সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

বড় দিনে উপলক্ষে ক্যাথলিক মিশনে একদিন



কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ

আজ ২৫ ডিসেম্বর। শুভ বড় দিন। আহিৃক গতির হিসেবে দক্ষিন গোলার্ধে এই দিনটি আক্ষরিক অর্থেই দীর্ঘতর। তবে উত্তর গোলার্ধে বিপরীত। অর্থ্যাৎ ক্ষুদ্রতর।
কিন্তু দুই গোলার্ধ মিলে পৃথিবীব্যাপি আজ বড় দিন। ইংরেজিতে এই দিনটিকে খ্রিষ্টমাস বলা হলেও বাংলা সাহিত্যের উজ্জল নক্ষত্র ইশ^র চন্দ্র গুপ্ত একে বড় দিন হিসেবে আখ্যায়িত করেন। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বিদের বিশ^াস অনুযায়ি বড় দিন মানে সৃষ্টিকর্তা ঈশ^রের সবচাইতে বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের শুরুর দিন। এই দিনটি তারা পালন করেন মিথ্যা,প্রতারনা,ভন্ডামি সহ যাবতীয় পাপ কাজ ছেড়ে পূন্য পথে চলার দিন হিসেবে।
অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল বড় দিনের উৎসবে অংশ নেয়ার। এ কারনে বদরগঞ্জ উপজেলা সদর হতে ১৫কিঃমিঃ দুরে লোহানীপাড়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত ক্যাথলিক মিশনে গিয়ে মিশন ইনচার্জ ফাদার বনিফাস মুরমুরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও শুভেচ্ছা বিনিময় করি। পরে তার সাথে কিছু ছবি তুলি।
মিশন ইনচার্জ ফাদার বনিফাস মুরমু এবং দায়িত্বশীল মানুষদের আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
বড় দিন উপলক্ষে বিশে^র খ্রিষ্টান ধর্ম্বাবলম্বি ভাই-বোনদের জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৫ডিসেম্বর/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

 

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭

ইত্তেফাকের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি আমার ইত্তেফাক




আমার ইত্তেফাক

কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ

পঁচিশ পয়সা হতে দশ টাকা। দীর্ঘ পথ। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। ইত্তেফাক মানে বাংলাদেশ আর লাল সবুজের পতাকা। বাংলাদেশের প্রাচীনতম পত্রিকার মধ্যে ইত্তেফাক অন্যতম। আর এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের কিংবদন্তি সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। অনন্যগুন সম্পন্ন মানুষটির(একজন মানুষের যে সমস্ত গুনাবলি থাকে) পরিচয় দেবার মত যোগ্যতা আমার মত এক অখ্যাত সংবাদকর্মির আজন্ম হবে কিনা সন্দেহ। সেই ছোট বেলা হতে বাবার হাতে যে পত্রিকাটি আমি দেখেছিলাম তা হল দৈনিক ইত্তেফাক। সেই হতে ইত্তেফাকের প্রতি আমার প্রেম আমার ভালবাসা। কলেজ শিক্ষক ও সংবাদকর্মি হিসেবে এখন বুঝি দেশের শত পত্রিকার মাঝে এখনও কেন ইত্তেফাক এত জনপ্রিয়।
দৈনিক ইত্তেফাকের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকিতে বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ হতে জানাই প্রানঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।


প্রভাষক কামরুজ্জামান মুক্তা
সভাপতি,বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাব
ও
দৈনিক ইত্তেফাকের একজন পাঠক,ভক্ত।
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

খরা জাল দিয়েও মাছ মিলছে না নদীতে




কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ

“কাইল সারা রাইত ধরি খরা দিয়া মাছ পানু আধা সেরের মতন। নদীত আর মাছ নাই বাহে”কথাগুলো বললেন বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউপির মাছুয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা ঝড়–য়া মাঝি(৩৮)। 
তিনি জানান,খরা এইংকা একটা জাল,ওই জাল দিয়া কোন মাছ বেরবার পাবার ন্যায়।
সরেজমিনে গতকাল রবিবার(২৪ডিসেম্বর)সকালে গিয়ে দেখা যায় খরা জাল দিয়েও মাছ মিলছে না নদীতে। আরও দেখা যায়,নদীতে কোথাও হাটু পানি,কোথাও ধু-ধু বালু চর,আবার কোথাও বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার। এ চিত্র হল বদরগঞ্জের বুক চিরে বয়ে চলা এক সময়ের প্রমত্তা যমুনেশ^রি,চিকলি,করতোয়া মরাতিস্তা ও ঘৃনই নদীর।
সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে এগিয়ে আসেন টনি জাল(টানা জাল)দিয়ে মাছ মারতে আসা একই এলাকার আফজাল মিয়া। তিনি জানান,নদীতে আর আগের মত মাছ নেই। এক সময় আমাদের বাড়িতে মাছের গন্ধে থাকা যেত না। আর এখন খাবার মাছটুকুই পাওয়া যাচ্ছে না।
জেলে আলম মিয়া জানান, আমরা গরীব মানুষ। নদীতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করি। নদীতে মাছ না থাকায় অতি কষ্টে পরিবার নিয়ে বেঁচে আছি।
ইতোমধ্যে এ নদীগুলো হতে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে শিং, মাগুর, কৈ, মহাশৈল, গজার, বোয়াল, বাইন, টেংরা,ধেদাই,পাবদা সহ নানা প্রজাতির মাছ।
গ্রামাঞ্চলের হাটবাজার গুলোতেও আর এসব প্রজাতির মাছ সহজে চোখে পড়েনা।
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে; প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংস হওয়া এবং ছোট মাছ সংরক্ষনে আইন না থাকায় নদ-নদী,খালবিলের ছোট প্রজাতির মাছ আজ ঝুঁকির মধ্যে।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম বলেন; নদ-নদীর নাব্যতা হ্রাস,নদী সংশ্লিষ্ট খালবিলের গভীরতা কমে যাওয়া, নদী ভরাট করা, মা মাছের আবাসস্থল নষ্ট করা, ডোবা নালা সেচ দিয়ে মাছ ধরা,জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার,জলাশয় দুষন,রাক্ষুসে মাছের চাষ সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেশিয় মাছ বিলুপ্তির অন্যতম কারন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রবিউল আলম পারভেজ জানান, নদ-নদীগুলোতে মাছের হয়েছে কথাটি সত্য। কারন হিসেবে তিনি বলেন, মাছের অভয়াশ্রম নষ্ট হয়ে যাওয়া ও নতুন অভয়াশ্রম সৃষ্টি না হওয়ায় এ অঞ্চলে দেশিয় মাছের আকাল দেখা দিয়েছে,তবে মৎস্য বিভাগ প্রজনন ক্ষেত্র সৃষ্টি মাধ্যমে দেশিয় মাছের অভাব পূরনে আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-২৪ডিসেম্বর/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

 















মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭

বিষমুক্ত সবজি চাষে সফল বদরগঞ্জের বাবু




কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
 

বছর পাঁচেক আগেও যে ছিল বাউন্ডেলে জীবনে অভ্যস্ত। বন্ধুবান্ধবদের সাথে অহেতুক সময় নষ্ট করা যার ছিল একমাত্র কাজ। সেই মানুষটিই আজ বিষমুক্ত সবজ্ িচাষ এবং একই জমিতে একাধিক শষ্য চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
পরিশ্রম সততা আর ইচ্ছাশক্তি যে কোন মানুষকে যে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে তার জলন্ত উদাহরন বদরগঞ্জের বাবলুর রহমান বাবু।
এইসএসসি পাশের পর লেখাপড়ায় মন বসে না তার। জায়গা জমি বেশ থাকলেও পিতা আব্বাস আলির তাকে নিয়ে টেনশনের অন্ত ছিল না।
একদিন বাবু তাদের আবাদি জমির ধার দিয়ে যেতে যেতে লক্ষ্য করলো কৃষকরা সবজি ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করছেন। এ বিষয়টি তার ভাল না লাগাতে, সে মনে মনে স্থির করলো বিষমুক্ত সবজি চাষ এবং একই জমিতে একাধিক ফসলের চাষ করবেন। এভাবেই শুরু। এর পর তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। চলতি বছর সামান্য জমিতে মাত্র ৪ হাজার টাকা খরচ করে শীতের আগাম জাতের বাঁধা কপি ও ফুল কপি বিক্রি করেছেন প্রায় ৫০ হাজার টাকার।
গতকাল মঙ্গলবার(১৯ডিসেম্বর)সকালে সরেজমিনে তার এই বিষমুক্ত সবজি চাষ এবং একই জমিতে একাধিক ফসলের চাষ দেখতে চলে যাই বদরগঞ্জ উপজেলা সদর হতে পশ্চিমে ৫ কিঃমিঃ দুরে ট্যাক্সের হাট বালাপাড়া নামক এলাকায়।
জমিতে গিয়ে দেখা যায় কৃষক বাবলুর রহমান বাবু পরম যতেœ ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বাবলুর রহমান বাবু জানান,এক সময় আমাকে নিয়ে আমার পিতা মাতার টেনশনের অন্ত ছিল না। অনেক ত্যাগ আর শ্রম দিয়ে গড়ে তুলেছি বিষমুক্ত সবজি খামার।
তিনি জানান,কিছুদিন আগে সামান্য জমিতে বিষমুক্ত কপি বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করেছি। বর্তমানে আমার জমির সীমানা ঘেঁষে রোপন করেছি বরবটি। জমিতে আছে আগাম জাতের বিষমুক্ত টমেটো যা কয়েকদিনের মধ্যে বাজারে আসবে। আশা করছি এখান হতেই কয়েক লক্ষ টাকা আয় করতে পারবো। টমেটোর পাশ দিয়ে লাইন করে রয়েছে পটল,তার পাশে রয়েছে মরিচ,বেগুন ও বাঁধাকপি।
তিনি দুঃখ করে জানান,গতকাল কে বা কাহারা আমার জমিতে গিয়ে বরবটি গাছগুলি নষ্ট করে দিয়েছে।
আমি চাই আমার মত বেকার যুবকরা অহেতুক সময় নষ্ট না করে নিজ নিজ কাজে মনোনিবেশ করুক তাহলে তারা সফল হবেই।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (উদ্ভিদ সংরক্ষন)কনক রায় জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আগামি কালই আমি বিষমুক্ত সবজি বাগানটি দেখতে যাবো।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবর রহমান জানান,একই জমিতে একাধিক সবজি চাষ করে বাবু দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমি তার সাফল্য কামনা করি।


বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৯ডিসেম্বর/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
 




সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

যমুনেশ্বরি নদী এখন পানি শুন্য




কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ

 

কোথাও হাটু পানি,কোথাও ধু-ধু বালু চর,আবার কোথাও বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার। এ চিত্র রংপুর বদরগঞ্জের বুক চিরে বয়ে চলা এক সময়ের প্রমত্তা যমুনেশ^রি নদীর। যমুনেশ্বরি নদী এখন পানি শুন্য।
পুরোপুরি শুস্ক মৌসুম না আসতেই নদীতে কোন পানি নেই। জেগে ওঠেছে চর। এককালে এ নদী অনেক খরস্রোতা ছিল। কিন্তু কালের আবর্তে তা বিলিন হতে চলেছে। শুকিয়ে যাওয়া নদীতে চাষিরা ফসল আবাদ করছেন। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই পাড়ের অসংখ্য মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে জেলে পরিবারের দুঃখ দূর্দশা চরমে পৌঁছেছে। যমুনেশ্বরি নদীর পানি প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য ড্রেজিং না করার কারণে নদী যেমন তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে অন্যদিকে নদী তার নাব্যতা হারিয়েছে।
এক সময়ে এই যমুনেশ্বরি নদীতে বড় বড় নৌকা আর ইঞ্জিনচালিত নৌকা পারাপারের জন্য প্রচলন ছিল। এখন তা সূদুর অতীত। কোথাও কোথাও পানি না থাকায় লোকজন পায়ে হেঁটেই পার হচ্ছে আবার কোথাও হাঁটু পানিতেই লোকজন পারাপার করছে। যেখানে কিছুটা পানি আছে সেখানে বাশেঁর সাঁকো নির্মাণ করে চলছে পারাপারের কাজ। যমুনেশ¦ির নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে খাবার পানির সংকট। নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে পুরোপুরি শুস্ক মৌসুম আসার আগেই টিউবওয়েলের পানি ওঠা কমে গেছে।
নদীর তীরবর্তী এলাকার নাওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা চঞ্চল মিয়া জানান; নদীতে পানি না থাকায় আমাদের খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফসলের ক্ষেত খামারে পানির স্বল্পতা দেখা দেয়ায় আবাদ ঠিকমতো হচ্ছে না।
বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জানান; যমুনেশ¦ির নদীর পানি শুকিয়ে যাবার কারণে পরিবেশ ও জীববৈচিত্রে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। গত কয়েক বছরে এ এলাকার উৎপাদন কমে গেছে। আগামিতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রুপ ধারণ করবে বলে মনে করেন তিনি। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শুস্ক মৌসুমে যমুনেশ্বরি নদীর উৎস মুখে পলি পড়তে শুরু করে। কিন্তু খনন কাজ না করা সহ অব্যবস্থাপনার কারণে দিনদিন শুকিয়ে যাচ্ছে নদী। এছাড়া অবৈধ দখলদারতো রয়েছেই।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) কনক চন্দ্র রায় বলেন; নদী খনন না করার কারণে নদীতে পলি জমে নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা ভূ-গর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত ব্যবহারে পানির স্তর নিম্নমূখি হচ্ছে। এমতবস্থায় নদী তীরবর্তী অঞ্চলের চাষাবাদ হুমকির মুখে পড়েছে।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমান জানান,দ্রুত নদী খনন করা না হলে নদীর তীরবর্তী জমির ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ছাড়াও নদীতে পানি না থাকায় জেলে সম্প্রদায়েরও দুর্দিন বিরাজ করছে।  

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৮ডিসেম্বর/১৭
মোবাইল- ০১৭১৭৮৫০৯৬৪

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

কীটনাশক ও সারের ব্যবহার অর্ধেকে নেমে যেতে পারে, তামাকের তৈরি কম্পোস্ট সার




কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ

রংপুরের বদরগঞ্জে আশংকাজনক ভাবে বাড়ছে তামাকের চাষ। এক দিকে কৃষকদের নগদ অর্থের মোহ অন্যদিকে টোবাকো কোম্পানি গুলোর অর্থের লোভ দেখিয়ে উৎসাহ; মূলতঃ এই দুটো কারণেই কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না তামাকের চাষ। তামাকের চাষ হয় তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদনের লক্ষ্যে,যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এই তামাক মূলতঃ চাষিরা টোবাকো কোম্পানির কাছে বিক্রি করে অধিক মুনাফার আশায়।
চাষিরা যদি তামাক গাছ হতে সরাসরি কম্পোস্ট সার তৈরি করে জমিতে ব্যবহার করে তাহলে দ্বিগুন ফসলের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন; এতে চাষাবাদে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার অর্থ্যাৎ খরচ কমে অর্ধেকে নেমে আসতে পারে। কৃষি বিভাগের আন্তরিকতা ও নজরদারিতে তামাকের ব্যবহারটি চাষিদের সূফল আনতে পারে।
কম্পোস্ট সার তৈরি সম্পর্কে তিনি জানান; মাটির গর্তে (মাটির পিট) গোবর, ধঞ্চা,কচুরিপানা, খৈল,ঘাসপাতার সাথে কাঁচা তামাক গাছ ১ ইঞ্চি করে কেটে ভাল করে মিশিয়ে মিশ্রিত দ্রব্য মাটির গর্তে ৭০-৮০ দিন রাখতে হবে। মাঝে এক বার মিশ্রিত দ্রব্যগুলো উল্টে পূনরায় মাটির গর্তে রেখে দিতে হবে। পরবর্তিতে এই পিট হতে সার উত্তোলন করে কম্পোস্ট সার হিসাবে জমিতে ব্যবহার করা যায়।
উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান; বদরগঞ্জ উপজেলায় আশংকাজনক ভাবে বাড়ছে তামাকের আবাদ । তবে তামাকজাত দ্রব্য স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলেও কম্পোস্ট সার হিসাবে এটি খুবই উপযোগি। তিনি বলেন; এই গাছ জমিতে ১২০-১৩৫ দিন পর্যন্ত থাকে। ঐ সময়ে তামাক গাছ মাটি হতে যে সার মিশ্রিত খাদ্য গ্রহন করে তা গাছের দেহে যৌগিক পদার্থ হিসাবে জমা থাকে। কাঁচা অবস্থায় ঐ গাছ কেটে সার প্রস্তুতের জন্য ব্যবহার করা হলে যৌগিক পদার্থ কম্পোস্ট সারের সাথে মিশে যায়। এতে তৈরি হয় এক সুষম সার। যা অন্যান্য ফসলের জন্য অত্যন্ত উপযোগি।


বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৭ডিসেম্বর/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪


    



শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

বিজয় দিবসে বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী



কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ

রংপুরের বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাব মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে স্থানীয় শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পন করেছেন। গতকাল শনিবার(১৬ডিসেম্বর)সকাল ৭টায় এ পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি প্রভাষক কামরুজ্জামান মুক্তা,রিপোর্টার্স ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক মোস্তাফিজার রহমান,সহ-কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক সাইদুজ্জামান রিপন,সাংবাদিক শ্যামল লোহানী প্রমুখ।
পুস্পমাল্য অর্পন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ১ মিনিট নীরবতা ও মোনাজাত করা হয়।

বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-১৬ডিসেম্বর/১৭
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪


  ডিউক চৌধুরি এমপিকে বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের অভিনন্দন   রংপুর বদরগঞ্জের কৃতি সন্তান আবুল কালাম মোঃ আহসানুল হক চৌধুরি ডিউক(এমপি) তৃতীয় ...