কামরুজ্জামান মুক্তা,বদরগঞ্জ(রংপুর)ঃ
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ভিসিডি, ডিভিডি প্লেয়ার, মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে বর্তমান সময়ে অকেজো হয়ে পড়ে আছে ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দির মানুষের শ্রেষ্ঠ বিনোদন মাধ্যম ক্যাসেট ও ক্যাসেটের রেশমি ফিতা (রিল)। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার অসংখ্য ইলেকট্রনিক্স দোকানগুলোতে এক সময়ের সাড়া জাগানো ক্যাসেটের রিল অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকলেও এগুলোর খোঁজ করার মত এখন আর কোন ক্রেতা নেই। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কাছে হেরে যাওয়া রিলগুলো দেখে মনে হয় এগুলো যেন এখন শুধুই স্মৃতি। দোকানের বাড়তি সৌন্দর্য ছাড়া আর কিছুই নয়।
গতকাল শনিবার(৩০জুন)পৌর শহরের ‘সুর ঝংকার ইলেকট্রনিক্স,অথৈই ইলেকট্রনিক্স,খোকন ইলেকট্রনিক্স,জেরিন ইলেকট্রনিক্স,সবুজ ইলেকট্রনিক্স, আব্দুল ‘মান্নান ইলেকট্রনিক্স, আনারুল টেলিকমসহ বেশ কিছু ইলেকট্রনিক্স দোকানে গিয়ে চোখে পড়ে অবিক্রিত অবস্থায় দোকানে পড়ে থাকা হাজার হাজার রেশমি ফিতা (রিল)।
গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল হতে এ সব ক্যাসেটের রিল দোকানে পড়ে থাকলেও এখন ভুলক্রমেও কোন ক্রেতা এসে এগুলোর খোঁজ খবর নেননা। তাই দোকানদাররা কবে কখন এই ক্যাসেটের শেষ রিল বিক্রি করেছেন সেটাও তারা বলতে পারেননা। এক সময়ের সাড়া জাগানো বাংলা,হিন্দি ছায়া ছবি,নাটক, গান, সংলাপ ও ওয়াজ মাহফিলের রিল গুলোর প্রচুর চাহিদা থাকায় দোকানদাররা সেগুলো পাইকারি হারে ২৮-৩০ টাকায় ক্রয় করে ৪৫-৫০টাকায় বিক্রি করতেন। কিন্তু এর পর হতে বাজারে ভিসিডি, ডিভিডি, মোবাইল ফোন আসার পর লোকজন ক্যাসেটের ব্যবহার একেবারে বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও কম্পিউটারের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ক্যাসেটের নাম পর্যন্ত মানুষ ভুলে যেতে বসেছে বলে দোকানদাররা জানান।
আরও জানা যায়,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল শেষ হওয়ার পরেও এ উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লীতে কিছু কিছু মানুষ ক্যাসেটের গান শুনতো বলে সে সময় কিছু কিছু করে রিল বিক্রি হতো। কিন্তু এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির তৈরি ইলেকট্রনিক সামগ্রি গুলো শহরের বাইরে গ্রামের মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে যাওয়ায় (রেশমি ফিতা) ক্যাসেটের রিলগুলো একেবারে অচল হয়ে গেছে।
সুর ঝংকার ইলেকট্রিক্স এর সত্ত্বাধিকারি মোকছেদুল হক শাহ্ জানান, আমার দোকানে বর্তমানে ৮ হাজার রিল অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। যার মুল্য ২৫হাজার টাকা। সে সময় রিলগুলো কেনার পর ক্রেতার অভাবে বিক্রি করতে পারিনি। ক্যাসেটের রিলগুলো এখন আমার দোকানের স্মৃতি বহন করছে। একারনে রিলগুলো র্যাকের মধ্যে সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছি।
বদরগঞ্জ পৌর শহরের বাসিন্দা ও ক্যাসেটের প্রবীন শ্রোতা আব্দুল আলিম (৭৪) জানান,এক সময়ের এই ক্যাসেটের গান শুনে আমার সারাদিন আনন্দে কাটতো। তিনি আরও জানান,অনেক টাকা খরচ করে চট্রগ্রাম হতে একটি বড় ধরনের ক্যাসেট সেট কিনে এনেছিলাম। বর্তমানে আমার সেই ক্যাসেটটি খেলনা সামগ্রিতে পরিনত হয়েছে।
বদরগঞ্জ, রংপুর
তারিখ-৩০জুন/১৮
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ভিসিডি, ডিভিডি প্লেয়ার, মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে বর্তমান সময়ে অকেজো হয়ে পড়ে আছে ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দির মানুষের শ্রেষ্ঠ বিনোদন মাধ্যম ক্যাসেট ও ক্যাসেটের রেশমি ফিতা (রিল)। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার অসংখ্য ইলেকট্রনিক্স দোকানগুলোতে এক সময়ের সাড়া জাগানো ক্যাসেটের রিল অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকলেও এগুলোর খোঁজ করার মত এখন আর কোন ক্রেতা নেই। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কাছে হেরে যাওয়া রিলগুলো দেখে মনে হয় এগুলো যেন এখন শুধুই স্মৃতি। দোকানের বাড়তি সৌন্দর্য ছাড়া আর কিছুই নয়।
গতকাল শনিবার(৩০জুন)পৌর শহরের ‘সুর ঝংকার ইলেকট্রনিক্স,অথৈই ইলেকট্রনিক্স,খোকন ইলেকট্রনিক্স,জেরিন ইলেকট্রনিক্স,সবুজ ইলেকট্রনিক্স, আব্দুল ‘মান্নান ইলেকট্রনিক্স, আনারুল টেলিকমসহ বেশ কিছু ইলেকট্রনিক্স দোকানে গিয়ে চোখে পড়ে অবিক্রিত অবস্থায় দোকানে পড়ে থাকা হাজার হাজার রেশমি ফিতা (রিল)।
গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল হতে এ সব ক্যাসেটের রিল দোকানে পড়ে থাকলেও এখন ভুলক্রমেও কোন ক্রেতা এসে এগুলোর খোঁজ খবর নেননা। তাই দোকানদাররা কবে কখন এই ক্যাসেটের শেষ রিল বিক্রি করেছেন সেটাও তারা বলতে পারেননা। এক সময়ের সাড়া জাগানো বাংলা,হিন্দি ছায়া ছবি,নাটক, গান, সংলাপ ও ওয়াজ মাহফিলের রিল গুলোর প্রচুর চাহিদা থাকায় দোকানদাররা সেগুলো পাইকারি হারে ২৮-৩০ টাকায় ক্রয় করে ৪৫-৫০টাকায় বিক্রি করতেন। কিন্তু এর পর হতে বাজারে ভিসিডি, ডিভিডি, মোবাইল ফোন আসার পর লোকজন ক্যাসেটের ব্যবহার একেবারে বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও কম্পিউটারের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ক্যাসেটের নাম পর্যন্ত মানুষ ভুলে যেতে বসেছে বলে দোকানদাররা জানান।
আরও জানা যায়,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল শেষ হওয়ার পরেও এ উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লীতে কিছু কিছু মানুষ ক্যাসেটের গান শুনতো বলে সে সময় কিছু কিছু করে রিল বিক্রি হতো। কিন্তু এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির তৈরি ইলেকট্রনিক সামগ্রি গুলো শহরের বাইরে গ্রামের মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে যাওয়ায় (রেশমি ফিতা) ক্যাসেটের রিলগুলো একেবারে অচল হয়ে গেছে।
সুর ঝংকার ইলেকট্রিক্স এর সত্ত্বাধিকারি মোকছেদুল হক শাহ্ জানান, আমার দোকানে বর্তমানে ৮ হাজার রিল অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। যার মুল্য ২৫হাজার টাকা। সে সময় রিলগুলো কেনার পর ক্রেতার অভাবে বিক্রি করতে পারিনি। ক্যাসেটের রিলগুলো এখন আমার দোকানের স্মৃতি বহন করছে। একারনে রিলগুলো র্যাকের মধ্যে সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছি।
বদরগঞ্জ পৌর শহরের বাসিন্দা ও ক্যাসেটের প্রবীন শ্রোতা আব্দুল আলিম (৭৪) জানান,এক সময়ের এই ক্যাসেটের গান শুনে আমার সারাদিন আনন্দে কাটতো। তিনি আরও জানান,অনেক টাকা খরচ করে চট্রগ্রাম হতে একটি বড় ধরনের ক্যাসেট সেট কিনে এনেছিলাম। বর্তমানে আমার সেই ক্যাসেটটি খেলনা সামগ্রিতে পরিনত হয়েছে।
বদরগঞ্জ, রংপুর
তারিখ-৩০জুন/১৮
মোবাইল-০১৭১৭৮৫০৯৬৪



