨emvwq ¯^vwg †Mvjvg wKewiqvi Rb¨ Kó mva¨ n‡q c‡owQj| GK mgq Zvi e¨emv hLb e‡Üi Dcµg, msmv‡ii GKUz Lvwb m~L mg„w× Avi mš—vb‡`i D”P wk¶vi K_v wPš—v K‡iB gvweqv LvZzb ïi“ Ki‡jb QvMj cvjb| Gfv‡eB ïi“|
m‡iRwg‡b MZKvj g½jevi(15b‡f¤^i) mKv‡j gywÝcvovq wM‡q K_v nq gvweqv LvZz‡bi mv‡_,wZwb Rvbvb; 2009 mv‡j Avw_©K AbU‡bi Kvi‡b GKwU †`wk Rv‡Zi QvMj cvjb Kwi| c‡i IB QvMjwU wewµ K‡i AviI wKQz UvKv w`‡q wZbwU ivgQvMj µq Kwi| cieZ©x‡Z AviI `yBwU QvMj wK‡b Avwb| me©‡gvU Avgvi 5wU QvMj µq Kiv| Gi ci w`‡b w`‡b Avgvi Lvgvi QvM‡j c~b©| K‡qKw`b Av‡MI Avgvi Lvgv‡i 1 kZ 25 wU QvMj wQj| QvMj wewµ K‡i 6wU we‡`wk Mi“ wK‡bwQ| ZviI K‡qKw`b Av‡M 15 wU QvMj wewµ K‡i Avgvi ¯^vwg†K e¨emvi Rb¨ UvKv w`‡qwQ| Avgvi 5 †g‡q †Q‡j †bB| 5 mš—vbB †jLvcov K‡i| 2†g‡q e`iMÄ gwnjv wWwMÖ K‡j‡R mœvZK ‡kªwY‡Z I GKRb Øv`k †kªwb‡Z co†Q| GK †g‡q Abv©‡m c‡o †QvU †g‡q Gevi GmGmwm cix¶v w`‡e| g~jZt G Rb¨B Avgvi AvR‡Ki GB QvMj I Mi“i  Lvgvi| Avgvi Lvgv‡ii GKwU QvMj 20 nvRvi UvKv n‡Z b~b¨Zg 15 nvRvi UvKvq wewµ nq| fvj †j‡M‡Q MZ †Kvievwbi C‡` PUªMÖvg n‡Z GK †jvK Avgvi Lvgvi n‡Z †Kvievwbi Rb¨ GKwU ivgQvMj 55 nvRvi UvKv w`‡q wb‡q hvq| G QvovI gv‡S g‡a¨ wewfbœ †Rjv n‡Z QvM‡ji Lvgvwiiv Av‡mb fvj Rv‡Zi QvMj µq Ki‡Z|
wZwb Rvbvb;Avgv‡K Avi mš—vb‡`i Rb¨ `ya wKb‡Z nq bv| cÖwZw`b QvMj n‡Z Kgc‡¶ 5 †KwR `ya cvB| QvM‡ji Lvgvi †`evi ci n‡Z mš—vb‡`i †jLvcov Avw_©K m”QjZv Ges emZ wfUv eve` †cŠimfvq 25 kZvsk Rwg meB n‡q‡Q| GQvovI 3 weNv avwb Rwg µq K‡iwQ| wZwb AviI Rvbvb; mZZv I wbôvi mv‡_ cwikªg K‡i †h †KDB Avgvi gZ mvejw¤^ n‡Z cv‡i|
e`iMÄ gwnjv wWwMÖ K‡j‡Ri Aa¨¶ weg‡j›`y miKvi Rvbvb; gvweqv LvZzb GKRb mdj gv I mdj Lvgvwi| ïaygvÎ wb‡Ri †Póvq GKRb gv msmv‡ii m”QjZv mn mš—vb‡`i †jLvcov wZwb wbwðZ K‡i‡Qb| Avgvi G K‡j‡R Zvi 3 mš—vb †jLvcov K‡i Zviv †hgb †gavwe †Zgb webwq| gvweqv LvZz‡bi gZ gv‡qi Kv‡Q Avgv‡`i A‡bK †kLvi Av‡Q|
e`iMÄ Dc‡Rjv cÖvwb nvmcvZv‡ji ‡f‡Uibvwi mvR©b Wvt kvLvIqvr †nv‡mb Rvbvb; gvweqvi QvM‡ji Lvgvi †MvUv Dc‡Rjvq GKwU AbyKibxq `„óvš—| Gfv‡e mevB hw` QvMj cvj‡b DrmvwqZ nq Zvn‡j gvweqvi gZ mevB ¯^vejw¤^ n‡e|

e`iMÄ,iscyi
ZvwiL-16b‡f¤^i/16
‡gvevBj- +88 01717850964

  ডিউক চৌধুরি এমপিকে বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের অভিনন্দন   রংপুর বদরগঞ্জের কৃতি সন্তান আবুল কালাম মোঃ আহসানুল হক চৌধুরি ডিউক(এমপি) তৃতীয় ...