কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)প্রতিনিধিঃ
দুপুর গড়িয়ে বিকাল। তবুও সুর্যের লেলিহান শিখার দাপট যেন কমছে না। তপ্ত মাঠে আর ভ্যাবসা গরমে নাকাল কৃষক। তবুও বৈরি পরিবেশে কৃষক মাঠে। কারন একটাই,প্রচন্ড রোদে ধান গাছ শুকিয়ে ঝিমিয়ে যাচ্ছে।
বৃষ্টির দেখা নাই জেনে কৃষকরা তাদের জমির ধান বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ইঞ্জিনচালিত স্যালো মেশিন জমিতে বসিয়ে সেচ দিচ্ছেন। এ যেন কৃষককের ফসল বাঁচাতে প্রাণান্তকর চেষ্টা। এ চিত্র রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার আমন মাঠের।
সরেজমিনে গত মঙ্গলবার(২অক্টোবর)গোটা উপজেলা ঘুরে আমন ক্ষেতে ইঞ্জিনচালিত স্যালো মেশিন দিয়ে পানি দেয়ার দৃশ্যই চোখে পড়ে।
এ সময় কথা হয় উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের আমন চাষি মামুন মিয়া(৪৫)এর সাথে,তিনি জানান,মুই গত দুই দিন পরপর মোর আমনের ভুইয়োত পানি দিনু। তাও যেন মনে হওছে ভুই শুকি গেইছে।
ধানোত থোর ধরার সময় জমি ভিজা না থাকলে কি ভাল ধান হইবে ? এবার আবাদ যে ক্যানক্যা হইবে মুই ভাবি পাওছো না। হাঁড়ভাঙ্গা খাটুনি দিয়্যা ধান আবাদ করি হামার কি লাভ ?
একই এলাকার অপর আমন চাষি এমারুল হক(৫৯)জানান,সুর্যের তাপ এতটাই যে,স্যালো দিয়া জমিত পানি দিলেও পানি থাকোছে না। ভুই শুকি কাঠ হয়্যা যাওছে। তা হইলে ধান হইবে কেমন করি। ধান ভাল না হইলে যে হারা শ্যাস হয়্যা যামো বাহে।
কথা হয় লোহানীপাড়া ইউপির সাহেবগঞ্জ এলাকার কৃষক রাজ্জাক আলির সাথে,তিনি জানান,ধানের থোড় আসার সময় জমি ভেজা থাকাটা খুবই গুরুত্বপুর্ন। তা না হলে তো ধান হবে না।
তিনি আরও জানান,ধান আবাদের খরচ তার উপর জমি শুকিয়ে যাওয়ার কারনে পানি দেয়ার জন্য বাড়তি খরচ। এতে উৎপাদন খরচ কৃষকদের আরও বেড়ে গেল। আরও যদি কৃষকরা তাদের কাঙ্খিত ফসল না পান তাহলে তারা মাঠে মারা যাবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক রায় জানান,বৃষ্টির পানি না হওয়ায় আমরা কৃষকদের জমিতে সেচ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছি। এখন পর্যন্ত উপজেলায় আমন আবাদ তুলনামুলক ভালই আছে।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবর রহমান জানান,সঠিক সময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকরা জমিতে সেচ দিচ্ছেন এতে করে আমন আবাদে উৎপাদন ব্যয় অনেকটা বেড়ে যাবে। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৩অক্টোবর/১৮
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
দুপুর গড়িয়ে বিকাল। তবুও সুর্যের লেলিহান শিখার দাপট যেন কমছে না। তপ্ত মাঠে আর ভ্যাবসা গরমে নাকাল কৃষক। তবুও বৈরি পরিবেশে কৃষক মাঠে। কারন একটাই,প্রচন্ড রোদে ধান গাছ শুকিয়ে ঝিমিয়ে যাচ্ছে।
বৃষ্টির দেখা নাই জেনে কৃষকরা তাদের জমির ধান বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ইঞ্জিনচালিত স্যালো মেশিন জমিতে বসিয়ে সেচ দিচ্ছেন। এ যেন কৃষককের ফসল বাঁচাতে প্রাণান্তকর চেষ্টা। এ চিত্র রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার আমন মাঠের।
সরেজমিনে গত মঙ্গলবার(২অক্টোবর)গোটা উপজেলা ঘুরে আমন ক্ষেতে ইঞ্জিনচালিত স্যালো মেশিন দিয়ে পানি দেয়ার দৃশ্যই চোখে পড়ে।
এ সময় কথা হয় উপজেলার রামনাথপুর ইউপির ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের আমন চাষি মামুন মিয়া(৪৫)এর সাথে,তিনি জানান,মুই গত দুই দিন পরপর মোর আমনের ভুইয়োত পানি দিনু। তাও যেন মনে হওছে ভুই শুকি গেইছে।
ধানোত থোর ধরার সময় জমি ভিজা না থাকলে কি ভাল ধান হইবে ? এবার আবাদ যে ক্যানক্যা হইবে মুই ভাবি পাওছো না। হাঁড়ভাঙ্গা খাটুনি দিয়্যা ধান আবাদ করি হামার কি লাভ ?
একই এলাকার অপর আমন চাষি এমারুল হক(৫৯)জানান,সুর্যের তাপ এতটাই যে,স্যালো দিয়া জমিত পানি দিলেও পানি থাকোছে না। ভুই শুকি কাঠ হয়্যা যাওছে। তা হইলে ধান হইবে কেমন করি। ধান ভাল না হইলে যে হারা শ্যাস হয়্যা যামো বাহে।
কথা হয় লোহানীপাড়া ইউপির সাহেবগঞ্জ এলাকার কৃষক রাজ্জাক আলির সাথে,তিনি জানান,ধানের থোড় আসার সময় জমি ভেজা থাকাটা খুবই গুরুত্বপুর্ন। তা না হলে তো ধান হবে না।
তিনি আরও জানান,ধান আবাদের খরচ তার উপর জমি শুকিয়ে যাওয়ার কারনে পানি দেয়ার জন্য বাড়তি খরচ। এতে উৎপাদন খরচ কৃষকদের আরও বেড়ে গেল। আরও যদি কৃষকরা তাদের কাঙ্খিত ফসল না পান তাহলে তারা মাঠে মারা যাবে।
বদরগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কনক রায় জানান,বৃষ্টির পানি না হওয়ায় আমরা কৃষকদের জমিতে সেচ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছি। এখন পর্যন্ত উপজেলায় আমন আবাদ তুলনামুলক ভালই আছে।
বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবর রহমান জানান,সঠিক সময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকরা জমিতে সেচ দিচ্ছেন এতে করে আমন আবাদে উৎপাদন ব্যয় অনেকটা বেড়ে যাবে। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
বদরগঞ্জ,রংপুর
তারিখ-৩অক্টোবর/১৮
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন